Blood Sugar: ব্লাড সুগার অর্থাৎ ডায়াবেটিসের (Diabetes) সমস্যা দেখা দিলে, আমাদের শরীরে অনেক ধরনের লক্ষণ (Early Morning Blood Sugar Symptoms) দেখা যায়। ডায়াবেটিস থাকলে গভীর রাতে যেমন আমাদের শরীরে কিছু লক্ষণ দেখা দিতে পারে, তেমনই একদম সকালেও ব্লাড সুগারের কারণে আমাদের শরীরে কিছু উপসর্গ দেখা দিতে পারে। ডায়াবেটিস বা ব্লাড সুগারের কারণে সকালে ঘুম থেকে উঠলেই কিছু লক্ষণ দেখা দেয় আমাদের শরীরে। সেগুলি কী কী, জেনে নিন।
ডায়াবেটিসের সমস্যা থাকলে সকালবেলায় আমাদের শরীরে বিশেষ কিছু লক্ষণ দেখা যায়। যেহেতু এইসব লক্ষণ খুবই পরিচিত, তাই অনেকেই সেভাবে আমল না দিয়ে অবহেলা করেন। তবে এইসব উপসর্গ খেয়াল না করলে ব্লাড সুগারের মাত্রা আচমকা অনেকটা বেড়ে যেতে পারে।
- সকালবেলায় ঘুম থেকে উঠে অনেকেরই খুব ক্লান্তি লাগে। ভালভাবে ঘুমের পরেও ক্লান্ত লাগলে তা হাই ব্লাড সুগারের কারণে হতে পারে। আপনি অল্প পরিশ্রম করেই খুব হাঁপিয়ে যেতে পারেন। অস্বাভাবিক ক্লান্তি লাগতে পারে।
- ঘুম থেকে ওঠার পর অনেকেরই গা-গোলায়, বমি পায়। এই সমস্যাও কিন্তু ডায়াবেটিসের কারণে দেখা দিতে পারে। সকালে ঘুম থেকে উঠে খালি পেটে ওভাবে গা-গুলিয়ে উঠলে, বমি পেলে, একটা অদ্ভুত অস্বস্তি অনুভূত হয়।
- সকালের ঘুম যদি প্রায়ই মাথা ব্যথা নিয়ে ভাঙে তাহলে বুঝতে হবে ব্লাড সুগারের মাত্রা বেড়েছে আপনার শরীরে। মাথার পিছনে, একপাশে, কিংবা সারা মাথা-কপাল জুড়েই তীব্র ব্যথা হতে পারে।
- সকালে ঘুম ভাঙার পর থেকে যদি ঘনঘন প্রস্রাব পায় আপনার তাহলে বুঝতে হবে ব্লাড সুগারের মাত্রা স্বাভাবিকের থেকে বেশি রয়েছে শরীরে। এমনিতে রাতের ঘুমের পর সকালে প্রস্রাব পাওয়া স্বাভাবিক। কিন্তু সেটা বারবার, ঘনঘন পেলে অসুবিধা হয়।
- অনেকসময় দেখা যায় ঘুম থেকে সকালে উঠে বুঝতে পারছেন গলা শুকিয়ে কাঠ হয়ে গিয়েছে। ঠোঁট শুকিয়েছে। এটাও ডায়াবেটিসের লক্ষণ। অস্বাভাবিক তেষ্টা পেতে পারে আপনার।
- যদি সকালে ঘুম থেকে উঠে চোখে ঘোলাটে দেখেন তাহলে অবহেলা করবেন না। ব্লাড সুগারের মাত্রা বাড়লে এই সমস্যাও বৃদ্ধি পায়। এমনিতেও ডায়াবেটিসের মাত্রা বাড়লে চোখে একাধিক সমস্যা দেখা দিতে পারে।
- সকালে ঘুম থেকে উঠে যদি বুঝতে পারেন চরম পিপাসা পেয়েছে তাহলে খেয়াল রাখুন ব্লাড সুগারের মাত্রার দিকে। পরপর কয়েকদিন এই লক্ষণ দেখা দিলে অবশ্য ব্লাড সুগারের মাত্রা পরীক্ষা করতে হবে।
ডিসক্লেমার: লেখায় উল্লেখিত দাবি বা পদ্ধতি পরামর্শস্বরূপ। এটি মেনে চলার আগে অবশ্যই সরাসরি বিশেষজ্ঞ/চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।