কলকাতা: বলা হয়, বলিউডে যদি কোনও খবর সবার কাছে পৌঁছতে হয়, তাহলে তা নাকি বলে দেওয়া হয় কর্ণ জোহর (Karan Johar)-কে! তিনি নাকি বলিউডের যাবতীয় গসিপের খবর রাখেন। তবে কেবল বলিউডের যাবতীয় গসিপের বিষয় নয়, হামেশাই বিভিন্ন বিস্ফোরক মন্তব্য করার ফলে চর্চায় আসেন কর্ণ জোহর। তাঁর শো, 'কফি উইথ কর্ণ'-তে হামেশাই উঠে আসে, বলিউডের বিভিন্ন অজানা ঘটনা! কাজল ও টুইঙ্কল খন্নার অনুষ্ঠান ‘টু মাচ’-এ হাজির হয়েছিলেন কর্ণ জোহর। তাঁর সঙ্গে এসেছিলেন জাহ্নবী কপূর (Janhvi Kapoor)। আর সেখানেই, বিস্ফোরক সব মন্তব্য করেন কর্ণ। 

Continues below advertisement

এদিন অনুষ্ঠানে এসে, নিজের কুমারত্ব হারানো নিয়ে কথা বলেন। আসলে কর্ণকে বলতে বলা হয়েছিল, ২ টি জিনিস। যার মধ্যে একটি হবে সত্যি, অপরটি হবে মিথ্যে। এতে কর্ণ বলেন, প্রথমত, তিনি ২৬ বছর বয়সে কুমারত্ব হারিয়েছিলেন। দ্বিতীয়ত, তিনি জাহ্নবীর পরিবারের কারোর সঙ্গেই ঘনিষ্ঠ সম্পর্কে ছিলেন। এতে রীতিমতো চমকে ওঠেন জাহ্নবী। এরপরে কর্ণ হাসতে হাসতে জানান, তাঁর প্রথম কথাটি সত্যি কিন্তু পরের কথাটি মিথ্যে। তিনি ২৬ বছর বয়সে কুমারত্ব হারিয়েছিলেন এই কথা ঠিক, কিন্তু জাহ্নবীর পরিবারের কারোও সঙ্গে তাঁর ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক ছিল না। এই কথাটা তিনি একেবারেই বানিয়ে বলেছেন। এই কথা শুনে কার্যত স্বস্তির নিশ্বাস ফেলেন জাহ্নবী। কর্ণ জাহ্নবীকে বলেন,  'আমি সেই পার্টিতে দেরিতে পৌঁছেছিলাম এবং আমি তোমার পরিবারের কোনও সদস্যের সঙ্গে অন্তরঙ্গভাবে জড়িত ছিলাম না। যদিও এই চিন্তা আমার মনে এক-দুবার এসেছে।'

প্রসঙ্গত, কর্ণের সঙ্গে জাহ্নবীর খুবই ভাল সম্পর্ক। পরিচালক প্রযোজকের সঙ্গে বেশ কিছু কাজ করেছেন জাহ্নবী। সম্প্রতি কর্ণের প্রযোজিত ‘হোমবাউন্ড’ ছবিতেও অভিনয় করেছেন শ্রীদেবী-কন্যা। এই ছবি জায়গা করে নিয়েছিল কান চলচ্চিত্র উৎসবে। আর এবার, একসঙ্গে এই শো-তে এসে কার্যত আসর জমিয়ে দিয়েছিলেন কর্ণ আর জাহ্নবী। এদিন অনেক মজার মজার বিষয় নিয়ে প্রশ্ন ছিল গোটা শো জুড়েই।

Continues below advertisement

অন্যদিকে, ঐশ্বর্য্য রাই বচ্চন (Aishwarya Rai Bachchan) আর অভিষেক বচ্চনের (Abhishek Bachchan)-এর পরে কর্ণ জোহর (Karan Johar) নিয়েছেন বিশেষ পদক্ষেপ। নিজের নাম, ছবি ও স্বাক্ষর সংক্রান্ত ব্যক্তিগত তথ্য রক্ষার্থে এবার দিল্লি হাইকোর্টের দ্বারস্থ হলেন পরিচালক প্রযোজক কর্ণ জোহর। তাঁর অভিযোগ, তাঁর নাম করে বিভিন্ন বিপণীতে বিভিন্ন জিনিস বিক্রি হচ্ছে। এখানেই শেষ নয়, কর্ণের আরও অভিযোগ ছিল, বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে বেআইনিভাবে ব্যবহার করা হচ্ছে তাঁর ছবি। সেই কারণে, এই সমস্ত বিষয় আটকাতেই দিল্লি হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন কর্ণ। ঐশ্বর্য্য ও অভিষেকের ন্যায় কর্ণকেও একই রায় শুনিয়েছে দিল্লি আদালত।