কলকাতা: রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচন (WB Election) শেষ হল। দু'দফায় হল ভোটগ্রহণ। প্রথম দফার মতোই দ্বিতীয় দফাতেও রেকর্ড ভোটদান হয়েছে। কলকাতা-সব দ্বিতীয় দফার সব জেলাতে এখনও ভোটগ্রহণ চলছে বলে খবর।

Continues below advertisement

তার মাঝেই প্রবল কৌতূহল তৈরি হয়েছে, রাজ্যের মসনদে কোন দলকে দেখা যাবে তা নিয়ে। তৃণমূল কংগ্রেসই কি চতুর্থবারের জন্য ক্ষমতায় আসবে? নাকি রাজ্যে ফের পালাবদল হচ্ছে? দেখা যাবে গেরুয়া ঝড়? বামফ্রন্ট, কংগ্রেস কিংবা আইএসএফের মতো দলই বা কীরকম ফল করবে?

বাংলার ময়নদে কারা, তা নিয়ে বুথফেরত সমীক্ষা চালিয়েছে বেশ কয়েকটি সংস্থা। সেরকমই একটি সংস্থা পোল ডায়েরি। পোল ডায়েরির exit poll বলছে, কোন দল সম্ভাব্য় কতগুলি আসন পেতে পারে। তাদের ইঙ্গিত, বিজেপি - ১৪২-১৭১টি আসন পেতে পারে।তৃণমূল কংগ্রেস পেতে পারে ৯৯-১২৭টি আসন। কংগ্রেস পেতে পারে ৩-৫টি আসন। সিপিএম শূন্য থেকে ঘুরে দাঁড়াবে বলেই ইঙ্গিত পোল ডায়েরির সমীক্ষায়। বলা হয়েছে, ২-৩টি আসন পেতে পারে লাল শিবির। অন্য়ান্য়রা পেতে পারে ০-১টি আসন।

Continues below advertisement

সম্ভাব্য় ভোট শতাংশরও পূর্বাভাস করেছে পোল ডায়েরি। তাদের সমীক্ষায় দেখা গিয়েছে, বিজেপি পেতে পারে ৪৬% ভোট। তৃণমূল পেতে পারে ৪০% ভোট। কংগ্রেস পেতে পারে ৫% ভোট। সিপিএম পেতে পারে ৭% ভোট। অন্য়ান্য়রা পেতে পারে ২% ভোট।

আরও পড়ুন: এসব আমাকে জিজ্ঞেস করবেন না... স্ত্রী ডোনাকে নিয়ে ভোট দিয়ে বেরিয়ে কী বললেন সৌরভ?

Disclaimer: রাজ্যে দু’দফায় বিধানসভা নির্বাচন হয়ে গেল। জনতা জনার্দন কী রায় দিয়েছে? পরিবর্তন নাকি প্রত্যাবর্তন, কী ভাবছেন ভোটাররা? সেই সব উত্তর আর প্রার্থীদের ভাগ্য এখন EVM বন্দি। তবে, তা নিয়ে বুথ ফেরত সমীক্ষা করেছে দেশের বিভিন্ন মিডিয়া। সেই দুহাজার পাঁচ সাল থেকে এবিপি আনন্দে প্রতিটি নির্বাচনে ওপিনিয়ন পোল বা এক্সিট পোল আপনাদের সামনে তুলে ধরা হচ্ছে। তার মধ্যে কিছু মিলেছে, আবার কিছু মেলেনি। মেনে নিতে এতটুকুও দ্বিধা নেই যে, এইসব সমীক্ষার accuracy কিন্তু ক্রমশ কমছে। এর কারণ, শুধুমাত্র সমীক্ষার Sample Size ছোট হওয়া নয়, ইদানিং এর বড় কারণ চ্যাটবট বা বিভিন্ন AI সফটওয়্যারের ব্যবহার। Field-Survey যত কমবে, মোবাইল বা AI সফটওয়্যারের ব্যবহার যত বাড়বে, বাস্তবের সঙ্গে সমীক্ষার ফারাক তত বাড়বে। তবুও, প্রতিষ্ঠিত সমীক্ষক সংস্থাগুলো বাংলার ভোট নিয়ে যে-সব সমীক্ষা করবে, তাদের সবার সমীক্ষাই আমরা তুলে ধরব। কিন্তু এই সমীক্ষার সঙ্গে আমাদের জার্নালিস্টিক জাজমেন্ট বা এডিটোরিয়াল পলিসির কোনও সম্পর্ক নেই। সমীক্ষক সংস্থার দেওয়া সংখ্যাগুলো হুবহু আপনাদের সামনে তুলে ধরা হচ্ছে মাত্র। আরও স্পষ্ট করে জানানো হচ্ছে, এবিপি আনন্দ নিজস্ব কোনও সমীক্ষা করেনি। রাজ্যের মসনদে কে, তা জানা যাবে একমাত্র ৪ মে-ই।