Late Night Work: রাত জেগে কাজ করার অভ্যাস রয়েছে অনেকেরই। কেউ বা রাত জেগে পড়াশোনা করেন। অনেকের আবার এমনিতেই রাত জাগার অভ্যাস রয়েছে। সিনেমা দেখা, গান শোনা, গেম খেলা, গল্পের বই পড়া - এইসব কাজই অনেকে রাতে করতে ভালবাসেন। তবে দীর্ঘদিন ধরে রাত জাগার এই অভ্যাস বজায় থাকলে কিন্তু আপনার শরীর-স্বাস্থ্যে একাধিক সমস্যা দেখা দিতে পারে। সেগুলি কী কী জেনে নিন সবিস্তারে।
- টানা অনেকদিন রাতে ঠিকভাবে না ঘুমালে আপনার শরীরে সারাদিন ক্লান্তি, ঝিমানি ভাব থাকবে আপনার। কাজে অনীহা আসবে। অল্প পরিশ্রমেই হাঁপিয়ে উঠবেন। সর্বক্ষণ একটা ঝিম ধরা ভাব থাকবে আপনার শরীরে। তাই রাতে ঠিকভাবে ঘুমানো জরুরি।
- রাতে ঘুম কম হলে সকালে উঠে মাথা ব্যথা হতে পারে আপনার। একটা ঝিম ধরা ভাব, মাথা ভারী অবস্থা অনুভব করবেন আপনি। অতএব এক-আধদিন অনিয়ম হলেও, বেশিরভাগ সময়েই রাতে ৭ থেকে ৮ ঘণ্টা ঘুমানোর চেষ্টা করুন।
- রাত জাগার অভ্যাস সরাসরি প্রভাব ফেলে আমাদের হৃদযন্ত্রে। হার্ট অ্যাটাকের সম্ভাবনা বাড়ে। ব্লাড প্রেশার এবং ব্লাড সুগারের সমস্যাও বেড়ে যেতে পারে। যার ফলে হৃদযন্ত্রের স্বাস্থ্যের আরও অবনতি হতে পারে। তাই রাত জাগার অভ্যাস ত্যাগ করাই শরীরের পক্ষে শ্রেয়।
- কাজের সূত্রে অনেককেই রাতে জেগে কাজ করতে হয়। বাড়ি হোক বা অফিস, নাইট শিফটের চাপ অনেকেই এড়াতে পারেন না। যাঁদের কর্মসূত্রে রাত জেগে কাজ করতেই হয়, তাঁরা চেষ্টা করুন দিনেরবেলায় ঘুমিয়ে নিতে। তাহলে শরীর-স্বাস্থ্যে সামঞ্জস্য বজায় থাকবে।
রাতে ঘুম না আসার কিন্তু অনেক কারণ থাকে, সেগুলি কী কী
- রাতের স্ক্রিনটাইম কমাতেই হবে। বিছানায় মোবাইল কিংবা ল্যাপটপ নিয়ে ঘুমাতে না যাওয়াই ভাল। কারণ একবার মোবাইলে নজর পড়লে, সময় কখন কেটে যাবে, বুঝতেও পারবেন না আপনি।
- ঘুমোতে যাবে যে ঘরে, সেখানে আলো কম থাকা প্রয়োজন। আওয়াজ ছাড়া ঘর হলে ঘুমাতে সুবিধা হবে। চাইলে ঘুমের আগে হাল্কা কোনও মিউজিক শুনতে পারেন। তার জেরে ঘুম আসবে ভালভাবে।
- রাতে ঘুমের আগে চা-কফি জাতীয় ক্যাফাইন যুক্ত পানীয় একেবারেই সেবন করবেন না। এগুলি ঘুম কমিয়ে দেয়। এছাড়াও জোরে গান শোনা, উত্তেজনা বাড়বে এমন সিনেমা, সিরিজ দেখার অভ্যাসও বাদ দেওয়া ভাল।
ডিসক্লেইমার: লেখায় উল্লেখিত দাবি বা পদ্ধতি পরামর্শস্বরূপ। এটি মেনে চলার আগে অবশ্যই সরাসরি বিশেষজ্ঞ/চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।