কলকাতা: বিধাননগর কলেজের স্ট্রংরুমে জোরদার নিরাপত্তা। এখানেই রয়েছে রাজ্যের ৩ বিধানসভার ইভিএম। রাজারহাট - নিউটাউন, বিধাননগর ও রাজারহাট - গোপালপুর বিধানসভার ইভিএম রয়েছে এখানে। আর সেখানে বন্দি হয়ে রয়েছে এই ৩ বিধানসভার প্রার্থীদের ভবিষ্যতও।
আরও পড়ুন: গুড়-বাতাসা খেয়ে 'ভোট পাহারা' ! পাচন তৈরি ৪ তারিখের জন্য
একইভাবে স্ট্রংরুম তৈরি করা হয়েছে ক্ষুদিরাম অনুশীলন কেন্দ্রেও। সেখানেও দেখা গেল আঁটোসাঁটো নিরাপত্তার ছবি। সেখানে রয়েছে মোট ৭ টি বিধানসভা কেন্দ্রের ইভিএম। সেখানে রয়েছে ত্রিস্তরীয় নিরাপত্তা বলয়ও। প্রথম ধাপে রয়েছেন কেন্দ্রীয় বাহিনীর নিরাপত্তা। তারপোরের ধাপে রয়েছে রাজ্য ও কলকাতা পুলিশের সশস্ত্র বাহিনী। তারপর গেটের সামনে রয়েছে আরও ২ জন সশস্ত্র পুলিশ কর্মী। এ ছাড়াও বাইরে রয়েছে সিসিটিভির মনিটর।
সেই সিসিটিভির মনিটর দিয়ে স্ট্রংরুমের মধ্যে থাকা সব সিসিটিভি ক্যামেরার ভিডিও দেখা যাচ্ছে। কাশীপুর - বেলগাছিয়া, শ্যামপুকুর, জোড়াসাঁকো, বেলেঘাটা, মানিকতলা, চৌরঙ্গী ও এন্টালি বিধানসভার ইভিএম রয়েছে এখানে। আর সেই সিসিটিভি মনিটরের সামনে একাধিক রাজনৈতিক দলের কর্মীরা বসে রয়েছেন। তাঁরাই নজর রাখছেন এই মনিটরে।
আরও পড়ুন: 'ওগুলো তো টেরর এলাকা, ওখানে খোকাবাবু জেতে ৭-৮ লক্ষ ভোটে, লুঠপাট করেই জেতে' কাকে নিশানা অধীরের?
গণনাকেন্দ্রের নিরাপত্তা জোরদার করতে এবার QR কোডভিত্তিক পরিচয়পত্রর ব্যবস্থা করেছে নির্বাচন কমিশন (Election Commission Of India)। অচেনা কোনও ব্যক্তি যাতে প্রবেশ করতে না পারে, সেই ব্যবস্থা করতেই এই QR কোড ভিত্তিক ফটো আইডেন্টিটি কার্ডের ব্যবস্থা করেছে নির্বাচন কমিশন (Election Commission Of India), খবর সূত্রে। 'ECINET অ্যাপেও QR কোড ভিত্তিক ফটো আইডেন্টিটি কার্ড মডিউল চালু করেছে নির্বাচন কমিশন (Election Commission Of India)। জানা গিয়েছে, যাঁরা গণনাকেন্দ্রে প্রবেশের অনুমতি পাবেন, তাঁরাই QR কোডভিত্তিক পরিচয়পত্রও পাবেন। এর মধ্যে রয়েছেন রিটার্নিং অফিসার, অ্যাসিস্ট্যান্ট রিটার্নিং অফিসার ও গণনা কর্মীরা। এ ছাড়াও এর মধ্যে রয়েছেন, প্রযুক্তিগত কর্মী, প্রার্থী, নির্বাচনী এজেন্ট ও কাউন্টিং এজেন্টরাও। অবশ্য নির্বাচন কমিশন (Election Commission Of India) জানিয়েছে এমন QR কোড ভিত্তিক ফটো আইডেন্টিটি কার্ড আগেও চালু হয়েছিল BLO-দের জন্য।
এ ছাড়াও কাউন্টিং সেন্টারে পরিচয় যাচাইয়ে ত্রি-স্তরীয় নিরাপত্তার ব্যবস্থাও করেছে কমিশন, খবর সূত্রের। প্রথম ও দ্বিতীয় স্তরে RO বা রিটার্নিং অফিসারদের দেওয়া সচিত্র পরিচয়পত্র ম্যানুয়ালি যাচাই করা হবে। তার পরের ধাপ অর্থাৎ তৃতীয় ধাপে শুধুমাত্র QR কোড স্ক্যানিংয়ের পরই প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হবে। গণনাকেন্দ্রের নিরাপত্তা নিশ্ছিদ্র করতেই ত্রিস্তরীয় ব্যবস্থা, খবর কমিশন সূত্রে।
