কলকাতা : CEO দফতরের সামনে তুলকালাম পরিস্থিতি। দফায় দফায় 'FORM 6' সংঘাতকে কেন্দ্র করে চরম উত্তেজনা। CEO দফতরে ব্যাগ ভর্তি ফর্ম ৬ জমার অভিযোগে উত্তেজনা ছড়ায় এদিন। পার্কিংয়ে রাখা একের পর এক বাইক ফেলে তাণ্ডব চালাচ্ছে বিক্ষুব্ধরা। তৃণমূল ও বিজেপি সমর্থকদের বিক্ষোভকে কেন্দ্র করে মারমুখী পরিস্থিতি তৈরি হয়।

Continues below advertisement

CEO দফতরের সামনে একদিকে তৃণমূল কংগ্রেসের কর্মী-সমর্থকরা। অন্যদিকে, বিজেপি কর্মী-সমর্থকরা। মাঝে, পুলিশ ও কেন্দ্রীয়বাহিনীর জওয়ানরা। দুপুর পৌনে ২টো থেকে দফায় দফায় উত্তেজনা শুরু হয়। বারংবার ভেতরে ঢোকার চেষ্টা করেন বিক্ষুব্ধরা। ঘটনার জেরে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ায় ডিসি সেন্ট্রাল নিজে এসেছেন। ব্যারিকেড করে রাখা হয়েছে সংশ্লিষ্ট এলাকা। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠায় ঘটনাস্থলে কেন্দ্রীয়বাহিনীর সংখ্যাও বাড়ানো হয় দ্রুততার সঙ্গে। বিজেপি কর্মী-সমর্থকদের সেখান থেকে ধাওয়া করে সরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করে পুলিশ। মাইকিং করে ঘটনাস্থল থেকে সরে যেতে বলা হয় বিক্ষুব্ধদের। তৃণমূল কংগ্রেসের কর্মী-সমর্থকদেরও সেখান থেকে সরে যেতে বলে পুলিশ।

Form 6-এ কারচুপি করে ভিনরাজ্যের ভোটারদের ঢোকানো হচ্ছে। বিজেপি ও নির্বাচন কমিশনকে এক নিশানায় রেখে গতকাল আক্রমণ শানান অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তোলেন ফুটেজ প্রকাশের দাবিও। হারবে বুঝে এসব কথা বলছে বলে পাল্টা কটাক্ষ করে বিজেপি। 

Continues below advertisement

আর কিছুদিন বাদেই ভোট। তার মধ্য়ে তৃণমূল-বিজেপির বাগযুদ্ধ চরমে । বিজেপি যখন মমতা বন্দ্য়োপাধ্য়ায়ের বিরুদ্ধে দিল্লিতে নির্বাচন কমিশনে নালিশ জানাচ্ছে...তখন কলকাতায় মুখ্য় নির্বাচনী আধিকারিকের অফিসে সটান গিয়ে বিস্ফোরক অভিযোগ করন অভিষেক বন্দ্য়োপাধ্য়ায়। 

তিনি বলেন, "আমাদের কাছে সুনির্দিষ্ট তথ্য রয়েছে যে আজকে (সোমবার) ৬-৭ ঘণ্টায় ৩০ হাজার Form 6 অবৈধভাবে যাঁরা বাংলার ভোটার নন, যাঁদের বিহার, UP-র (উত্তরপ্রদেশের) ভোটার লিস্টে নাম রয়েছে, যেমন নোয়াপাড়ায় স্পেসিফিক আমার কাছে খবর রয়েছে যে ৬৫০-৭০০ Form 6 জমা পড়েছে। ব্যারাকপুরে জমা পড়েছে। এদিকে পূর্ব মেদিনীপুরের এগরায় Form 6 জমা পড়েছে। নর্থ কলকাতার ৩টে বিধানসভা কেন্দ্রে জোড়াসাঁকো, শ্যামপুকুর, চৌরঙ্গি... Form 6 জমা পড়েছে। সব মিলিয়ে প্রায় ৩০ হাজার Form 6 জমা পড়েছে।" সোমবারই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে দিল্লিতে নির্বাচন কমিশনে নালিশ জানায় বিজেপি। ভোটারদের ভয় দেখানোর অভিযোগে প্রচারে নিষেধাজ্ঞার দাবি তোলে তারা। পাল্টা নির্বাচন কমিশনে গিয়ে বিজেপি ও নির্বাচন কমিশনকে এক নিশানায় রেখে আক্রমণ শানান অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।