'কাঁটা লাগা গার্ল' শেফালির মৃত্যুর পর থেকেই নানারকম জল্পনা। নিয়মিত শরীরচর্চা করা, নিয়মে থাকা শেফালির কী এমন হল যে মাত্র ৪২ বছরে চলে গেল প্রাণ? গত শুক্রবার, ২৭ জুন ২০২৫-এ মারা যান শেফালি। তাঁর আকস্মিক মৃত্যুতে শোকাহত পরিবার ও অনুরাগীরা। শেফালির মৃত্যুর পর থেকেই বাড়ছে জল্পনা, তাঁর  আকস্মিক মৃত্যুর কারণ কি অ্যান্টি-এজিং চিকিৎসা? জানা গিয়েছে ১৫ বছর বয়স থেকেই এপিলেপ্সিতে আক্রান্ত ছিলেন তিনি। তাহলে কি এই কারণেই ত্বরান্বিত হল মৃত্যু? চূড়ান্ত ময়না তদন্তের রিপোর্ট আসতে এখনও বাকি। এরই মধ্যে, শেফালির ঘনিষ্ঠ বন্ধু এবং অভিনেত্রী পূজা ঘাই এক মারাত্মক দাবি করে বসলেন।  সম্প্রতি সাংবাদিক ভিকি লালওয়ানির সঙ্গে শেফালির মৃত্যু নিয়ে কথা বলেন অভিনেত্রী পূজা ঘাই। সেখানে তিনি একটি চাঞ্চল্যকর দাবি করেন। 

শেফালির অ্যান্টি-এজিং চিকিৎসা? ওই সাক্ষাৎকারে পূজাকে শেফালির অ্যান্টি-এজিং চিকিৎসা নেওয়ার বিষয়ে প্রশ্ন করা হয়।  উত্তরে পূজা বলেছিলেন, "আমার মনে হয় ব্যক্তিগতভাবে কারও বিষয়ে  মন্তব্য করা ঠিক নয় । তবে, আমার মনে হয় সবাই অনেকেই এটা এবং আমি নিশ্চিত, সবারই এটির প্রয়োজন, এবং এটি খুব সাধারণ ব্যাপার।' দুবাই-নিবাসী পূজার বলে, 'আপনি যদি দুবাইতে রাস্তায় হাঁটলেই রাস্তার দুইদিকে  ক্লিনিক এবং সাধারণ স্যালোঁতে অনেক ভিটামিন সি ড্রিপ দেখতে পাবেন।" তিনি আরও বলেন যে শেফালি সবসময় নিজেকে দারুণ ভাবে উপস্থাপন করতে চাইতেন। পূজা বলেন, শেষকৃত্যের দিন শেফালির প্রাণহীন দেহতেও তাঁর দীপ্তি বোঝা যাচ্ছিল। 

 

শেফালি কি মৃত্যুর দিনে ভিটামিন সি ড্রিপ নিয়েছিলেন? পূজা জানান, শেফালি যে দিন মারা যান, সেই দিনই ভিটামিন সি ড্রিপ নিয়েছিলেন। পূজা বলেন, "ভিটামিন সি নেওয়া একটি খুব সাধারণ বিষয়... কেউ কেউ ভিটামিন সি-র ট্যাবলেট খান, কিছু লোক এটি IV ড্রিপ নেয়। এক্ষেত্রে সূঁচের মাধ্যমে শরীরে ফ্লুইড দেওয়া হয়।  হ্যাঁ, শেফাই সেদিন IV ড্রিপ নিয়েছিলেন।" শেফালি ঠিক সময়ে , নিয়ম মেনে ড্রিপ নিয়েছিলেন?  পূজা জানান, "আমি নিশ্চিত নই। তবে আমি জানি যে তিনি সেদিন এই ড্রিপ নিয়েছিলেন। যিনি  ড্রিপ দিয়েছিলেন পুলিশ সেই ডাকেও'।  পুলিশ জানতে পেরেছে , শেফালি প্রায় এক দশক ধরে অ্যান্টি এজিং ইনফিউশন এবং ওষুধ সেবন করতেন। মৃত্যুর দিন, শেফালি  ধর্মীয় কারণে উপবাস করেছিলেন। কিন্তু তবুও বিকেলে এই  ইনজেকশন নিয়েছিলেন।

শেফালির  বন্ধু পূজা এখন দুবাইতে থাকেন। তবে শেফালির মৃত্যুর সময় তিনি মুম্বইতে ছিলেন। শেষকৃত্যে অংশও নেন।  ভিডিওগুলি সোশ্যাল মিডিয়ায় ব্যাপকভাবে শেয়ার করা হয়। তাঁকে অনেকে ভুল করে  শেফালির বোন শিবানী ভেবে ভুল  করেছিলেন। বর্তমানে, শেফালির মৃত্যুর কারণ অনুসন্ধানের জন্য তদন্ত চলছে এবং সবাই তাঁর ময়না তদন্ত রিপোর্টের জন্য অপেক্ষা করছেন।