পানিহাটি, উত্তর ২৪ পরগনা : গণনার কয়েক ঘণ্টা আগেই থান আতঙ্ক ! পানিহাটিতে তৃওমূল নেতার বাড়ির সামনে পাওয়া গেল সাদা থান। এই সাদা থানের সঙ্গে তৃণমূল নেতার বাড়ির সামনে পড়েছে হুমকি পোস্টও। পোস্টারে হুমকি দিয়ে লেখা হয়েছে, 'তৃণমূল নেতাগিরির... কালকেই তোর শেষদিন।' পানিহাটির ১৯ নম্বর ওয়ার্ডে এই ঘটনা ঘটেছে। স্বভাবতই চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে এলাকায়। ঘটনাস্থলে পুলিশ গেলে তাদের ঘিরে ধরে বিক্ষোভ দেখানো হয়। বিজেপির বিরুদ্ধে অভিযোগ তৃণমূল নেতা সন্তু দাসের। যদিও অভিযোগ অস্বীকার করেছে বিজেপি। 

Continues below advertisement

গণনাকেন্দ্র কতটা নিরাপদ ? ভোটে কারচুপি রুখতে কীভাবে তৈরি কমিশন ? রইল শেষ মুহূর্তের খুঁটিনাটি 

রাত পোহালেই ভোট গণনা। পশ্চিমবঙ্গের ২৯৩টি বিধানসভা কেন্দ্রে আগামীকাল ৪ মে সোমবার ভোট গণনা। তার আগে পানিহাটির এই ঘটনায় হইচই শুরু হয়েছে। এবারের বিধানসভা নির্বাচনে দ্বিতীয় দফায় অর্থাৎ ২৯ এপ্রিল ভোট হয়েছে পানিহাটিতে। তৃণমূলের হয়ে সেখান থেকে লড়েছেন তীর্থঙ্কর ঘোষ। সিপিএমের প্রার্থী কলতান দাশগুপ্ত। আর বিজেপির হতে ভোটে দাঁড়িয়েছেন আর জি করের নির্যাতিতা অভয়ার মা রত্না দেবনাথ। হেভিওয়েট কেন্দ্রে বিজেপি প্রার্থীর সমর্থনে প্রচারে এসেছিলেন স্বয়ং প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এসেছিলেন প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী স্মৃতি ইরানিও। 

Continues below advertisement

মাঝরাস্তায় হুমায়ুন, বায়রনের 'আমি হারছি', ফলতায় সিঙ্ঘম বনাম পুষ্পা... কেমন কাটল ভোট 

এবার পশ্চিমবঙ্গে বিধানসভা নির্বাচন হয়েছে ২ দফায়। ২৩ এপ্রিল প্রথম দফায় ১৬টি জেলায় ১৫২টি আসনে ভোট গ্রহণ হয়েছিল। আর ২৯ এপ্রিল দ্বিতীয় দফায় ৭ জেলার ১৪২টি আসনে ভোট গ্রহণ হয়েছে। প্রথম দফায় ভোট হয়েছে দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি, কালিম্পং, আলিপুরদুয়ার, কোচবিহার, মালদা, উত্তর ও দক্ষিণ দিনাজপুর, বাঁকুড়া, পুরুলিয়া, ঝাড়গ্রাম, পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর, পশ্চিম বর্ধমান, মুর্শিদাবাদ, বীরভূম - এই ১৬ জেলায়। দ্বিতীয় দফায় ভোট হয়েছে কলকাতা, হাওড়া, হুগলি, নদিয়া, উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা, পূর্ব বর্ধমান - এই ৭ জেলায়। ফলতায় নতুন করে ভোট হবে ২১ মে। ফল ঘোষণা ২৪ মে। 

পরিবর্তন না প্রত্যাবর্তন? রাত পোহালেই মানুষের রায়কাল পশ্চিমবঙ্গে বিধানসভা ভোটের গণনা। ফলতা বাদে কাল রাজ্যের ২৯৩ কেন্দ্রে ভোট গণনা। কেন্দ্রীয় বাহিনীর ঘেরাটোপে গণনাকেন্দ্র। কোথাও দু'মানুষ সমান উঁচু গার্ডরেল, কোথাও অস্থায়ী বাঙ্কার, কোথাও ড্রোনে নজরদারি। গণনাকেন্দ্রের বাইরেও CC ক্যামেরা। সব গণনাকেন্দ্রের সামনে ১৬৩ ধারা, জমায়েতে নিষেধাজ্ঞা। প্রত্যেক কাউন্টিং হলে একজন করে কাউন্টিং অবজার্ভার। গণনাকেন্দ্র গুলিতে ত্রিস্তরীয় নিরাপত্তা বলয়। কেউ ত্রিস্তরীয় নিরাপত্তা বলয় ভেদ করে ঢুকলে, দায় কেন্দ্রীয় বাহিনীর, কড়া বার্তা কমিশনের। গণনা শেষ না হওয়া পর্যন্ত যেতে পারবেন না কাউন্টিং এজেন্ট, লাগবে RO-র অনুমতি। পুলিশের অনুমতি ছাড়া বিজয় মিছিলে 'না'।