বমি ও পেটব্যথা।চিকিৎসাদ্রুতশুরুনাহলে, তারপরিণামহতেপারেভয়ঙ্কর । সেইকলেরারইপ্রকোপএখনবিশ্বজুড়ে ১২ টাদেশে। হালেভারতেওকলেরা-মৃত্যুরখবরপ্রকাশিতহয়েছে। কলেরারআচমকাপ্রাদুর্ভাবেআক্রান্তপ্রায়আশিহাজারশিশু। ভয়ঙ্করউপসর্গনিয়েহাসপাতালেভর্তিকরাহচ্ছে। মৃত্যুওঘটেছে।
কেন হঠাৎ মহামারীর আকার নিল কলেরা ? ইনিসেফেরপ্রতিবেদনেপ্রকাশ,ডেমোক্রেটিকরিপাবলিকঅফকঙ্গো (ডিআরসি) এবংনাইজেরিয়ায়ভয়ঙ্কর হয়ে উঠেছে এই জলবাহিত রোগের প্রাদুর্ভাব। সংক্রমণ ছড়িয়েপড়ছে দেশ থেকে দেশে। চাদ, কঙ্গোপ্রজাতন্ত্র, ঘানা, কোটডি'আইভরি, টোগোতেহুহু করে ছড়াচ্ছে কলেরা মহামারী। সেই সঙ্গে নাইজার, লাইবেরিয়া, বেনিন, মধ্য আফ্রিকা প্রজাতন্ত্র, ক্যামেরুনও ঝুঁকির বাইরে নয়। পশ্চিম ও মধ্য আফ্রিকার জন্য ইউনিসেফের আঞ্চলিক পরিচালক গিলসফ্যাগনিনোর মতে, ভারী বৃষ্টিপাত, ব্যাপক বন্যার জেরে বাড়ছেজলবাহিত রোগ। জীবাণু ছড়িয়েপড়ছে দ্রুত। আক্রান্ত হচ্ছে শিশুরা।
শুধু কঙ্গোতেইজুলাই মাসে ৩৮,০০০ এরও বেশিমানুষ কলেরা আক্রান্ত হয়েছে। এর মধ্যে মৃত্যু হয়েছে ৯৫১ জনের । পাঁচ বছরের কম বয়সী শিশুরা সবথেকেবেশি ক্ষতিগ্রস্ত। বিশেষজ্ঞদের মতে, দুর্বল স্বাস্থ্যবিধি, স্যানিটেশন এবং পরিশুদ্ধ জলের অভাবেই এই সমস্যা । আফ্রিকার মধ্যে সবচেয়েবেশি ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলি হল দক্ষিণ কিভু, উত্তর কিভু, হাউতকাটাঙ্গা, শোপো, হাউতলোমামি, টাঙ্গানিকা এবং মানিমা। চিকিৎসকদের ধারণা, ২০১৭ র পর এত খারাপ কলেরা-মহামারী দেখা যায়নি। গত চার সপ্তাহে তীব্র বৃষ্টিপাত এবং ব্যাপক বন্যার পর কলেরা রোগীর সংখ্যা হুহু করে বৃদ্ধি পেয়েছে।
কলেরা মহামারীরশুরু থেকেই সাহায্যে তৎপরইউনিসেফ। চিকিৎসা কেন্দ্রগুলি থেকে ওষুধপত্র, বিশুদ্ধ জল , পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন থাকার জন্য প্রয়োজনীয় উপাদান সরবরাহ করা হচ্ছে। ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় কলেরা টিকাদানে সহায়তা করা হচ্ছে। বিশেষত নজর দেওয়া হচ্ছে শিশুদের উপর।
ভারতেও কলেরাহাল আমলে ভারতে উত্তরপ্রদেশেরবেগুসরাইয়েভগবানপুরব্লক এলাকার কাজিরসালপুরপঞ্চায়েতেরচাকামালা গ্রামের একটি পরিবারে কলেরার মতো মারাত্মক রোগের প্রাদুর্ভাবের খবর পাওয়াযায়। ওই পরিবারের দুই কিশোরীর মৃত্যু হয়েছে। একই সঙ্গে, সদর হাসপাতাল এবং অন্যান্য বেসরকারি ক্লিনিকে অনেকেই চিকিৎসাধীন। এই ঘটনার খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেচিকিৎসক দল পৌঁছেছে গ্রামে।
