কলকাতা : এবার বিধানসভা ভোটের ভরকেন্দ্র ভবানীপুর। মুখ্যমন্ত্রীর কেন্দ্র। বিরুদ্ধে বিরোধী দলনেতা। হাইপ্রোফাইল লড়াই। প্রেস্টিজ ফাইট। আর সেখানেই ভোটের কয়েকদিন আগে রাতবিরেতে ঘটে গেল তুলকালাম কাণ্ড। বিজেপি বনাম তৃণমূলের সংঘর্ষে ছড়ালো প্রবল উত্তেজনা।

Continues below advertisement

ভবানীপুর। বহু বছর ধরেই সবুজ দুর্গ। গত বিধানসভা ভোটে নন্দীগ্রামে হেরে গিয়েও উপনির্বাচনে এখান থেকেই জয় পেয়েছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেখানেই বিজেপির প্রচারের ব্যানার, পতাকা ছেঁড়ার অভিযোগ উঠল তৃণমূল কর্মীদের বিরুদ্ধে। 

ভবানীপুরে পুলিশের 'পুলিশ লাঠিচার্জ'                         

Continues below advertisement

রাতবিরেতে এই অভিযোগকে কেন্দ্র করে ছড়ালো প্রবল উত্তেজনা। উত্তপ্ত হয়ে উঠল ভবানীপুর। বিজেপির অভিযোগ, জগুবাবুর বাজারের কাছে পতাকা, ব্যানার ছেঁড়ার সময় ধাওয়া করা হয়। তাড়া করলে অভিযুক্তরা ভবানীপুর থানায় আশ্রয় নেয় বলে অভিযোগ। বিজেপির ব্যানার ছিঁড়ে থানায় গা-ঢাকা দেওয়ার পর, ভবানীপুর থানার সামনেই প্রতিবাদ দেখাতে  থানার সামনে বিজেপির বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করে। প্রতিবাদীদের সরাতে পুলিশ লাঠিচার্জ করে বলে অভিযোগ। সব মিলিয়ে ভবানীপুরে উত্তেজনা তুঙ্গে। 

BJP কর্মী রাজেশ সিংয়ের দাবি, ' হলুদ জামা পরে ৩০-এর বেশি লোক, ভবানীপুরের বিজেপি প্রার্থী শুভেনদু অধিকারীর ব্য়ানার, পোস্টার, ফ্লেক্স, আমরা প্রথমে ভাবলাম নির্বাচন কমিশনের লোক হতে পারে। পরে দেখলাম কিছু না, সব হলুদ জামা পরে তৃণমূলের কার্যকর্তা।'  এই ঘটনা নিয়ে তরজার মধ্য়েই তৃণমূলের সোশাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম FAM-এর পাল্টা অভিযোগ, ১০ এপ্রিল তাদের পক্ষ থেকে ভবানীপুরে কিছু ব্যানার লাগানো হয়েছিল, সেগুলি বিজেপির লোকেরা ছিঁড়ে দেন। দাবি, তাঁরই প্রতিবাদে ভবানীপুরে শুভেন্দু অধিকারীর নামে থাকা হোর্ডিং ছিঁড়েছেন তাঁরা। 

বরানগরে বড় অশান্তি 

অন্যদিকে  ভোটের আগে ফের উত্তপ্ত হল বরানগর। বিজেপির সভা শেষ হওয়ার পর কর্মী-সমর্থকদের উপর উঠল হামলার অভিযোগ উঠল। বিজেপির দাবি, হামলার নেপথ্য়ে তৃণমূলের লোকেরা রয়েছে।

বিক্ষোভে সজল ঘোষ

ঘটনায় সরাসরি অভিযোগের আঙুল তোলা হয়েছে সাত নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল কাউন্সিলর নীলু গুপ্তার স্বামী অজয় গুপ্তার বিরুদ্ধে। এই ঘটনার প্রতিবাদে গতকাল রাতে থানার সামনে বিক্ষোভ দেখান বিজেপি প্রার্থী সজল ঘোষ সহ বিজেপি কর্মীরা। সেখানেও তৃণমূলের লোকেরা হামলা চালান বলে অভিযোগ। অভিযোগের প্রেক্ষিতে এখনও প্রতিক্রিয়া মেলেনি তৃণমূলের।            

আরও পড়ুন :                      

বিজেপি ক্ষমতায় এলে মুখ্যমন্ত্রী কে, আজ জনসভা থেকেই স্পষ্ট করলেন অমিত শাহ