দাদাসাহেব ফালকে পুরস্কার পেলেন মনোজ কুমার
সুজিত সরকার পরিচালিত ‘পিকু’ ছবিতে অনবদ্য অভিনয়ের সুবাদে এবছরের সেরা অভিনেতার পুরস্কার জিতে নেন বলিউড মেগাস্টার অমিতাভ বচ্চন। এর জন্য তিনি রৌপ্য কমল এবং ৫০ হাজার টাকা নগদ পান। এদিন পুরস্কার অনুষ্ঠানে সপরিবারে হাজির ছিলেন বিগ বি। উপস্থিত ছিলেন স্ত্রী জয়া, পুত্র অভিষেক, পুত্রবধূ ঐশ্বর্য এবং কন্যা শ্বেতা। প্রসঙ্গত এই নিয়ে চতুর্থ জাতীয় পুরস্কার পেলেন ৭৩ বছরের অভিনেতা। এর আগে তিনি ১৯৯০ (অগ্নিপথ), ২০০৫ (ব্ল্যাক) এবং ২০০৯ (পা) ছবির জন্য জাতীয় পুরস্কার জিতেছিলেন। সেরা অভিনেত্রীর পুরস্কার পেলেন কঙ্গনা রানাউত। রোম্যান্টিক কমেডি ‘তানু ওয়েডস মনু রিটার্নস’ ছবিতে দ্বৈত ভূমিকায় অভিনয়ের জন্য তিনি জাতীয় পুরস্কার পেলেন। ২৯ বছরের এই অভিনেত্রী হালে অন্য কারণের জন্য খবরের শিরোনামে রয়েছেন। তাঁর সঙ্গে বলিউড সুপারস্টার হৃত্বিক রোশনের আইনি লড়াই এখন গোটা বলিউডে মুখরোচক খবর। তিনিও এদিন রৌপ্য কমল এবং ৫০ হাজার টাকা নগদ পান। প্রসঙ্গত এটি তাঁর তৃতীয় জাতীয় পুরস্কার। এর আগে গত বছর ফ্যাশন ও কুইন ছবির জন্য দুটি পুরস্কার পেয়েছিলেন। বছরের সেরা ছবি নির্বাচিত হয়েছে এসএস রাজামৌলির ছবি ‘বাহুবলি’। রণবীর সিংহ, প্রিয়ঙ্কা চোপড়া ও দীপিকা পাড়ুকোন অভিনীত ‘বাজিরাও মস্তানি’ ছবির জন্য সেরা পরিচালক নির্বাচিত হলেন সঞ্জয় লীলা বনশালী। তিনি পেলেন স্বর্ণকমল পদক, শংসাপত্র এবং নগদ আড়াই লক্ষ টাকা। তাঁর পরিচালিত ছবিটি এবার মোট ছয়টি পুরস্কার পেয়েছে। অন্যদিকে, কবির খান পরিচালিত এবং সলমন খান অভিনীত ছবি ‘বজরঙ্গী ভাইজান’ সবচেয়ে বিনোদনমূলক ছবির পুরস্কার পেয়েছে।নির্বাচন এর ফল ২০২৬
(Source: ECI/ABP News)
জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার: সেরা অভিনেতা অমিতাভ, সেরা অভিনেত্রী কঙ্গনা, সেরা ছবি বাহুবলি
ওয়েব ডেস্ক, এবিপি আনন্দ | 03 May 2016 05:38 PM (IST)

নয়াদিল্লি: চলচ্চিত্রে অসাধারণ পারফরম্যান্সের জন্য চলতি বছরের সেরা অভিনেতার পুরস্কার জিতে নিলেন বলিউড মেগাস্টার অমিতাভ বচ্চন। সেরা অভিনেত্রীর পুরস্কার জিতলেন কঙ্গনা রানাউত। প্রাক্তন অভিনেতা মনোজ কুমারকে প্রদান করা হল দাদাসাহেব ফালকে পুরস্কার। মঙ্গলবার এক ছিমছাম অনুষ্ঠানে ৬৩ তম জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার ঘোষণা করেন প্রণব মুখোপাধ্যায়। ৭৮-বছরের মনোজ কুমার দাদা সাহেব ফালকের ৪৭ তম প্রাপক হলেন। ‘পূরব অউর পশ্চিম’, ‘উপকার’ এবং ‘ক্রান্তি’ জাতীয় দেশাত্মবোধক ছবির জন্য খ্যাত মনোজ কুমারকে তাঁর ভক্তরা ভালবেসে ‘মিস্টার ভরত’ নামে ডাকত। এদিন তাঁকে চলচ্চিত্র জগতের সর্বোচ্চ পুরস্কার দিয়ে সম্মান জানানো হয়। তাঁর হাতে তুলে দেওয়া হয় একটি স্বর্ণ কমল, ১০ লক্ষ টাকার নগদ এবং একটি শাল। এখন হাঁটতে পারেন না এই সত্তরোর্ধ্ব অভিনেতা। এদিন হুইল-চেয়ার এসেছিলেন তিনি। কিন্তু, তাতেও তাঁর জৌলুসে বিন্দুমাত্র বিচ্যুতি ঘটেনি। রাষ্ট্রপতি তাঁকে সম্মান জানানোর পর তিনি পাল্টা প্রণববাবুকে স্ফটিকের সাঁইবাবার মূর্তি উপহার দেন। প্রসঙ্গত, সাঁইবাবার-ভক্ত মনোজ কুমার এদিন মাথায় গেরুয়া পট্টী পরে পুরস্কার নিতে আসেন।