উত্তর ২৪ পরগনা: কাল ভোট গণনা। আর তারে আগে ভোট গণনার ২৪ ঘণ্টা আগে গুলি চলার অভিযোগ উঠল নোয়াপাড়ায়। সিসি ক্য়ামেরার ফুটেজ সামনে এনে অর্জুন সিংয়ের অভিযোগ, বিজেপি নেতা কুন্দন সিংয়ের বাড়ি লক্ষ্য় করে গুলি চালানো হয়েছে। ঘটনায় তৃণাঙকুর ভট্টাচার্য ও সোমনাথ শ্য়ামের বিরুদ্ধে ইন্ধনের অভিযোগ তুলেছেন অর্জুন সিং। পাল্টা অভিযোগ অস্বীকার করেছে তৃণমূল। গ্রেফতার হয়েছেন ২জন।

Continues below advertisement

অর্জুন সিংহের দাবি নস্যাৎ করে নোয়াপাড়ার তৃণমূল প্রার্থী জানিয়েছেন, 'যাঁরা ধরা পড়েছে, তাঁরা সবাই কুন্দনের লোক। ওরা ধরার পর বলেওছে যে কুন্দনের লোকই তারা। ওখানে গিয়ে নাটক করেছে। ওই ঘটনার আগে আমাদের তৃণমূল কংগ্রেসের কর্মী সঞ্জয়ের বাড়িতে গিয়ে আক্রমণ করে ও মারধর করে। আর তা ঢাকার জন্য কুন্দনের বাড়ি গিয়ে নাটকবাজির চেষ্টা করে। অর্জুন সিংহের গুণ্ডামির কাছে তো আমরা বাচ্চাই। আমরা বাচ্চাই থাকতে চাই। আমার ক্রিমিনাল পলিটিক্স আমরা কখনও করিনি, আর অর্জুন সিংহের মত করবও না। নোয়াপাড়ার মানুষ তা চায়ও না।'

Continues below advertisement

অর্জুন সিংয়ের দেওয়া সিসি ক্য়ামেরার ফুটেজে একটি বাড়ির সামনে দেখা যাচ্ছে তিন ব্য়ক্তিকে। এরপরই দেখা যাচ্ছে, একটি মোটরবাইকে চেপে ২জন সেখানে আসতেই, ছিটকে বাড়ির ভিতর ঢুকে গেলেন এক যুবক। তাঁকে তাক করে গেট পর্যন্ত ছুটে গেলেন মোটরবাইকে আসা এক আরোহী। এই ঘটনার কিছুক্ষণ পর ফের কোমরের পিছন থেকে বন্দুক বের করে  অন্য় এক ব্য়ক্তির দিকে তাক করতে দেখা যাচ্ছে তাকে।

যে দুজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে, তারা হলেন আকাশ চৌধুরী ও আমন চৌধুরী। তারা দুজনে বাইকে এসেছিল। আমন চৌধুরী গুলি চালিয়েছিল বলে জানা গিয়েছে। কল্যাণী এক্সপ্রেসওয়ের বাসুদেব থানার অন্তর্গত পেট্রোল পাম্পের কাছ থেকে এই দুজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। নোয়াপাড়া থানার পুলিশ দুজনকে গ্রেফতার করেছে। যে আগ্নেয়াস্ত্র ব্যবহার করা হয়েছিল, সেটিও উদ্ধার করা হয়েছে। কুন্দন সিংহ বলছেন, '২টো ছেলে কালো বাইকে করে আসল। গাড়ি থেকে নেমেই, না কোনও কথা বলেই আগে মেশিন বের করে গুলি চালানো শুরু করে দিয়েছে। ব্ল্য়াঙ্ক ফায়ার। এরা সব তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতী।'

এদিকে, ভোট গণনার আগের দিন মন্দিরে মন্দিরে পুজো দিলেন নোয়াপাড়ার বিজেপি প্রার্থী অর্জুন সিংহ। সম্ভাব্য ফলাফল নিয়ে প্রশ্ন করলে অর্জুন বলেন, "বিজেপি সরকার গড়েই ফেলেছে। খালি কাগজে কলমে বাকি।"