Hair Cutting Benefits: চুলের সমস্যা আজকাল কমবেশি সব বয়সীদের মধ্যেই এবং নারী-পুরুষ নির্বিশেষে দেখা যায়। সবচেয়ে বেশি লক্ষ্য করা যায় চুল পড়ার সমস্যা। মাথার সামনের অংশ ফাঁকা হয়ে যাচ্ছে অতিরিক্ত চুল পড়ার ফলে। চওড়া হয়ে যাচ্ছে কপাল এবং সিঁথি। তবে শুধু চুল পড়া নয়, চুলের আরও একাধিক সমস্যা রয়েছে। তার মধ্যে সবচেয়ে বেশি দেখা যায় চুলের ডগা ফেটে যাওয়া বা স্প্লিট এন্ডসের সমস্যা। অনেকের চুল এতই দুর্বল হয় যে চুলের গঠন মারাত্মক ভাবে খারাপ হয়ে যায়। আর তার ফলে চুল মাঝখান থেকেই ভেঙে যেতে শুরু করে। 

চুলের ডগা ফেটে যাওয়ার সমস্যা কমানোর জন্য একটা কাজ আমাদের নির্দিষ্ট সময়ান্তরে করতে হবে। তাহলেই দূরে থাকবে স্প্লিট এন্ডসের সমস্যা। কোন কাজ করলে চুলের ডগা ফেটে যাওয়ার সমস্যা কমবে, দেখে নেওয়া যাক। 

নির্দিষ্ট সময়ের ব্যবধানে চুলের ডিগা ছেঁটে নিতে হবে। এমন নয় সবসময় পার্লারে যেতে হবে। বাড়িতে নিজেই কেটে নিতে পারেন চুলের ডগার অংশ। যখন দেখবেন স্প্লিট এন্ডস শুরু হয়েছে তখনই ছাঁটতে হবে। প্রথমে চুল বিনুনি করে নিন। তারপর ডগা বা তলার অংশ ছেঁটে দিন। চুলে বিনুনি করে নিলে নিজে নিজে ছাঁটতে সুবিধা হয়। 

চুল নির্দিষ্ট সময়ের ব্যবধানে কাটলে ডগা ফাটার সমস্যা অর্থাৎ স্প্লিট এন্ডস যেমন কমে যায়, তেমনই চুল লবায় ভালভাবে বাড়তেও সাহায্য করে এই অভ্যাস। যাঁদের চুল খুব তাড়াতাড়ি বৃদ্ধি পায়, তাঁরা মাঝে মাঝেই চুলের ডগার অংশ সমান করে ছেঁটে নিতে পারে। তবে যাঁদের চুল লম্বায় একদম বাড়তেই চায় না, তাঁরা ঘনঘন চুল না কাটাই ভাল। 

স্প্লিট এন্ডসের সমস্যা কমাতে চুলে প্রয়োজন সঠিক পুষ্টি।মূলত পুষ্টির অভাবে এবং পারিপার্শ্বিক দূষণের কারণে চুল সবচেয়ে দ্রুত খারাপ হয়। ভিটামিন ই এর অভাব শরীরে থাকলে চুল খুব রুক্ষ, শুষ্ক হয়ে যায়। শরীরে প্রোটিনের ঘাটতি থাকলেও চুলের ডগা ফেটে যাওয়ার সমস্যা দেখা দেয়। চুল দেখতে জেল্লাহীন, জৌলুসহীন লাগে। লালচে হয়ে যায় চুলের রং। নষ্ট হয় চুলের গঠনও। চুলের স্বাস্থ্য ভাল রাখতে চাইলে ডিম না মেখে বরং রোজ অন্তত একটা ডিম সেদ্ধ খান, অবশ্যই কুসুম সমেত। অনেক উপকার পাবেন এই খাদ্যাভ্যাসের ফলে। 

ডিসক্লেইমার: লেখায় উল্লেখিত দাবি বা পদ্ধতি পরামর্শস্বরূপ। এটি মেনে চলার আগে অবশ্যই সরাসরি বিশেষজ্ঞ/চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।