রণজিৎ হালদার, ক্যানিং: ভোটের আগেই ক্যানিং পূর্বের বিদায়ী বিধায়ক সওকত মোল্লাকে (Saukat Molla) এবার ভাঙড় থেকে প্রার্থী করেছে তৃণমূল (TMC)। ভাঙড়ের প্রাক্তন বিধায়ক আরাবুল ইসলামকে (Arabul Islam) ক্যানিং পূর্ব থেকে টিকিট দিয়েছেন আইএসএফ -এর নওশাদ সিদ্দিকি (Naushad Siddiqui)। আর এরপর থেকেই দুই নেতার বাগযুদ্ধ সপ্তমে।

Continues below advertisement

ক্যানিং পূর্বের বিদায়ী বিধায়ক সওকত মোল্লার ডেরা জীবনতলা থেকে এবার আইএসএফে যোগদান বেশ কিছু নেতার, এমনটাই দাবি আরাবুলের। 

ক্যানিং পূর্বের আইএসএফ প্রার্থী আরাবুল ইসলামের হাত ধরে যোগদান করানো হয়। সওকত মোল্লার ঘনিষ্ঠ হিসাবে পরিচিত এবং ক্যানিং ২ ব্লকের পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি সোয়েব শেখের পরিবারের সদস্যরা তৃণমূল ছেড়ে আইএসএফে যোগ দেয় বলে খবর। এদিকে এরপরই আরাবুলের বিদ্রুপ 'মোল্লা দেখ কেমন লাগে। জীবনতলায় এঁরা একসময় সব তৃণমূলের ডন ছিল। এখন এঁরা সব মানুষের পাশে দাঁড়ায়। কাজ করে।'  যদিও সওকত মোল্লার দাবি, যারা যোগ দিয়েছে তাঁরা দলের কেউ না।

Continues below advertisement

আরাবুলের আইএসএফ যোগ

ফুরফুরা শরিফে গিয়ে আনুষ্ঠানিক ভাবে আইএসএফে যোগ দেন আরাবুল। হাতে তুলে নেন দলীয় পতাকা। তার আগে ক্ষোভ উগরে দেন ভাঙড়ের তৃণমূল প্রার্থী সওকত মোল্লার বিরুদ্ধে। আরাবুলের যোগদানের পরে আইএসএফ নেতা নওশাদ সিদ্দিকি জানান, আরাবুলকে মূলস্রোতে ফিরতে একটি মঞ্চ দিচ্ছে তাঁর দল। আরাবুলও সেই সময় জানিয়ে দেন, নতুন দলে গিয়ে আইএসএফ নেতা আব্বাস সিদ্দিকি এবং নওশাদের কথা মেনে চলবেন তিনি।                            

সওকতকে এর আগেও নিশানা করেছিলেন আরাবুল। তিনি বলেছিলেন, 'যত ভোট এগোবে, তত শওকত এ সব ঘটাবে, তত মানুষের প্রাণ যাবে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে বলব, কারা বোম বাঁধছে? পুলিশ কী করছে? তরুণ তাজা ছেলেদের জীবন যাচ্ছে। ভাঙড়ের কত মানুষের রক্ত নিলে সওকত শান্তি পাবে। ভাষা খুঁজে পাচ্ছি না।'  

এদিকে, এর আগে আরাবুলের প্রচারকে কটাক্ষ করে সওকত মোল্লার দাবি, “এখানে কোনওদিন বিরোধীদের প্রচারে বাধা দেওয়া হয়নি।” পাশাপাশি তাঁর মন্তব্য, “চোর-ডাকাত, খুনিদের নিয়েই মিছিল করছেন আরাবুল ইসলাম। নির্বাচন যত এগোচ্ছে, ততই ক্যানিং পূর্বে তরজা তীব্র হচ্ছে বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল।