নন্দীগ্রাম : "আমি বলব, হাতে আইন কেউ নেবেন না। আগামী বিজেপি সরকার ভারতীয় ন্যায় সংহিতা অনুযায়ী...BNS অনুযায়ী প্রত্যেকটা মামলাকে রি-ওপেন করবে। আমরা ব্যবস্থা নেব।" জয়ের পর নন্দীগ্রামের মাটিতে দাঁড়িয়ে স্পষ্ট বললেন শুভেন্দু অধিকারী। ২০১৬, ২০২১, ২০২৬। নন্দীগ্রামে জয়ের হ্যাট্রিক শুভেন্দুর। তাঁকে নিয়ে উচ্ছ্বিসত দলের কর্মী-সমর্থকরা। সেখানে দাঁড়িয়েই তিনি বললেন, "আমার কাছে সব নাম লেখা আছে। আমি আপনাদের ঋণ শোধ করব। আপনারা নিশ্চিন্ত থাকুন। এবার আমার আবেদন, শান্তি বজায় রাখতে হবে। কুকুর মানুষের পায়ে কামড়ায়। মানুষ কখনো কুকুরের পায়ে কামড়াবে না। ওরা অনেক অত্যাচার করেছে। এই টাউন ক্লাবে যখন ১৫ অগাস্ট আসতাম...আমি এখানে বজরংবলির পুজোতে আসতাম। আর ফিতে কাটতে আসতাম কালীপুজোতে। তখনই আমি বলতাম, নন্দীগ্রাম এই দৃশ্য দেখেনি। ককটেল বোমা দিয়ে পুড়িয়ে দিয়েছিল। আমি বলব, হাতে আইন কেউ নেবেন না। আগামী বিজেপি সরকার ভারতীয় ন্যায় সংহিতা অনুযায়ী...BNS অনুযায়ী প্রত্যেকটা মামলাকে রি-ওপেন করবে। আমরা ব্যবস্থা নেব।" 

Continues below advertisement

নিজের রাজনৈতিক জীবনে বিভিন্ন সময়ে অত্যাচারিত হওয়ার অভিযোগ তুলে শুভেন্দু বলেন, "আমি ২০১১-র পরিবর্তনে ছিলাম। এবারে আসল পরিবর্তনে থাকলাম। সেটা হল দুটো মন্ত্র। একটা ধৈর্য্য, আর একটা সহ্য। অনেক সহ্য করেছি। আমার ৯০ বছরের বৃদ্ধ বাবা-মাকে সিআইডি পাঠিয়ে এই অত্যাচারিণী আক্রমণ করেছেন। নন্দীগ্রামে এমএলএ অফিসে দেড়শো পুলিশ ঢুকিয়েছে। আমি সোনাচূড়া এবং গোকুলনগরে ২০২১-এর ১০ নভেম্বর, আর ২০২২-এর ১৪ মার্চ...আমাকে পুষ্পার্ঘ্য পর্যন্ত দিতে দেয়নি। আমাকে হাইকোর্ট থেকে অর্ডার করে শহিদ মিনারে মালা দিতে হয়েছে। ভুলিনি। সব আইনি পথে হবে। ওরা যা করেছে, আপনারা করবেন না। গোটা রাজ্যের বিজেপি কর্মী-সমর্থকদের বলব শান্তি রাখুন। বিজেপিকে মানুষ একবার এনেছে। আমরা এমন ভাল কাজ করব ১০০ বছর বিজেপি থাকবে।"

চমকপ্রদ সিদ্ধান্ত BJP-র, এই পদ্ধতিতে বাছা হতে পারে পরিষদীয় দলনেতা : সূত্র ; পরবর্তী মুখ্যমন্ত্রী কে ?

Continues below advertisement

পশ্চিমবঙ্গের পরবর্তী মুখ্যমন্ত্রী কে হবেন তা নিয়ে এখন জোর চর্চা শুরু হয়েছে। একাধিক নাম জল্পনায় উঠে এলেও তা নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে দল। অমিত শাহকে তা বাছার দায়িত্ব দিয়েছে বিজেপি। বিজেপির পরিষদীয় দলনেতা নির্বাচনের জন্য আজই তিনি রাজ্যে আসছেন। বিজেপির পরিষদীয় দলনেতা নির্বাচনের জন্য পর্যবেক্ষক তিনি। সহ পর্যবেক্ষক রয়েছেন ওড়িশার মুখ্যমন্ত্রী মোহন চরণ মাঝি। বিজেপি বিধায়কদের সঙ্গে অমিত শাহের বৈঠকের সম্ভাবনা রয়েছে। বৈঠকেই চূড়ান্ত হতে পারে বিজেপির পরিষদীয় দলের নেতা। তারপরেই সরকার গঠনের দাবি জানাতে রাজ্যপালের কাছে যাবে বিজেপি।