কলকাতা: দু'হাজার ছাব্বিশের এই ভোটে মানুষের বিপুল অংশগ্রহণ আর রেকর্ড ভোটদান হয়েছে। ভোটপর্ব শেষ হওয়ার সঙ্গেসঙ্গে শুরু হয়ে গেছে Exit Poll-এর কাটাছেঁড়া।
ম্যাট্রিজ-এর Exit Poll
বিজেপি - 146-161তৃণমূল - 125-140অন্যান্য - 6-10
বিজেপি -43%তৃণমূল - 41%অন্যান্য - 16%
হাইভোল্টেজ বিধানসভা নির্বাচন শেষ হল আজ। ভোটারদের রায় EVM-এ বন্দি হয়েছে। এবার শুধু জানার অপেক্ষা কী হতে চলেছে পশ্চিমবঙ্গে? পরিবর্তন? না প্রত্যাবর্তন? প্রথম দফার মতো দ্বিতীয় দফার ভোটও মোটের ওপর শান্তিতে করিয়ে এবারের ম্যান অফ দ্য ম্যাচ নির্বাচন কমিশন।
আজ, আরও একটা এক্সিট পোলে ইঙ্গিত মিলছে পরিবর্তনের। সেদিন ছিল সবুজ ঝড়ের ইঙ্গিত। আর আজ ইঙ্গিত গেরুয়া ঝড়ের।
জনতাজনার্দন কী রায় দিয়েছে? পরিবর্তন নাকি প্রত্যাবর্তন, কী ভাবছেন ভোটাররা? সেই সব উত্তর আর প্রার্থীদের ভাগ্য এখন EVM বন্দি। তবে, তা নিয়ে বুথ ফেরত সমীক্ষা করেছে দেশের বিভিন্ন মিডিয়া।
২০১১ সালের পরিবর্তনের বিধানসভা ভোটের চেয়েও অনেক বেশি ভোট পড়ল এবার। নির্বাচন কমিশন সূত্রে খবর, সন্ধে ৬টা পর্যন্ত রাজ্য়ে ভোট পড়েছে ৯১ দশমিক ৩৬ শতাংশ। জেলাগুলির মধ্যে, বিকেল ৫টা পর্যন্ত পাওয়া পরিসংখ্যান অনুযায়ী, সব থেকে বেশি ভোট পড়েছে পূর্ব বর্ধমানে, ৯২.৪৬%। কলকাতা উত্তরে ৮৭.৭৭% এবং কলকাতা দক্ষিণে ৮৬.১১% ভোট পড়েছে। ২০১১ সালে ‘পরিবর্তনের’ বিধানসভা নির্বাচনে ভোট পড়েছিল ৮৪.৪৬ শতাংশ। সেবার পড়ে গেছিল ৩৪ বছরের বাম শাসন। এবার কী হবে? বোঝা যাবে চৌঠা মে।
Disclaimer: রাজ্যে দু’দফায় বিধানসভা নির্বাচন হয়ে গেল। জনতা জনার্দন কী রায় দিয়েছে? পরিবর্তন নাকি প্রত্যাবর্তন, কী ভাবছেন ভোটাররা? সেই সব উত্তর আর প্রার্থীদের ভাগ্য এখন EVM বন্দি। তবে, তা নিয়ে বুথ ফেরত সমীক্ষা করেছে দেশের বিভিন্ন মিডিয়া। সেই দুহাজার পাঁচ সাল থেকে এবিপি আনন্দে প্রতিটি নির্বাচনে ওপিনিয়ন পোল বা এক্সিট পোল আপনাদের সামনে তুলে ধরা হচ্ছে। তার মধ্যে কিছু মিলেছে, আবার কিছু মেলেনি। মেনে নিতে এতটুকুও দ্বিধা নেই যে, এইসব সমীক্ষার accuracy কিন্তু ক্রমশ কমছে। এর কারণ, শুধুমাত্র সমীক্ষার Sample Size ছোট হওয়া নয়, ইদানিং এর বড় কারণ চ্যাটবট বা বিভিন্ন AI সফটওয়্যারের ব্যবহার। Field-Survey যত কমবে, মোবাইল বা AI সফটওয়্যারের ব্যবহার যত বাড়বে, বাস্তবের সঙ্গে সমীক্ষার ফারাক তত বাড়বে। তবুও, প্রতিষ্ঠিত সমীক্ষক সংস্থাগুলো বাংলার ভোট নিয়ে যে-সব সমীক্ষা করবে, তাদের সবার সমীক্ষাই আমরা তুলে ধরব। কিন্তু এই সমীক্ষার সঙ্গে আমাদের জার্নালিস্টিক জাজমেন্ট বা এডিটোরিয়াল পলিসির কোনও সম্পর্ক নেই। সমীক্ষক সংস্থার দেওয়া সংখ্যাগুলো হুবহু আপনাদের সামনে তুলে ধরা হচ্ছে মাত্র। আরও স্পষ্ট করে জানানো হচ্ছে, এবিপি আনন্দ নিজস্ব কোনও সমীক্ষা করেনি। রাজ্যের মসনদে কে, তা জানা যাবে একমাত্র ৪ মে-ই।
