কলকাতা : ১৫২টি আসনে প্রথম দফার ভোট শেষ! এবার হিসেব শুরু। বৃহস্পতিবার ভোট যখন মধ্যগগনে তখনই শুভেন্দু অধিকারী বললেন, ১৫২ আসনের মধ্য়ে 'ন্য়ূনতম ১২৫ টি আসন পাবে বিজেপি'। কুণাল ঘোষ আবার বলছেন, '১৫২টির মধ্য়ে ১৩২ থেকে ১৩৫টি তৃণমূল জিতছে।' এদিন বলাগড়ের সভা থেকে যখন অমিত শাহ বলেন, 'বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতার সঙ্গে বাংলায় বিজেপির সরকার তৈরি হতে চলেছে'। অনুব্রত মণ্ডলের মুখে আবার শোনা গেল, '২৩০'। বললেন, 'বিজেপি ১০০ পেরোবে না'। এদিন নরেন্দ্র মোদি  বলেন, 'অনেক জেলায় তৃণমূলের খাতা পর্যন্ত খুলবে না। আপনারা সিদ্ধান্ত নিয়ে নিয়েছেন ৪ মে শুধু ফলপ্রকাশ হবে না, পরিবর্তন হবে'। আর মমতা বন্দ্য়োপাধ্য়ায় বলছেন, 'তার মানে কি আপনি EVM-এ ফিট করে রেখে দিয়েছেন?... ভোটের বাক্স খুলবেন। আর দেখবেন, বিজেপি জ্বলছে আর লুচির মতো ফুলছে।'                  

Continues below advertisement

এরপর মথুরাপুরের জনসভায় নরেন্দ্র মোদি বললেন, 'সব জায়গা থেকে একটাই আওয়াজ আসছে পাল্টানো দরকার। পশ্চিমবঙ্গে পরিবর্তনের ঝড় চলছে, আজ প্রথম দফার ভোটে যেভাবে পশ্চিমবঙ্গের মহিলা, যুব সম্প্রদায় তৃণমূলের দাঁড়িয়এছে, গোটা দেশ দেখছে, পশ্চিমবঙ্গের রেকর্ড ভোটিং বলে দিচ্ছে, ভয় হারছে, ভরসার জয় নিশ্চিত, ১০ দিন পরে যখন ভোট গণনা হবে আমি নিশ্চিত সব দিকে পদ্মফুল ফুটবে। বিশেষত নতুন ভোটারদের বলব পশ্চিমবঙ্গের নির্মম সরকারকে উপড়ে ফেলার এটাই সঠিক সময়' ।   

 শাসক -বিরোধীর দাবি-পাল্টা দাবি তো চলছেই। কিন্তু রেজাল্টে কী হবে? জানা যাবে ৪ মে।                 

Continues below advertisement

আরও পড়ুন :  প্রথম দফার পর তৃণমূল কোন জায়গায়? কত আসনে এগিয়ে? স্পষ্ট করে মমতা বললেন ...

শুধু ভোটের ফলাফলের ভবিষ্যদ্বাণীই নয়, মথুরাপুরের সভা থেকে 'কাটমানি ও অনুপ্রবেশ' ইস্যু নিয়েও তৃণমূল সরকারের বিরুদ্ধে সরব হন মোদি। বলেন, 'কাউকে জমি বিক্রি করতে হলেও কাটমানি দিতে হয়। ঘর তৈরি করতে গেলেও সিন্ডিকেটের অনুমতি নিতে হয়। ১৫ বছরের এই সিন্ডিকেটে এক্সপেয়ারি ডেট ৪ মে। কাটমানির খেলা চলবে না।'  তিনি আরও বলেন, ' তৃণমূলের প্রশ্রয়ে সমুদ্রপথে পশ্চিমবঙ্গে অনুপ্রবেশ। তৃণমূল চায় অনুপ্রবেশকারীদের যাতে বাধা না দেওয়া হয়। এক তৃণমূল বিধায়ক স্বীকার করেছেন পয়সা নিয়ে বাংলাদেশিদের নাম পশ্চিমবঙ্গের ভোটার লিস্টে তোলা হয়েছে।'