মুম্বই: ধর্মেন্দ্রের স্মরণসভায় স্মৃতির শহরে 'ড্রিমগার্ল।'এদিন  ধর্মেন্দ্রর 'প্রার্থনাসভায়' দুই মেয়েকে সঙ্গে নিয়ে সকলকে স্বাগত জানান হেমা  মালিনী। উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহও।

Continues below advertisement

আরও পড়ুন, উত্তরপ্রদেশের অযোধ্যার রামমন্দিরের আদলে এবার সল্টলেকেও রামমন্দির ? 'থাকছে হাসপাতাল-সহ আরও একাধিক সুবিধা..' !

Continues below advertisement

'আমি কখনই ভাবিনি..'

এদিন অভিনেত্রী বলেন, আমি কখনই ভাবিনি, আমার জীবনে..বলতে বলতে গলা বুজে আসে তাঁর। যদিও ক্ষণিকেই তা সামলে নিয়ে বলতে শুরু করেন, ধরমজি একজন বিশাল বড় ব্যক্তিত্ব। যার কোনও সীমা নেই। উনি খুবই সহজ-সরল এবং মিশুকে স্বভাবের ছিলেন। সাফলের শিখরে পৌঁছেও, উনি কখনই নিজেকে আলাদা করে রাখেননি। সবসময় মাটির সঙ্গেই জুড়ে ছিলেন।' 

'৩০০ এরও বেশি ছবিতে'

হালকা হেসে হেমা মালিনী আরও বলেন, ক্যারিয়ারে তিনি ৩০০ এরও বেশি ছবিতে তিনি কাজ করেছেন। আলাদা আলাদা চরিত্রে অভিনয় করেছেন। রোমান্টিক , কখনও অ্যাকশন হিরো-নানা ভূমিকায় কাজ করেছেন তিনি। তিনি ক্যামেরা খুবই ভালবাসতেন। অভিনয় করতে ভালবাসতেন। যে চরিত্রই হোক না কেন, সেই চরিত্রের একেবারে ভিতরে ঢুকে তার সারমর্ম বুঝে অভিনয় করতেন। তাঁর অভিনয় মানুষের হৃদয়কে ছুঁয়ে গিয়েছে। কখনও শোলে-র বীরু তো কখনও প্রতিজ্ঞা ছবিতে ট্রাক ড্রাইভারের ভূমিকাতেও অবিনয় করেছিলেন। চুপকে চুপকে থেকে সীতা অউর গীতা, ধর্মেন্দ্রর উল্লেখযোগ্য সব ছবিগুলির নামই এদিন ড্রিমগার্লের মুখে শোনা গিয়েছে।

'তিনি চাইছিলেনও এটা করতে, কিন্তু অধরাই রয়ে গেল..'

তিনি আরও বলেন, ..দেখতে দেখতে একটা সময় ধরমজির আরও একটি সুপ্ত মেধা প্রকাশ পায়। যখন উনি উর্দুর শায়েরি করা শুরু করেন। ওনার বিশেষ ব্যপার এটাই ছিল, যেকোনও পরিস্থিতিতেই উনি দ্রুত একটা শায়েরি শুনিয়ে দিতেন। আমিও অনেকবার বলেছি যে, আপনি এত সুন্দর লেখেন, তো এটাকে একটা বই আকারে প্রকাশ করা উচিত। ভক্তরা ভালবাসবে। এটা আপনার অবশ্যই প্রকাশ্যে আনা উচিত। তো তিনি এটা নিয়ে খুবই সিরিয়াসই ছিলেন। তিনি চাইছিলেনও এটা করতে। কিন্তু সেই কাজটা অধরাই রয়ে গেল। 

 বিপুল ভোটে জয়ী হয়েছিলেন 'বীরু

হেমামালিনীর সংযোজন, সিনেমা এবং রাজনীতি, দুটোই পৃথক ক্ষেত্র। অনেকেই ফিল্ম ইন্ড্রাস্ট্রি থেকে এখানে নেতা হতে এসেছেন। কিন্তু নেতাকে কখনই দেখিনি যে অভিনেতা হতে। কিন্তু আমাদের ফিল্ম ইন্ড্রাস্ট্রি থেকে অনেক অভিনেতাই, সফল রাজনৈতিক নেতাও হয়েছেন। তো আমার ভীষই আনন্দ হচ্ছে, এবং পাশাপাশি গর্বও হচ্ছে, যে ২০০৩ সালে ভারতীয় জনতা পার্টির জন্য আমার রাজ্যসভার সদস্য হওয়ার সুযোগ মিলেছিল। তার ঠিক এক বছর পর ২০০৪ সালে, ধরমজিরও বিকানের লোকসভা কেন্দ্র থেকে ভোটে দাঁড়ানোর সুযোগ মিলেছিল। ভোটে লড়ে তিনি জয়ীও হয়েছিলেন। তো লোকজন অবাক হয়ে গিয়েছিল যে, ধরমজি রাজনীতিতেও এসে গিয়েছেন। ৫ বছরের সময়কালে উনি খুব ভাল কাজ করেছিলেন বিকানের-এ। কিন্তু রাজনীতিতে তার উৎসাহ থাকলেও  ততটা রুচি ছিল না তাঁর। সিনেমা করলে যে আনন্দ পাওয়া, সেটা রাজনীতিতে মেলে না। '