কলকাতা: সদ্য মুক্তি পেয়েছে তাঁর নতুন ওয়েব সিরিজ। প্রশংসায় ভাসছেন অভিনেত্রী শ্রুতি দাস (Shruti Das)। আর তার মধ্যেই শ্রুতির ঘরের দোরগোড়ায় এল বিশেষ উপহার। বসন্ত মানেই পলাশের সমাহার। আর সেই পলাশ দিয়েই গাঁথা মালাই কোনও এক অজ্ঞাত পরিচয় এসে রেখে গেলেন শ্রুতির দরজায়। আর সেই মালাই গলায় পরে সোশ্যাল মিডিয়ায় ছবি শেয়ার করলেন শ্রুতি। সঙ্গে রইল বিশেষ বার্তা। 


কী লিখছেন শ্রুতি? মালা পরা ছবির সঙ্গে শ্রুতি লিখেছেন, 'নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কেউ আমার বাড়িতে, আজ রাত্রিবেলা বসন্তের টাটকা ভালোবাসা সযত্নে পাঠিয়েছেন যা আমি সাদরে গ্রহণ করলাম। হয় আমায় ভালোবেসে, নয় আমার অভিনয় ভালোবেসে, আমার প্রিয় ফুলের মালা গেঁথে পাঠিয়েছেন, আমি আবেগে আপ্লুত। ছোটোবেলা থেকে জানি, যারা ভালোবাসা স্বীকার করতে ভয় বা লজ্জা পান তারা, নাহলে বড় বড় মানুষদের অনুরাগীরা বেনামী চিঠি বা উপহার পাঠান। প্রথম ভাবনায় কেউ পাঠিয়েছেন বলে মনে হয় না, তবুও পাঠিয়ে থাকলে এজন্মে আমি নিরুপায়। তবে সম্মান রইল কিন্তু আমার কাজ ভালোবেসে পাঠিয়ে থাকলে, আমার বুকভরা ভালোবাসা, গুরুজন হলে প্রণাম, ছোটো হলে পলাশরাঙা আদর গ্রহণ করবেন আর গোপনবাক্সে পরিচয় জানাবেন, কাউকে জানাব না, কথা দিলাম।'


আইনত বিবাহ হয়ে গিয়েছে শ্রুতির। পরিচালক স্বর্ণেন্দুর সঙ্গে সুখের সংসার তাঁর। সদ্যই মিমি চক্রবর্তীর সঙ্গে 'ডাইনি' ওয়েব সিরিজে গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে দেখা গিয়েছে তাঁকে। অন্যদিকে সামনেই আসতে চলেছে তাঁর নতুন ছবি 'আমার বস'। সেই ছবিতে গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে দেখা যেতে চলেছে শ্রুতিকে। এই ছবিকে কাজ করা নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় শ্রুতি লিখেছিলেন, 'কাটোয়ায় থাকাকালীন যখন বাবা মা’র হাত ধরে, বা একা একা ট্রেনে বাসে করে কলকাতায় আসতাম, কতবার ভিক্টোরিয়ার সামনে এসেছি। একবার লেবুর সরবত খেয়েছি, মনে আছে। তবে ফুচকা খাওয়া হয়নি কোনোদিন। আর কার সঙ্গে প্রথম ফুচকা খাওয়ার অভিজ্ঞতা হল? কার হাত ধরে রাস্তা পেরলাম? 'দ্য রাখী গুলজার'। আমার জীবনে নতুন বছরে আশার আলো দেখিয়ে স্বপ্নের জানালা কারা খুলে দিলেন? উইন্ডোজ প্রযোজনা সংস্থা। কারা একটা জেদি মেয়েকে আরও জেদি বানিয়ে তুলে তাদের কাছে টেনে নিলেন? শিবপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় ও নন্দিতা রায়। সব স্বপ্নগুলো জেগে জেগে দেখতে হয়। বিশ্বাস করুন! সত্যি হতে হবেই।'