মনোজ বন্দ্যোপাধ্যায়, পশ্চিম বর্ধমান: দুর্গাপুরে সরকারি দেওয়ালে প্রচার, মুছতে গিয়ে আক্রান্ত ২ কমিশনের কর্মী। SDO দফতরে কর্মরত ২ সিভিল ডিফেন্স ভলান্টিয়ারকে মারধরের অভিযোগ। গাড়ি থেকে নামিয়ে কমিশনের ২ কর্মীকে মারধরের অভিযোগ। মারধরের অভিযোগ অস্বীকার তৃণমূলের।                                                            

ঠিক কী ঘটেছে? 

দুর্গাপুর পশ্চিম বিধানসভার অন্তর্গত দুর্গাপুর পুরসভার ৩০ নম্বর ওয়ার্ডে এই ঘটনাটি ঘটে। সেখানে পোস্ট অফিসের দেওয়ালে তৃণমূলের তরফে দেওয়াল লিখন করা হয়। সেই অভিযোগ পেয়েই সেখানে যান নির্বাচন কমিশনের কাজ করা দুই কর্মী। কোনও সরকারি দেওয়ালে পোস্টার বা দেওয়াল লিখন থাকলে সেগুলি মুছে দেওয়ায়র তদারকি করে থাকে নির্বাচন বিধি অনুযায়ী।

সূত্রের খবর, এই কাজ করার সময় তৃণমূলের কর্মী সমর্থকরা এসে বাধা দেন। ধাক্কাধাক্কি করে, এমনকী মারধরও করে বলে অভিযোগ। সেখানে চলে আসে বিজেপি কর্মীরা। তাদের সঙ্গেও তৃণমূল কর্মী সমর্থকদের বচসা শুরু হয়ে। দু-পক্ষের স্লোগান প্লাটা স্লোগানে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে গোটা এলাকা। এরপর পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে সেখানে পৌঁছয় কেন্দ্রীয় বাহিনী ও পুলিশ। এই গোটা ঘটনাটি নির্বাচন কমিশনে জানাবে ওই দুই কর্মী। যে বা যারা এই ঘটনার সঙ্গে যুক্ত তাঁদের অবিলম্বে গ্রেফতার করার দাবিও জানাবে তাঁরা, এমনটাই জানা গিয়েছে।                          

আক্রান্ত সিভিল ডিফেন্সের ভলান্টিয়ার বিট্টু গুপ্ত বলেন, 'আমরা দেওয়াল লেখার পর গাড়িতে উঠি। ওঠার পর তৃণমূল গাড়ি থেকে টেনে এনে মারধর করতে থাকে।' যদিও এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে তৃণমূল।                                               

ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকার রাজনৈতিক চাপানউতোর শুরু হয়েছে । যদিও নির্বাচন কমিশন বা স্থানীয় প্রশাসনের তরফে এখনও পর্যন্ত কোনও সরকারি প্রতিক্রিয়া মেলেনি । পর্যবেক্ষকদের মতে, ভোটের দিন যত এগিয়ে আসছে, ততই বাড়ছে রাজনৈতিক সংঘাতের আশঙ্কা ।