কলকাতা: কাল মনোনয়ন জমা মমতার, তার আগে ভবানীপুরে বিজেপি প্রার্থী শুভেন্দু অধিকারী। মমতার নমিনেশন প্রসঙ্গে বললেন, হ্যাঁ উনি তো ভবানীপুরে ঘোষিত প্রার্থী, এখানকার সিটিং এমএলএ , কেন দেবে না ? উনি ওই দিন ১৫ হাজার লোকের সামনে, ৭-৮ গুন্ডাকে পাঠিয়ে, জুতো দেখিয়ে ছিলেন। কালকে আমরা ওগুলি করবো না, বলে চাঁছাছোলা ভাষায় আক্রমণ করেন।
আরও পড়ুন, ''নির্বাচন স্থগিত রাখা হোক, যতক্ষণ না পর্যন্ত..'', ভোটের আগে বড় দাবি অধীর রঞ্জন চৌধুরীর !
''আমার ভবানীপুরে ৪০ হাজার কেটেছে, বয়েই গেছে'', আক্রমণ মমতার
''আমার ভবানীপুরে ৪০ হাজার কেটেছে, বয়েই গেছে'', আক্রমণ মমতার।আমও যাবে, আমের ছালাও যাবে, নদিয়া থেকে এই সুরেই আক্রমণ শানালেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ভবানীপুরে শুভেন্দু অধিকারীর মনোনয়ন জমার দিন বিজেপি '৫০০ টাকা' দিয়ে লোক এনেছিল বলেই দাবি তাঁর। মূলত মমতা বলেন, আমার ভবানীপুরে ৪০ হাজার কেটেছে, তাঁতে আমার বয়েই গিয়েছে।জেনে রাখবেন, আমি ওখানে মানুষের আশীর্বাদে ভালভাষায়, ৩৬৫ দিন থাকি। আমি বসন্তের কোকিল নই।আমিও ৮ তারিখে আমার নমিনেশন ফাইল করব। ওরা নমিনেশন ফাইল নিয়ে সামান্য রাজনৈতিক সৌজন্যতা দেখায়নি। ৫০০ টাকা করে কিছু লোককে গেরুয়া করে নিয়ে এসেছিল। লজ্জা করে না একটা লোকের। ভবানীপুরে মাত্র ১৬ জন ছিল। ... আমি বলি তুমি শুনে রাখো, আমও যাবে, আমের ছালাও যাবে।'
"তাহলে উনি ওখানে এত খাটছেন কেন ? " পাল্টা শুভেন্দু
পাল্টা বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী বলেন, তাহলে উনি ওখানে এত খাটছেন কেন ? এত করার তো দরকার নেই। অমিত শাহজির প্রসেসন ছিল,লোক লেলিয়ে দিচ্ছেন। আমার ডোর ক্যাম্পেনিং-এ পুলিশ ঢুকিয়ে দিচ্ছেন। এত কিছু তো করার নেই। অতি দর্পে হত লঙ্কা। অতি মানে চকৌরব।এই দম্ভ নন্দীগ্রামে দেখিয়েছিলেন। আমার ছোটবোন নন্দীগ্রাম, হেরেছেন।আর এবারে ভবানীপুরেও আপনি হারবেন।'
ভবানীপুর কেন্দ্র
গত বিধানসভা ভোটে ভবানীপুর উপনির্বাচনে মমতার বিপরীতে বিজেপির তরফে দাঁড়িয়েছিলেন প্রিয়ঙ্কা টিব্রেওয়াল এবং বামেদের তরফে শ্রীজীব বিশ্বাস। নন্দীগ্রামে না হলেও, আসন রক্ষা করেছিলেন উপনির্বাচনে চেনা কেন্দ্র থেকেই। একুশের নির্বাচনে বিজেপি প্রার্থীর থেকে প্রায় ৫৮ হাজার ভোটে জয়ী হয়েছিলেন। কিন্তু এবার ছবিটা পুরোপুরি ভিন্ন। এবার ভবনীপুর থেকে মমতার বিরুদ্ধে ভোটে দাঁড়িয়েছেন শুভেন্দু অধিকারী, তাই যে প্রশ্নটা থেকে যাচ্ছে অন্তরালে, তার উত্তর অবধারিত আসবে মাস পেরোলে।
