'আমি ২০১১-এর পরিবর্তনে ছিলাম। আর, এবার আসল পরিবর্তনে থাকলাম। ধৈর্য ও সহ্য, এই ২ টো মন্ত্র মেনে চলুন।' জয়ের পর নন্দীগ্রামে গিয়ে বললেন বিধায়ক শুভেন্দু অধিকারী। বললেন, 'এমন ভাল কাজ করব যে, ১০০ বছর বিজেপি থাকবে।' শয়ে শয়ে মানুষের উচ্ছ্বাসের মধ্যে শুভেন্দু অধিকারী বললেন, তিনি নন্দীগ্রামের মানুষের জন্য আজীবন কাজ করবেন। 

Continues below advertisement

নিয়ম অনুযায়ী কেউ একটি কেন্দ্রেরই বিধায়ক থাকতে পারেন। কোনও নেতা যদি দুটি কেন্দ্র থেকে যেতেন তাহলে তাঁকে একটি কেন্দ্রের প্রতিনিধিত্ব ছেড়ে দিতে হয়।  ভারতের আইন অনুযায়ী, একজন ব্যক্তি এক সঙ্গে দুটি কেন্দ্রের বিধায়ক (MLA) বা সাংসদ (MP) থাকতে পারেন না। নির্বাচন কমিশনের নিয়ম অনুসারে জনপ্রতিনিধিত্ব আইন, ১৯৫১-এর ধারা ৩৩(৭) অনুযায়ী একজন প্রার্থী সর্বোচ্চ দুটি কেন্দ্র থেকে লড়তে পারেন ।ফলাফল ঘোষণার পর যদি কোনও নেতা দুটি কেন্দ্র থেকেই জিতে যান, তবে নির্বাচনের ফলাফল গেজেটে প্রকাশের নির্দিষ্ট দিনের মধ্যে (সাধারণত ১৪ দিনের মধ্যে) তাঁকে যেকোনো একটি কেন্দ্র ছেড়ে দিতে হয় । তিনি যে কেন্দ্রটি ছেড়ে দেন, সেখানে পরে উপনির্বাচন (Bye-election) অনুষ্ঠিত হয় ।  

গতবার নন্দীগ্রামে মমতা বন্দ্য়োপাধ্য়ায়-শুভেনদু অধিকারীর লড়াইয়ে জিতেছিলেন দ্বিতীয়জন। ২০২৬ এর ভোটে নন্দীগ্রাম ও ভবানীপুর - উভয় কেন্দ্র থেকে জিতেছেন শুভেন্দু অধিকারী। ভবানীপুরে  মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে হারিয়ে শুভেন্দু অধিকারীর জেতেন  ১৫১০৫ ভোটে। অন্যদিকে, শুভেন্দু অধিকারী নন্দীগ্রাম কেন্দ্র থেকে ৯,৬৬৫ ভোটে জয়ী হয়েছেন। তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী পবিত্র করকে পরাজিত করেছেন, তিনি। এই পরিস্থিতিতে তাঁকে যেকোন একটি কেন্দ্রের বিধয়ক পদ ছাড়তে হবে। সেক্ষেত্রে কোনদিকে যাবেন তিনি ? শুভেন্দু জানালেন, তাঁকে দলের হাইকমান্ড যা বলবে, তিনি সেই কেন্দ্রই ছেড়ে দেবেন। তবে তিনি নন্দীগ্রামের সেবায় সবসময় থাকবেন।  তিনি আরও বলেন, 'দলের কেন্দ্রীয় নেতারা যে সিদ্ধান্ত নেবেন, সেটাই হবে। আমার মতামত দেওয়ার থাকলে তাঁদের কাছেই দেব। আমার কর্তব্য থেকে সরে যাব না''।                 

Continues below advertisement

আরও পড়ুন: IPAC কোথায়? প্রার্থী বাছার মাপকাঠি কী ছিল? বিস্ফোরক তৃণমূলের প্রাক্তন বিধায়ক সৌরভ