কলকাতা:ভোটের আগে এবার ইস্তাহার প্রকাশ করল বামেরা। ইস্তাহারে যে সমস্ত প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে তার মধ্য়ে রয়েছে, প্রতিটি পরিবারের একজনকে স্থায়ী চাকরি দেওয়া হবে। পাঁচ বছরের মধ্যে সমস্ত সরকারি শূন্যপদে নিয়োগ করা হবে। প্রত্যেক বছর স্বচ্ছতার সঙ্গে এসএসসি, সিএসসি ও পিএসসি পরীক্ষা নেওয়া হবে। পাশপাশি কৃষকদের কথা মাথায় রেখে ১৬টি ফসলের নূন্যতম সহায়ক মূল্য দেড় গুণ করার কথা জানানো হয়েছে। গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে সংখ্যালঘু ও আদিবাসী সম্প্রদায়ের উন্নতিতে। নতুন স্কুল-কলেজ নির্মাণের বিষয়ে প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে ইস্তাহারে।

Continues below advertisement

আরও পড়ুন, রাজ্যে প্রধানমন্ত্রী, রবিবাসরীয় প্রচারে বেরিয়ে এই কথা কাকে বললেন চন্দ্রিমা ? "ইলিশ ভাপা থেকে চিংড়ির মালাইকারি, সব বলা আছে, খেতে তো হবেই.."

Continues below advertisement

এদিন বিমান বসু বলেন, 'রাজ্যের স্বার্থে, রাজ্যকে বাঁচাতে, বাংলাকে বাঁচাতে, পশ্চিম বাংলায় এখন যা চলছে, তা একদিকে নৈরাজ্যবাদীদের সরকার, রাজ্যে আছেন, সবক্ষেত্রে নৈরাজ্য তৈরি করো, আর আছে দিল্লিতে কেন্দ্রের সরকার, সব কিছুতেই মানুষকে বিভক্ত করো। একদিকে নৈরাজ্য, অন্যদিকে মানুষের মধ্যে বিভাজন, এই উভয় শক্তির বিরুদ্ধে আমরা লড়াই করতে চাইছি। নির্বাচনী ইস্তাহারে বক্তব্যের মধ্যে দিয়ে, আমরা বলতে চেয়েছি, আমরা নমনীয়ভাবে মানুষের পাশে থেকে, মানুষকে সঙ্গে নিয়ে, মানুষের উন্নয়নমূলক কর্মসূচিতে যুক্ত থাকব।' 

ছাব্বিশের ভোটের আগে, এবার ইস্তেহার তৈরি নিয়ে নয়া কৌশল নিয়েছে সিপিএম। ভোটারদের পরামর্শ নিয়েই বামেদের ইস্তেহার তৈরির কথা জানানো হয়েছিল আগেই। এরজন্য, 'বাংলা বাঁচাও' নামে নতুন ওয়েবসাইট উদ্বোধন করেছেন দলের সর্ব ভারতীয় সাধারণ সম্পাদক এমএ বেবি। সেখানেই সরাসরি মতমত জানাতে পারবেন ভোটাররা। সম্প্রতি মহম্মদ সেলিম বলেছিলেন, আমরা আগেও বলেছি,...সিপিএম, তারপরে বামফ্রন্ট, যেটা কমরেড বেবি বললেন, আমরা আলাপ আলোচনা করে ঠিক করি, কীভাবে বামশক্তিকে শক্তিশালী করব, আরও বামপন্থী দলগুলিকে নিয়ে আসব। তারপরে যারা গণতান্ত্রিক-ধর্ম নিরপেক্ষ শক্তি আছে, তাঁদের সঙ্গে কথা বলব। আমরা সেই প্রক্রিয়ায় যাওয়ার আগে, এখন বামশক্তিকে সংহত করছি।' 

ইতিমধ্যেই ইস্তেহার প্রকাশ করেছে তৃণমূল কংগ্রেস। ইস্তেহার প্রকাশের অনুষ্ঠানে এসে, এবার তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ঘোষণা করেন, এবার থেকে সারা জীবনের জন্য, লক্ষ্মীর ভাণ্ডার পাবেন রাজ্যের মহিলারা। এই ভাতা, মহিলাদের বয়স হলে, বিধবা ভাতা ও বয়স্ক ভাতা করে দেওয়া হবে বলেও ঘোষণা করেন, রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।