কলকাতা: বুধবার রাজ্যে দ্বিতীয় দফার বিধানসভা নির্বাচনে ১৪২টি আসনের ভোটগ্রহণ হবে। দ্বিতীয় দফার ভোটে ৪ দিন আগে ফের পুলিশে বদলি। সরানো হল কালীঘাট ও আলিপুর থানার OC-কে। কালীঘাট থানার অ্যাডিশনাল OC-কেও বদলি করা হয়েছে। সরানো হল উল্টোডাঙা মহিলা থানার OC-কেও।
আরও পড়ুন, টোস্ট দিয়েই সকাল শুরু সোমেন পুত্রের, কী কী খেতে পছন্দ করেন বালিগঞ্জ কংগ্রেস প্রার্থী রোহন মিত্র ?
ভোটের ঠিক আগে কালীঘাট থানার ওসি বদল করে দিল নির্বাচন কমিশন
দ্বিতীয় দফা ভোটের ঠিক আগে কালীঘাট থানার ওসি বদল করে দিল নির্বাচন কমিশন। তবে শুধু ওসি নয়, কালীঘাট থানার অ্যাডিশনাল OC-কেও বদলি করে দিয়েছে কমিশন। সম্প্রতি চলতি মাসেই প্রথম দফার আগেই কলকাতা পুলিশে ব্যাপক রদবদল করা হয়েছিল। সরিয়ে দেওয়া হল কলকাতা পুলিশের ৩ যুগ্ম কমিশনারকে। এর সঙ্গে বদলি করা হয়েছে আরও ৯ আইপিএস অফিসারকেও। সব মিলিয়ে মোট ১২ অফিসারকে বদল করা হল নির্বাচনের ঠিক আগেই। কলকাতা পুলিশের নতুন গোয়েন্দা প্রধান করা হয় সোমা দাস মিত্রকে। সরিয়ে দেওয়া হয় যুগ্ম কমিশনার (সদর) মিরাজ খালিদকেও। তাঁর জায়গায় নতুন যুগ্ম কমিশনার (সদর) হিসাবে আসেন সুদীপ সরকার।
ডায়মন্ড হারবারের পাঁচজন পুলিশ আধিকারিককে সাসপেন্ড
বিক্ষিপ্ত কিছু অশান্তি হলেও, বিধানসভা নির্বাচনের প্রথম দফার ভোট মিটেছে শান্তিতেই।ভবানীপুর-সহ একাধিক 'হেভিওয়েট' কেন্দ্রেও ভোট হবে ওই দিন। তার আগে আরও কড়া হচ্ছে নির্বাচন কমিশন। একদিকে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের গড় বলে পরিচিত ডায়মন্ড হারবারের পাঁচজন পুলিশ আধিকারিককে সাসপেন্ড করা হল। অন্যদিকে, দ্বিতীয় দফার ভোটের আগে আরও ১১ জন পুলিশ পর্যবেক্ষককে নিয়োগ করল কমিশন।
সাসপেন্ড হওয়া এই পুলিশ আধিকারিকদের বিরুদ্ধে গুরুতর শৃঙ্খলাভঙ্গ ও নির্বাচনে পক্ষপাতমূলক আচরণের অভিযোগ
শুক্রবার, রাজ্যের মুখ্যসচিবকে দেওয়া এই নির্দেশিকায়, ডায়মন্ড হারবারের ৫ জন পুলিশ আধিকারিককে সাসপেন্ড করার কথা বলা হয়েছে। পাশাপাশি তাদের বিরুদ্ধে অবিলম্বে বিভাগীয় তদন্ত শুরু করার নির্দেশ দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। কমিশন সূত্রে খবর, সাসপেন্ড হওয়া এই পুলিশ আধিকারিকদের বিরুদ্ধে গুরুতর শৃঙ্খলাভঙ্গ ও নির্বাচনে পক্ষপাতমূলক আচরণের অভিযোগ উঠেছে। নির্বাচন কমিশন সূত্রে খবর, দ্বিতীয় দফার ভোটের আগে নিরাপত্তাব্যবস্থা আরও জোরদার করতে, অতিরিক্ত ১১ জন পুলিশ পর্যবেক্ষককে নিয়োগ করা হয়েছে। মূলত পাঞ্জাব, হরিয়ানা ও মধ্যপ্রদেশ থেকে তাদের আনা হয়েছে।
