মগরাহাট: পুনর্নির্বাচনেও মগরাহাট পশ্চিম বিধানসভা কেন্দ্রে ফলস ভোটিং-এর ঘটনা নিয়ে চিন্তায় নির্বাচন কমিশন। শনিবার সেখানে হয় পুনর্নির্বাচন। নির্বাচন কমিশন সূত্রে খবর, সন্ধে ৭টা পর্যন্ত ভোট পড়েছে ৮৯ দশমিক ২৯ শতাংশ। কমিশন সূত্রে খবর, ১৪২ নম্বর বুথে এদিন ফলস ভোট পড়ার অভিযোগ এসেছে। কোথাও ছিল EVM কারচুপির অভিযোগ, কোথাও CC ক্যামেরায় গন্ডগোল! যার জেরে ৪৮ ঘণ্টার ব্যবধানে ফের ভোটের লাইনে দাঁড়াতে হল দুই বিধানসভা কেন্দ্রের ১৫টি বুথের ভোটারদের। ভোটার, মগরাহাট পশ্চিম বিধানসভা কেন্দ্র।
পুনর্নির্বাচনেও মগরাহাট পশ্চিম বিধানসভা কেন্দ্রে ফলস ভোটিং-এর ঘটনা নিয়ে চিন্তায় নির্বাচন কমিশন। কমিশন সূত্রে খবর, ১৪২ নম্বর বুথে ফলস ভোট পড়ার অভিযোগ এসেছে। পাশাপাশি এদিন পুনর্নির্বাচন ঘিরেও উত্তেজনা তৈরি হয়! বিজেপি প্রার্থীকে দেখে জয় বাংলা স্লোগান দেন তৃণমূলের কর্মীরা। শনিবার পুনর্নির্বাচন হল মগরাহাট পশ্চিম বিধানসভা কেন্দ্রের ১১টি এবং ডায়মন্ডহারবার বিধানসভা কেন্দ্রের ৪টি বুথে।
মগরাহাট পশ্চিমের বিজেপি প্রার্থী গৌরসুন্দর ঘোষ বলেছেন, 'এখানে বুথ টেম্পারিং, বুথ জ্যামিং যেটা হয়েছিল, সেটা তো বিভিন্ন জায়গায় সেলোটেপ লাগানো, ব্ল্যাকটেপ লাগানো। এগুলো আমাদের কাছে সমস্ত ছিল, অভিযোগ ছিল। নির্বাচন কমিশনের কাছেও নিশ্চয় সাধারণ মানুষ অভিযোগ করেছে। নির্বাচন কমিশন স্ক্রুটিনি করেছে, তারা যেটা ভাল বুঝেছে, সেটা করেছে।' এদিন সকাল থেকেই ভোটারদের লম্বা লাইন পড়ে বুথের বাইরে। দ্বিতীয় বার ভোটের লাইনে দাঁড়াতে হয়েছে বলে অনেকে আবার অসন্তোষও প্রকাশ করেন। মগরাহাট পশ্চিম বিধানসভা কেন্দ্রের এক ভোটার বলছেন, 'প্রত্যকে এখানকার ডেলি লেবার, এরা কলকাতায় যায়। বিভিন্ন ব্যবসা-বাণিজ্য করে। তাদের যে এই একটা রোজ ক্ষতি হল, সেটা কে দেবে? কী কারণে এই রিপোল হচ্ছে, আমরা কেউ জানতে পারিনি।' অন্য়দিকে, নির্বাচন কমিশন সূত্রে খবর, CCTV গন্ডগোল ছিল উত্তর ইয়ারপুর FP স্কুলের ৪৬ নম্বর বুথে। এদিন সেখানেও নতুন করে ভোট হয়। পুনর্নির্বাচন উপলক্ষে এদিনও ছিল কড়া নিরাপত্তা। দিনভর তৎপর ছিল কেন্দ্রীয় বাহিনী এবং রাজ্য পুলিশ। তার মধ্যেও বাহিরপোয়া কুড়কুড়িয়া অবৈতনিক প্রাথমিক বিদ্যালয়ের বাইরে বিজেপি প্রার্থীর গাড়ি ঘিরে বিক্ষোভ দেখায় তৃণমূল। গাড়িতে চাপড় মারার পাশাপাশি দেওয়া হয় জয় বাংলা স্লোগান। ঘটনার পরই পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনী ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি আয়ত্তে আনে।
