কলকাতা: পোস্টাল ব্যালটে ভোটদান পর্বের গোপনীয়তা বজায় রাখা হয়নি। ভোটকর্মীদের এই অভিযোগ ঘিরে উত্তপ্ত হয়ে উঠল একটি স্কুল। এদিকে, প্রিসাইডিং অফিসারদের জন্য নতুন একটি নির্দেশ দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। যেখানে, ভোট পরিচালনার গুরুত্বপূর্ণ দিকগুলি ঝালিয়ে নেওয়ার পর, একটি মুচলেকা দিতে হবে প্রিসাইডিং অফিসারদের।                                                           

Continues below advertisement

ব্যালটের নিরাপত্তা কোথায়? আমাদের ব্যালট বক্স সিল করলেন না কেন? নির্বাচনের কাজে জড়িত কর্মীদের জন্য পোস্টাল ব্যালটে ভোট দেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছিল সেই ভোটগ্রহণ পর্বেই গোপনীয়তা বজায় রাখা হয়নি। এমনই মারাত্মক অভিযোগে রবিবার উত্তপ্ত হয়ে উঠল উত্তর ২৪ পরগনার মধ্যমগ্রামের এই স্কুল প্রাঙ্গণ। 

ভোট দিতে আসা ভোটকর্মীদের একাংশের অভিযোগ, কোনও সিল ছাড়াই ব্যালট পেপার ইস্যু করা হয়..  এমনকী সিল করা হয়নি ব্যালট বক্সও! অভিযোগকারী ভোটকর্মী বলেন, 'ব্যালট বক্সটা কোনওভাবেই সিল করা নেই। তাতে কোনও ট্যাগ লাগানো নেই। পরিচয় প্রকাশ হয়ে যাচ্ছে। ভিতরে দেখি, পরিচয় পত্র ছাড়া প্রচুর ভোটের সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তি রয়েছে। যাদের থাকার কথা নেই।'

Continues below advertisement

এই প্রেক্ষিতে নির্বাচন কমিশনে অভিযোগ জানিয়েছেন ভোটকর্মীদের একাংশ। এদিকে, প্রিসাইডিং অফিসারদের জন্য নতুন একটি নির্দেশ দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। CEO দফতর থেকে সমস্ত জেলাশাসকদের কাছে পাঠানো হয়েছে এই নোটিস। যেখানে বলা হয়েছে, ডিসট্রিবিউশন সেন্টারে ২০ থেকে ৩০ মিনিটের একটি লাস্ট মিনিট ব্রিফিংয়ের ব্যবস্থা থাকবে। সেখানে নির্বাচন পরিচালনার গুরুত্বপূর্ণ দিকগুলি আরেকবার ঝালিয়ে নেবেন ভোটকর্মীরা।                                                                       

এরপর একটি মুচলেকা দিতে হবে প্রিসাইডিং অফিসারদের। যেখানে লেখা রয়েছে, 'প্রিসাইডিং অফিসারের কর্তব্য সমূহ' শীর্ষক পুস্তিকা তিনি যথাযথভাবে পড়ে দেখেছেন এবং নির্বাচন কমিশনের সমস্ত নির্দেশ পালন করবেন। নোটিসে বলা হয়েছে, প্রিসাইডিং অফিসারদের সই করা এই নথি  

নির্বাচন শেষ না হওয়া পর্যন্ত সংরক্ষণ করতে হবে রিটার্নিং অফিসারদের।