হিন্দোল দে, দক্ষিণ ২৪ পরগনা: বাসন্তীতে বিজেপির প্রচার চলাকালীন সংঘর্ষের অভিযোগ। ভাইরাল ভিডিও-তে লাঠি বাঁশ দিয়ে রাস্তায় ফেলে মারতে দেখা গিয়েছে। বাসন্তীতে বিজেপির প্রচারে পুলিশি বাধার অভিযোগ। অশান্তি চলছে, তাই প্রচার করা যাবে না, জানিয়েছে পুলিশ, দাবি বাসন্তীর বিজেপি প্রার্থী বিকাশ সর্দারের। বাসন্তীতে বিজেপির প্রচার করার সময় মোবাইলে রেকর্ডিং করার চেষ্টা তৃণমূল কর্মীর। বাধা দিলে তৃণমূল-বিজেপি সংঘর্ষ। হামলা, পাল্টা হামলার অভিযোগ। রাস্তা আটকে বিক্ষোভ তৃণমূলের। তৃণমূলের বিরুদ্ধে পুলিশের ওপর হামলার অভিযোগ। ৭-৮ জন পুলিশকর্মীকে মারধরের অভিযোগ। আটক বেশ কয়েকজন। কেন কেন্দ্রীয় বাহিনীকে ব্যবহার করা হল না ? ফের প্রশ্নে পুলিশের ভূমিকা।
রণক্ষেত্র বাসন্তী, ঘড়ির কাঁটায় বেলা ১ টা, বিজেপি প্রার্থী দলীয় কর্মীদের নিয়ে বাসন্তী এলাকার বাজারে প্রচার করছিল। সেই সময় তৃণমূল কংগ্রেসের একজন কপি, সেগুলি ক্যামেরা বন্দি করতে যায়, তখন বিজেপির তরফ থেকে তা বাধা দেওয়া হয়। এবং এই বাধা দেওয়ার পরেই, রীতিমত রণক্ষেত্রের চেহারা নেয় গোটা এলাকা।
কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ান সঞ্জীব গোলদার বলেন, দেখলাম বাইক ভাঙচুর করছে। ঠেকাতে গেলাম। হঠাৎ দেখি পিছন দিক থেকে বাঁশের বাড়ি মাথায়। পড়ে গেলাম, উঠতে পারিনি। ইট দিয়ে ছুড়ে মারল। তারপর লোহা মতো কিছু একটা মনে হল, কী দিয়ে মারল বুঝতে পারলাম না। বাসন্তী থানার পুলিশ কর্মী অমিত বিশ্বাস বলেন, উল্টে পিছন দিক থেকে আমাদের বাঁশ দিয়ে বাড়ি মারল। তারপরে দেখে মনে হল সম্ভবত একটা আগ্নেয়াস্ত্র দেখলাম সম্ভবত আগ্নেয়াস্ত্র দিয়ে ঘা মারল। মারার পর আমরা ছুটছিলাম। তবুও পিছন দিক থেকে মারছে। বাসন্তী থানা SI সৌরভ গুহ বলেন, আমি যদি মার না খেতাম, তাহলে ৩ জন মরে যেত।
বাসন্তী বিধানসভার মানুষদের আতঙ্কিত করে তুলছে। আমরা জাতীয় নির্বাচন কমিশনকে বলতে চাই এই মুহূর্তে বাসন্তী বিধানসভায় পুলিশ-প্রশাসন-BDO অফিসার যারা আছেন তারা তৃণমূল কংগ্রেস নেতাদের কাছে বিক্রি হয়ে গেছে। কোনও ঝামেলা নয়। আমরা কর্মসূচি করছি। হঠাৎ IC বললেন এখানে কর্মসূচি করা যাবে না আইনশৃঙ্খলা ভঙ্গ হয়েছে। কারা করেছে? ওখানে কিছু মুসলিম তৃণমূলের ছেলেরা পথ অবরোধ করে গাড়ি ভাঙচুর করছে। মিথ্যা নাটক রচনা করে, নিজেরা নিজেরা মারামারি, গন্ডগোল ঘটিয়ে, বিজেপির উপর একটা প্রভাব খাটিয়ে আতঙ্কের জায়গা তৈরি করছে।
