শিবাশিস মৌলিক, কলকাতা : ভোট ঘোষণার পর প্রথম রাজ্য়ে আসছেন প্রধানমন্ত্রী। উত্তরবঙ্গ থেকে বিজেপি প্রার্থীদের সমর্থনে প্রচার শুরু। আজ কোচবিহার রাসমেলা ময়দানে 'বিজয় সংকল্প সভা'। বিজয় সংকল্প সভায় যোগ দেবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, সোশাল মিডিয়ায় পোস্ট পশ্চিমবঙ্গ বিজেপির।
এদিন দুপুর ২ টা নাগাদ সামরিক বিমানবন্দরে নামার কথা প্রধানমন্ত্রীর। এবং সেখান থেকে হেলিকপ্টারে কোচবিহার শহরের দিকে পাড়ি দেবেন। কোচবিহারে যে স্থায়ী হেলিপ্যাড রয়েছে, সেখানে নামবেন নরেন্দ্র মোদি। এবং তারপর তিনি গাড়ি করে আসবে কোচবিহার রাসমেলার মাঠে। উল্লেখ্য, ২০২৫-এ ৫ বার পশ্চিমবঙ্গে এসেছেন প্রধানমন্ত্রী। চলতি বছর জানুয়ারিতে মালদা ও সিঙ্গুরে সভা করেছেন। সম্প্রতি কলকাতায় ব্রিগেডে সভা করেন নরেন্দ্র মোদি। সেখান থেকে ঢিল ছোড়া দূরত্বে, ধর্মতলায় মঞ্চ বেঁধে ধর্নায় বসেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী।
বিজেপি প্রাক্তন রাজ্য় সভাপতি দিলীপ ঘোষ বলেন, পশ্চিমবাংলার মানুষ তো এবার সরকার পরিবর্তন করবেই। সেটা আমাদের দিদিমণি বুঝতে পেরেছেন কলকাতায় বসে। তাই সব ছেড়েছুড়ে দিয়ে ধর্নায় বসেছেন। কারণ মে মাসের পর থেকে আবার ধর্নাই শুরু করতে হবে ওঁকে। ২০২১-এর বিধানসভা ভোটের আগেও মার্চ মাসে ব্রিগেডে সভা করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী। সেবার ২০০ আসন জয়ের টার্গেট নিলেও ৭৭-এই থামতে হয়েছিল বিজেপিকে। এবার কী হবে? সেদিকেই নজর সকলের।
ইতিমধ্যেই প্রকাশিত হয়েছে দশম সাপ্লিমেন্টারি ভোটার তালিকা। সম্প্রতি অনুপ্রবেশকারী ইস্যুতে ফের সুর চড়ালেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এই আবহে অনুপ্রবেশকারী ইস্যুতে আক্রমণের সুর সপ্তমে চড়ালেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। শনিবার রেডরোডে ইদের মঞ্চ থেকে খোদ প্রধানমন্ত্রীকেই সবচেয়ে বড় অনুপ্রবেশকারী বলে কটাক্ষ করলেন তিনি। মমতা বলেন,' আমাদের অধিকার আমরা মোদিজিকে নিতে দেব না। আপনি তো সৌদি আরবে গিয়ে হাত মেলান। মেলান না। দুবাই ভারতের বন্ধু। আপনি যখন ওখানে গিয়ে গলা মেলান, তখন আপনার মনে হয় না যে, হিন্দু না মুসলিম। কিন্তু যখন আপনি ভারতে আসেন, আপনি সেইসব ভুলে যান। আপনি বলেন, এর নাম কেটে দিন। ওর নাম কেটে দিন। এরা সব অনুপ্রবেশকারী। আমি বলব, আপনি সবথেকে বড় অনুপ্রবেশকারী। আপনার সরকারও তাই।'SIR নিয়ে শুরু থেকেই রাজ্য সরকারের সঙ্গে নির্বাচন কমিশনের সংঘাত তীব্র থেকে তীব্রতর হয়েছে। ওই বিষয়ে মুখ্য নির্বাচন কমিশনারকে হাফ ডজন চিঠিও লিখেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
