কলকাতা : দেখতে দেখতে বাংলার নির্বাচনী উৎসব প্রায় শেষের দিকে। ২ দফার ভোটপর্ব শেষ। আর বাকি শুধু ফলাফল। কে জিতবে বাংলা? কে গড়বে সরকার? ভোটপর্ব শেষ হতেই মানুষ এখন এই চিন্তায় মগ্ন। আর এর মাঝেই প্রকাশিত হল নির্বাচনের বুথ ফেরত সমীক্ষার ফল। প্রায় সব সংস্থা এই বিধানসভা নির্বাচনে এগিয়ে রেখেছে বিজেপিকে। তবে এই ৩টি সংস্থা এগিয়ে রাখছে তৃণমূলকে। চলুন তবে জেনে নেওয়া যাক এই ৩ সংস্থা কে কত আসনে তৃণমূল ও বিজেপিকে এগিয়ে রাখছে। 

Continues below advertisement

পিপলস পালস-এর Exit Poll

বাকি সব সংস্থা বিজেপিকে একটু এগিয়ে রাখলেও 'পিপলস পালস' কিন্তু এগিয়ে রাখছে তৃণমূলকে। এই সংস্থার মতে, এবারের নির্বাচনের নিরিখে তৃণমূল পেতে পারে ১৭৭ থেকে ১৮৭টি আসন। বিজেপি পেতে পারে ৯৫ থেকে ১১০টি আসন। সিপিএম পেতে পারে ০-১টি মাত্র আসন আর কংগ্রেস পেতে পারে ১ থেকে ৩টি আসন। কার্যত, পিপলস পালস বাংলার মসনদ দখলের লড়াইয়ে তৃণমূলকেই এগিয়ে রাখছে।

Continues below advertisement

জনমত পোলস-এর সমীক্ষা 

তৃণমূল পেতে পারে ১৯৫ থেকে ২০৫টি আসন। বিজেপি পেতে পারে ৮০ থেকে ৯০টি আসন। কংগ্রেস পেতে পারে ১ থেকে ৩টি আসন। বামফ্রন্ট পেতে পারে শূন্য থেকে ১টি আসন। অন্যান্যরা পেতে পারে ৩ থেকে ৫টি আসন। 

আরও পড়ুন - ক্ষমতায় নতুন সরকার নাকি আবার তৃণমূল ? এই ৯টি সংস্থার সমীক্ষা চমকে দেওয়ার মতো

JVC-র exit poll-এর সমীক্ষা

তৃণমূল পাচ্ছে, ১৩১ থেকে ১৫২ টি আসন। বিজেপি পাচ্ছে ১৩৮ থেকে ১৫৯টি আসন। বাম পাচ্ছে শুন্য। কংগ্রেস পাচ্ছে শুন্য থেকে ২টি। অন্য়ান্য়রা পেতে পারে শুন্য। 

প্রজা পোল অ্য়ানালিটিক্স

একমাত্র এই সংস্থা যে বিজেপিকে সবার থেকে এগিয়ে রেখেছে এবং আসন সংখ্যাও বাকি সমীক্ষার থেকে অনেক বেশি। প্রজা পোল অ্য়ানালিটিক্স-এর মতে, বিজেপি পাবে ১৭৮ থেকে ২০৮টি আসন। তৃণমূল পাবে ৮৫ থেকে ১১০টি আসন। অন্যান্য দল পাবে ০-৫ টা আসন।    আরও পড়ুন - ক্ষমতায় এবার বিজেপি ? রাজ্যে হচ্ছে পালাবদল? TMC-র আসন কটা ? জানুন P-MARQ-এর এক্সিট পোল

Disclaimer: রাজ্যে দু’দফায় বিধানসভা নির্বাচন হয়ে গেল। জনতা জনার্দন কী রায় দিয়েছে? পরিবর্তন নাকি প্রত্যাবর্তন, কী ভাবছেন ভোটাররা? সেই সব উত্তর আর প্রার্থীদের ভাগ্য এখন EVM বন্দি। তবে, তা নিয়ে বুথ ফেরত সমীক্ষা করেছে দেশের বিভিন্ন মিডিয়া। সেই দুহাজার পাঁচ সাল থেকে এবিপি আনন্দে প্রতিটি নির্বাচনে ওপিনিয়ন পোল বা এক্সিট পোল আপনাদের সামনে তুলে ধরা হচ্ছে। তার মধ্যে কিছু মিলেছে, আবার কিছু মেলেনি। মেনে নিতে এতটুকুও দ্বিধা নেই যে, এইসব সমীক্ষার accuracy কিন্তু ক্রমশ কমছে। এর কারণ, শুধুমাত্র সমীক্ষার Sample Size ছোট হওয়া নয়, ইদানিং এর বড় কারণ চ্যাটবট বা বিভিন্ন AI সফটওয়্যারের ব্যবহার। Field-Survey যত কমবে, মোবাইল বা AI সফটওয়্যারের ব্যবহার যত বাড়বে, বাস্তবের সঙ্গে সমীক্ষার ফারাক তত বাড়বে। তবুও, প্রতিষ্ঠিত সমীক্ষক সংস্থাগুলো বাংলার ভোট নিয়ে যে-সব সমীক্ষা করবে, তাদের সবার সমীক্ষাই আমরা তুলে ধরব। কিন্তু এই সমীক্ষার সঙ্গে আমাদের জার্নালিস্টিক জাজমেন্ট বা এডিটোরিয়াল পলিসির কোনও সম্পর্ক নেই। সমীক্ষক সংস্থার দেওয়া সংখ্যাগুলো হুবহু আপনাদের সামনে তুলে ধরা হচ্ছে মাত্র। আরও স্পষ্ট করে জানানো হচ্ছে, এবিপি আনন্দ নিজস্ব কোনও সমীক্ষা করেনি। রাজ্যের মসনদে কে, তা জানা যাবে একমাত্র ৪ মে-ই।