মালদা: ভোটের আগে রক্তাক্ত মালদা। মালদার চাঁচলে কংগ্রেসের পঞ্চায়েত সদস্যার স্বামীকে বেধড়ক মারধরের অভিযোগ উঠল বেশ কয়েকজন তৃণমূল কর্মীদের বিরুদ্ধে। চাঁচল সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন আক্রান্ত কংগ্রেস কর্মী মর্তুজ আলম। তাঁর স্ত্রী নাশেদা খাতুন চাঁচল ১ নম্বর পঞ্চায়েত সমিতির কংগ্রেস সদস্য। অভিযোগ, পুরনো একটি বিবাদের জেরে, থানায় অভিযোগ জানানো নিয়ে দু-পক্ষের গন্ডগোল। তার জেরেই বেধড়ক মারধর করা হয়েছে বলে অভিযোগ। গতকাল আক্রান্ত কংগ্রেস কর্মীকে দেখতে হাসপাতালে যান চাঁচলের কংগ্রেস প্রার্থী আসিফ মেহবুব সহ জেলা নেতৃত্ব। কংগ্রেসের অভিযোগ, পরিকল্পিতভাবে এই হামলা চালিয়েছে তৃণমূলের 'গুন্ডাবাহিনী'। যদিও সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেছে তৃণমূল। তাদের দাবি এটা কংগ্রেসের গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের ফল। এর সঙ্গে তৃণমূলের কোনও যোগ নেই।

Continues below advertisement

এর আগে ভোটের প্রার্থী তালিকা ঘোষণা হওয়ার পর মুর্শিদাবাদে এক ব্যক্তির বাড়িতে ঢুকে হামলা চালানো হয়েছিল। দিনের আলোয় দলবল নিয়ে বাড়িতে ঢুকে হামলা! রক্তাক্ত হয়েছিলেন একই বাড়ির একাধিক সদস্য়। ঘটনাস্থল ছিল মুর্শিদাবাদের কান্দি থানার হাটপাড়া। অভিযোগ, আজ সকাল সাড়ে আটটা নাগাদ আগ্নেয়াস্ত্র হাতে বাড়িতে ঢুকে হামলা চালায় দুষ্কৃতীরা। পরিবারের ৫ সদস্য়কে বেধড়ক মারধর করা হয়। আক্রান্ত তহিদ শেখের পরিবারের দাবি, তাঁরা দুষ্কৃতীদের একটি আগ্নেয়াস্ত্র ছিনিয়ে নেন। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে আসে কান্দি থানার পুলিশ এবং কেন্দ্রীয় বাহিনী। হামলাকারীরা স্থানীয় বলেই দাবি তহিদ শেখের পরিবারের। 

দুদিন আগেই ভোটের প্রশিক্ষণে গিয়ে আক্রান্ত হয়েছিলেন এক ভোটকর্মী! রক্ত ঝরল এক শিক্ষকের। নির্বাচনী বিধি চালু হওয়ার পরেও, ভোটের প্রশিক্ষণের জায়গায় মুখ্যমন্ত্রীর ছবি দেওয়া সরকারি বিজ্ঞাপন কেন? অভিযোগ, এই প্রশ্ন তোলায় BDO অফিসের সরকারি কর্মীদের একাংশ ওই ভোটকর্মীকে মারধর করে! এই ঘটনায় রিপোর্ট তলব করেছে নির্বাচন কমিশন। ভোটের ট্রেনিংয়ের জায়গায় মুখ্যমন্ত্রীর ছবি সহ সরকারি বিজ্ঞাপন কেন? এই প্রশ্ন তোলায়, ভোটের প্রশিক্ষণ নিতে এসে প্রথম দিনই আক্রান্ত হলেন ভোটকর্মী! ঝরল রক্ত! ধুন্ধুমার পরিস্থিতি তৈরি হল নদিয়ার রানাঘাটের দেবনাথ ইনস্টিটিউশন ফর বয়েজে। ভোটের প্রশিক্ষণ নিতে শুক্রবার সেখানে গেছিলেন পায়রাডাঙার একটি প্রাইমারি সকুলের শিক্ষক সৈকত চট্টোপাধ্যায়। সেখানে জায়ান্ট স্ক্রিনে দেখানো সরকারি বিজ্ঞাপন নিয়ে প্রশ্ন তোলেন আক্রান্ত সেই শিক্ষক। অভিযোগ এরপরই তাঁর ওপর চড়াও হয়, হাঁসখালি বিডিও অফিসের কয়েকজন কর্মী। শুরু হয় বেধড়ক মারধর!

Continues below advertisement