কলকাতা : 'সোনার বাংলার জন্য নতুন ভোর', পশ্চিমবঙ্গে গেরুয়া ঝড়, সমাজমাধ্যমে পোস্ট শুভেন্দু অধিকারীর। তিনি আরও লিখেছেন, 'এই ঐতিহাসিক রায় মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর দূরদর্শী নেতৃত্বের প্রতি পশ্চিমবঙ্গের জনগণের রাখা অটল আস্থারই প্রমাণ। অঙ্গ-কলিঙ্গ-বঙ্গ অঞ্চল জুড়ে জাতীয়তাবাদী বিজেপি সরকারের পক্ষে নির্ণায়ক জনরায়ের মাধ্যমেই এখন বিকশিত ভারতের স্বপ্ন বাস্তবায়িত হবে। আমাদের কর্মীরা তাঁদের রক্ত ​​ও ঘাম দিয়ে এই বিজয়কে সিক্ত করেছেন। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর উন্নয়নের প্রতি অবিচল অঙ্গীকার এবং জনগণের পরিবর্তনের আকাঙ্ক্ষাই এটিকে সম্ভব করেছে। ভয়ের পরিবর্তে অগ্রগতিকে বেছে নেওয়ায় আমি পশ্চিমবঙ্গের জনগণকে প্রণাম জানাই। আমরা একসঙ্গে পশ্চিমবঙ্গকে পুনর্গঠন করব।' 

Continues below advertisement

এবারের বিধানসভা ভোটে নন্দীগ্রাম এবং ভবানীপুরে লড়েছেন শুভেন্দু অধিকারী। নন্দীগ্রামে ইতিমধ্যেই ৯ হাজারের বেশি ভোটে জিতেছেন তিনি। ভবানীপুরে এখনও ফল ঘোষণা বাকি। এই কেন্দ্রে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে লড়েছেন শুভেন্দু অধিকারী। শেষ পাওয়া খবর অনুযায়ী ১৬ রাউন্ড গণনার শেষে ৫৫৪ ভোটে এগিয়ে রয়েছেন শুভেন্দু অধিকারী। 

Continues below advertisement

ভবানীপুরে জয়ী শুভেন্দু অধিকারী, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে হারালেন ১৫,১১৪ ভোটে

এবার পশ্চিমবঙ্গে বিধানসভা নির্বাচন হয়েছে ২ দফায়। ২৩ এপ্রিল প্রথম দফায় ১৬টি জেলায় ১৫২টি আসনে ভোট গ্রহণ হয়েছিল। আর ২৯ এপ্রিল দ্বিতীয় দফায় ৭ জেলার ১৪২টি আসনে ভোট গ্রহণ হয়েছে। প্রথম দফায় ভোট হয়েছে দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি, কালিম্পং, আলিপুরদুয়ার, কোচবিহার, মালদা, উত্তর ও দক্ষিণ দিনাজপুর, বাঁকুড়া, পুরুলিয়া, ঝাড়গ্রাম, পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর, পশ্চিম বর্ধমান, মুর্শিদাবাদ, বীরভূম - এই ১৬ জেলায়। দ্বিতীয় দফায় ভোট হয়েছে কলকাতা, হাওড়া, হুগলি, নদিয়া, উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা, পূর্ব বর্ধমান - এই ৭ জেলায়। ফলতায় নতুন করে ভোট হবে ২১ মে। ফল ঘোষণা ২৪ মে। অতএব আজ ৪ মে পশ্চিমবঙ্গের মোট ২৯৩টি বিধানসভা কেন্দ্রের ফল ঘোষণা হচ্ছে। 

গত ১৫ মার্চ ভোট ঘোষণা করে ভারতের নির্বাচন কমিশন (Election Commission Of India)। আর নির্বাচন কমিশনের নির্ঘণ্ট মেনে গত ২৩ এপ্রিল প্রথম দফার নির্বাচন হয় পশ্চিমবঙ্গে। সেই দফায় ১৬ জেলার ১৫২ কেন্দ্রে হয় ভোট গ্রহণ। ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন প্রায় ৩ কোটি ৬১ লক্ষ মানুষ। দ্বিতীয় দফার ভোট গ্রহণ হয় ২৯ এপ্রিল, বুধবার। সেই দফায় নিজেদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন রাজ্যের ৭ জেলার ১৪২ কেন্দ্রের ভোটার।