অতনু হালদার, রুমা পাল, কলকাতা: সিবিআই নয়, মোথাবাড়ি কাণ্ডে এবার তদন্তে এনআইএ, সিদ্ধান্ত জাতীয় নির্বাচন কমিশনের। মোথাবাড়ির ঘটনার পর ইতিমধ্যেই তোলপাড় রাজ্য রাজনীতি। ইতিমধ্যেই এনিয়ে কড়া নির্দেশ দিয়েছে নির্বাচন কমিশন।প্রথমে কমিশনের কলকাতা অফিস থেকে জানানো CBI-কে তদন্তভার দেওয়া হচ্ছে। পরে জাতীয় নির্বাচন কমিশন জানাল, তদন্ত করবে NIA 

Continues below advertisement

আরও পড়ুন, "আজ রাত ১২ মধ্যে অভিযুক্তদের গ্রেফতার করতে হবে..", মোথাবাড়ি ও CEO দফতরের সামনে বিক্ষোভকাণ্ডে কড়া নির্দেশ কমিশনের

Continues below advertisement

মোথাবাড়ি কাণ্ডে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা এনআইএ তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে খবর।  সুপ্রিম কোর্ট বলেছিল, সিবিআই অথবা এনআইএ তদন্ত করবে, এবং সেই বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে জাতীয় নির্বাচন কমিশন। শুধুমাত্র তাই নয়, যে তদন্তকারী সংস্থা তদন্ত করবে, সেই তদন্তকারী সংস্থাকে তদন্ত করার পর, তাঁদেরকে প্রাথমিক রিপোর্ট জমা দিতে হবে সুপ্রিম কোর্টে। অর্থাৎ সুপ্রিম কোর্ট গুরুত্ব দিয়ে এই সাত জন জুডিশিয়াল অফিসারের উপর হামলার ঘটনাকে দেখছে। অবশেষে মালদার মোথাবাড়ির ঘটনায় এনআইএ তদন্ত করবে বলে সিদ্ধান্ত নিয়েছে কমিশন।  কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার তদন্তের নির্দেশ মানে, এই তদন্তের আওতায় রাজ্যের পুলিশ প্রশাসন এবং সমস্ত কিছু আসবে। ফলে ভোটের মুখে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার তদন্তের মুখোমুখি হতে হবে রাজ্যকে।

মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার ইতিমধ্যেই এই ঘটনায় ক্ষুব্ধ। তিনি নির্দেশ দিয়েছেন আজ রাত ১২ টার মধ্যেই অভিযুক্তদের গ্রেফতার করতে হবে। এদিকে কমিশনের ক্ষোভের সামনে পড়েছেন ডিএম , এসপি। মোথাবাড়ি কাণ্ডে রাত ১২ টার পর এসপি কেন্দ্রীয় বাহিনী নিয়ে ঘটনাস্থলে গিয়েছিলেন। কিন্তু কী কারণে এই ঘটনায় এত দেরি করে অ্যাকশন নেওয়া হল ? তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন তিনি। 

গতকালও বারবার প্রশ্ন উঠছিল, কেন্দ্রীয় বাহিনী কোথায় ছিল, যখন এখানে শুনানির কাজ চলাকালীন, ৭ জন বিচারবিভাগীয় আধিকারিককে, কার্যত আটকে রাখা হয়েছিল, তারপরে তাঁরা জল পর্যন্ত পাননি, তাঁদের খাবার পর্যন্ত দেওয়া হয়নি,সেই সঙ্গে প্রশাসনিক কোনও আধিকারিককেও তাঁদের উদ্ধার করতে দেখা যায়নি। এবং রাত্রি বারোটার পর যখন তাঁদেরকে বের করে নিয়ে যাওয়া হল, তখন তাঁদের উপর যেভাবে হামলা হল, স্বাভাবিকভাবে জেলা পুলিশ প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে উঠেছে প্রশ্ন। 

ঘটনার পর এদিন দেখতে পাওয়া যায় গোটা পঞ্চায়েত ব্লক অফিস রয়েছে, সেটা পুরোপুরি বন্ধ অবস্থাতে রয়েছে। আজকে শুনানির কাজ চলছে না। যদিও এদিন এখানে শুনানির কাজ শুরু হওয়ার কথা ছিল। আশপাশের যে বাজার এলাকা রয়েছে, সেই সমস্ত বাজার এলাকাও কিন্তু বন্ধ অবস্থাতে রয়েছে।