শান্তিপুর: দ্বিতীয় দফার ভোট (West Bengal Assembly Election 2026) শুরুর আগেই শান্তিপুরে উত্তেজনা। বিজেপির ক্যাম্প অফিস ভেঙে চুরমার করে দেওয়া হয়েছ একেবারে। ভোট শুরু হওয়ার আগেই উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে শান্তিপুরের ১৬ নম্বর ওয়ার্ড। এই ওয়ার্ডের বুথের ১০০ মিটার দূরে বিজেপির ক্য়াম্প অফিস তৈরি করা হয়েছিল। কিন্তু এদিন যখন বিজেপির এজেন্ট ও কর্মীরা এখানে আসেন, তখন এসে দেখেন যে পুরো ক্যাম্প অফিস ভেঙে চুরমার করে দেওয়া হয়েছে। চেয়ার-টেবিল যা যা ছিল সবকিছু ভেঙে দেওয়া হয়েছে। আজ ভোরবেলা এই ঘটনা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। 

Continues below advertisement

আরও পড়ুন: বিজেপি কর্মীর বাড়ি গিয়ে হুমকি, অভিযোগ তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে!

এই ইস্যুতে স্থানীয় বিজেপি কর্মী জানিয়েছেন, 'পুলিশ এসেছিল। আমরা আমাদের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অভিযোগ জানিয়েছি। তাঁরা অভিযোগ জানিয়েছে জায়গামত। এখানে যখন ভাঙচুর করা হয়, তখন তারা জয় বাংলা স্লোগান দিতে দিতে গিয়েছে।' 

Continues below advertisement

ইতিমধ্য়েই পুলিশ কর্মীরা এই এলাকায় এসে পৌঁছেছে। তাঁরা বিজেপি কর্মীদের থেকে যাবতীয় অভিযোগ লিপিবদ্ধ করছে। পুরো ঘটনার জন্য তৃণমূলের দিকেই আঙুল তুলেছে বিজেপি কর্মীরা। ভোটের আগে এই ঘটনায় কিন্তু এলাকায় শোরগোল পড়ে গিয়েছে। আপাতত সেখানে দ্রুত ভোট শুরু হোক, এটাই চাইছেন সেখানকার স্থানীয় মানুষ। 

দ্বিতীয় দফার নির্বাচন শুরুর আগে থেকেই বিজেপি কর্মীদের ওপর আক্রমণের অভিযোগ উঠছে তৃণমূলের দিকে। বিভিন্ন প্রান্ত থেকে তেমনই খবর ভেসে আসছে। নদিয়ার চাপড়ায় বুথে যাওয়ার পথে মাথা ফাটিয়ে দেওয়া হল বিজেপি এজেন্টের। এর জন্য অভিযোগ উঠেছে তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে। আপাতত চাপড়া হাসপাতালে ভর্তি করা হয় আক্রান্ত বিজেপি কর্মী মোশারেফ মিরকে। চাপড়ার বিজেপি প্রার্থী সৈকত সরকারের অভিযোগ, আজ সকাল ৬টা নাগাদ, ৫৩ নম্বর বুথে যাওয়ার পথে বিজেপির এজেন্টের ওপরে চড়াও হয় তৃণমূলের কর্মী-সমর্থকেরা। মাথা ফাটিয়ে দেওয়া হয় তাঁর। ইতিমধ্যেই এই ঘটনায় চাপড়া থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। যদিও মারধরের অভিযোগ অস্বীকার করেছে তৃণমূল।

এদিকে, হাইভোল্টেজ বিধানসভা কেন্দ্র ভবানীপুরে স্বয়ং মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভাই কার্তিক বন্দ্যোপাধ্যায়কে পুলিশের হুঁশিয়ারি সকাল সকাল। ভবানীপুরে নির্দিষ্ট সংখ্যার বাইরে জমায়েত। কার্তিক বন্দ্যোপাধ্যায়কে সতর্ক করল পুলিশ। ৪ জনের বেশি জমায়েতে 'না' পুলিশের। ছুটির মেজাজে গল্প করছিলাম, পুলিশের যে কী অসুবিধা হল কে জানে? মন্তব্য করেছেন কার্তিক বন্দ্যোপাধ্যায়।