পুরুলিয়া:লোকসভায় পাস হয়নি আসন সংখ্য়া বাড়িয়ে মহিলাদের আসন সংরক্ষণ বিল। মেলেনি দুই তৃতীয়াংশ সাংসদের সমর্থন। আর এরপরই শুরু হয়েছে রাজনৈতিক বাকযুদ্ধ। এদিন প্রধানমন্ত্রী মোদি বলেন, 'তৃণমূল চায় না, বিধানসভায় মহিলা বিধায়কের সংখ্যা বাড়ুক। তৃণমূল চায় না, মহিলারা আওয়াজ তুলুক। সেজন্যই মহিলা সংরক্ষণ বিলের বিরোধিতা তৃণমূলের। এই অপরাধের সাজা পেতে হবে তৃণমূলকে।'

Continues below advertisement

আরও পড়ুন, '২০ দিনের ছুটিতে যেতে বলা হয়েছে I-PAC কর্মীদের'! তবে কি শীর্ষকর্তা গ্রেফতারির পর কাজ বন্ধ করল তৃণমূলের ভোট কুশলী সংস্থা ? খবরে তোলপাড়

Continues below advertisement

" তৃণমূল বাংলার বোনেদের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করেছে"

এদিন মোদি বলেন, আমি চাই, বিকশিত ভারত তৈরি করতে, কন্যা সন্তানদের ভূমিকার বহর বাড়ুক। রাজনীতিতেও, যত সংখ্যায় সম্ভব কন্যারা আসুক। কিন্তু বন্ধুরা, আপনারা দেখেছেন, সংসদে কী হয়েছিল, তৃণমূল বাংলার বোনেদের সঙ্গে, আরও একটা বিশ্বাসঘাতকতা করেছে। বাংলার বোনেরা চেয়েছিলেন যে, তাঁদের ৩৩ শতাংশ সংরক্ষণ মিলুক। মোদি এটা সুনিশ্চিতও করেছিল। বাংলার বোনেরা চাইছিল, এটা ২০২৯ সাল থেকেই লাগু হোক। মোদি এটার জন্যও চেষ্টা করেছিল। কিন্তু তৃণমূল চায়নি, যে বাংলার মহিলারা বেশি সংখ্যায় বিধায়ক, সংসদ হোক।  ..এই জন্য তৃণমূল কংগ্রেসের সঙ্গে মিলে ষড়যন্ত্র করেছে। আর এরা মহিলাদের জন্য ৩৩ শতাংশ আসন সংরক্ষিত রাখার আইন তৈরিই হতে দিল না।'

পাল্টা মমতা

অপরদিকেস, দিনের দিনই পাল্টা তোপ দেগেছেন এই ইস্যুতে মমতাও। তিনি প্রশ্ন তুলে বলেন, মহিলা বিল পাস হয়েছিল কবে? ২০২৩ সালে। আমরা সবাই সমর্থন করেছিলাম। ৪৫০-এর বেশি ভোট পেয়েছিলে। সেই মহিলা বিল আজ পর্যন্ত কার্যকরী হয়নি কেন? মোদি ও অমিত শাহর কাছে জবাব চান তিনি। মমতা আরও বলেন,.. আমাদের নামে মিথ্য়ে কথা বলছ? তোমরা কী করেছিলে? মহিলা বিলটাকে আলাদা না করে, এক বিল কয়বার পাস হয়? মহিলা বিলের সাথে তোমরা ডিলিমিটেশন যুক্ত করে দিয়েছিলে। তার অর্থ বঙ্গভঙ্গ করা। তার অর্থ দেশ ভাগ করা।"  

মহিলাদের আসন সংরক্ষণ বিল

মূলত, লোকসভার আসন সংখ্য়া বাড়িয়ে ৮৫০ করে লোকসভা ও বিধানসভায় ৩৩ শতাংশ নারী সংরক্ষণের জন্য় লোকসভায় সংবিধান সংশোধনী বিল পেশ করেছিল কেন্দ্রের বিজেপি সরকার। সেটা পাশ করানোর জন্য় দুই তৃতীয়াংশ সাংসদের সমর্থন প্রয়োজন ছিল। কিন্তু তা না হওয়ায় শেষ পর্যন্ত মোদি সরকারের আনা বিল পরাস্ত হয়।