কলকাতা: হাইভোল্টেজ বিধানসভা নির্বাচনে (Assembly Election) বেনজির ভোট। অশান্তিতে দাঁড়ি টেনে, নির্বিঘ্নে ভোট করিয়ে দেখিয়ে দিল নির্বাচন কমিশন। উৎসবের মেজাজে ভোট দিল সাধারণ মানুষ। ফের একবার উপচে পড়ল ভোট। এই প্রতিবেদন প্রকাশের সময় নির্বাচন কমিশনের ওয়েবসাইটের তথ্য অনুযায়ী এখনও ৯২ শতাংশ ভোট পড়েছে বিধানসভা নির্বাচনের শেষ দফায়। তৈরি হল নতুন রেকর্ড।

Continues below advertisement

এদিন সাংবাদিক সম্মেলনে নির্বাচন কমিশনের তরফে বলা হয়, 'কলকাতায় যত ভোট পড়েছে তা ঐতিহাসিক। যে বুথে আমি ভোট দিতে গিয়েছি সেখানের বিএলও বললেন যে আমি ১২ বছর ধরে এই কাজ করছি। কোনও দিন এই বুথে ৫০ শতাংশের থেকে বেশি ভোট হয়নি। আজ ৮০ শতাংশ ভোট পেরিয়ে গেছে। আমি নিজে আলিপুরে বেশ কয়েকটি বুথে গিয়েছি সেখানে ৯৫ শতাংশ ভোট হয়েছে।'

CEO মনোজ আগরওয়াল বলেন, 'আমার কাছে এও আবেদন এসেছে যেখানে বলা হচ্ছে যে ছেলে মেয়েরা বিদেশে থাকে ওরা আমাদের অথরাইজ করছে। আপনি আমাদের ওদের হয়ে ভোট দেওয়ার অনুমতি দিন। আমি বলেছি এরকম হয় না আইনত করা যায় না। অর্থাৎ বিদেশে থেকেও এই দেশে ভোট দিতে চাইছেন সকলে। এমনকী যারা ভোট দিত না এবার তাঁরাও এগিয়ে এসে ভোট দিয়েছেন। নির্বাচন কমিশনের প্রচারেই এটা সম্ভব। আমরা বলেছিল ভোটকে উৎসব হিসেবেই ধরুন। পুজো প্যান্ডেলে যেমন যান তেমন ভোটকেন্দ্রে গিয়ে নিজের ভোটাধিকার প্রয়োগ করে আসুন। সরকার গড়বেন আপনারা।' 

Continues below advertisement

আরও পড়ুন, সংখ্যাগরিষ্ঠ ভোট পেতে পারে BJP ? নাকি ফের নিজের ফর্মেই ফিরতে চলেছে তৃণমূল ? বড় চমক এগজিট পোলে !

এর আগে পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনে ভোটদানের সর্বোচ্চ হার ছিল ২০১১ সালে। ‘পরিবর্তনের’ সেই বিধানসভা নির্বাচনে ভোট পড়েছিল ৮৪.৪৬ শতাংশ। ভেঙে পড়ে গেছিল ৩৪ বছরের বাম শাসন! ক্ষমতায় এসেছিলেন মমতা বন্দোপাধ্যায়। এখনও সিপিএম শূন্যের গেরো কাটাতে পারেনি আর পরিবর্তনের সেই বিধানসভা ভোটের চেয়েও অনেক বেশি ভোট পড়ল এবার। ভোট শেষ হওয়ার অনেক আগেই ছাপিয়ে গেল ২০১১ সালের ভোটের রেকর্ড। দু হাত খুলে ভোট দিলেন সাধারণ মানুষ।

আর তাই প্রশ্ন এখন একটাই এবারের ভোটে খড় কুটোর মতো উড়ে যাবে কোন দল? এবারের ভোটে কাদের করুণ রাজনৈতিক পরিণতি ঘটতে চলেছে? কে বসতে চলেছে সিংহাসনে?