Oats Health Benefits: ব্রেকফাস্টে কী খাবেন, তা নিয়ে অনেকেই চিন্তায় থাকেন। বিশেষ করে যদি সকাল সকাল বেরনোর ব্যাপার থাকে, তাহলে ব্রেকফাস্টের মেনু নিয়ে চিন্তা একটু বেশিই হয়। কম সময়ে তৈরি হয়ে যাবে এমন খাবার খেতে হবে। আবার পেটও ভরতে হবে, পুষ্টিও পেতে হবে। এই সবদিক মাথায় রেখে ব্রেকফাস্টের মেনুতে ওটস রাখতে পারেন। এই খাবার অত্যন্ত পুষ্টিকর। সহজে তৈরি করে নেওয়া যায়। আর অনেকক্ষণ আপনার পেট ভরিয়ে রাখবেন। ব্রেকফাস্টে ওটস খেলে কী কী উপকার পাবেন, জেনে নিন বিশদে।
- দিনে একবার ওটস খাওয়া স্বাস্থ্যের পক্ষে ভাল। ব্রেকফাস্টে খেতে পারলে উপকার সবচেয়ে বেশি। ব্রেকফাস্টে ওটস খেলে তার সঙ্গে মিশিয়ে নিতে পারেন বিভিন্ন ধরনের ফল কিংবা ড্রাই ফ্রুটস। পুষ্টিও পাবেন। পেটও ভরবে। কম সময়ে খাবার তৈরিও হয়ে যাবে। আর তাড়াতাড়ি খাওয়াও হয়ে যাবে।
- যেহেতু ওটসের মধ্যে ফাইবারের পরিমাণ অনেকটা বেশি, তাই আপনার অনেকক্ষণ পেট ভরে থাকবে এই খাবার খেলে। যাঁরা ওজন কমাতে চাইছেন, তাঁরা দিনে একবার অতি অবশ্যই ওটস খান। খাইখাই ভাব কমাতে দারুণ ভাবে সাহায্য করে এই খাবার।
- ওটস দুধে ফুটিয়ে খেতে পারেন। অনেকে জল দিয়েও ওটস সেদ্ধ করে খান। ভিন্ন স্বাদের জন্য মশলা ওটসও খেতে পারেন আপনি। মশলা ওটস খেলে তার মধ্যে মিশিয়ে নিন বিভিন্ন ধরনের সবজি। তাহলে ভরপুর পুষ্টি পাবেন আপনি। পেটও ভরবে।
- একাধিক পুষ্টি উপকরণ অর্থাৎ নিউট্রিয়েন্টস রয়েছে ওটসের মধ্যে। রোজ খেলে ভিটামিন, মিনারেলসের ঘাটতি হবে না শরীরে। আমাদের হৃদযন্ত্র অর্থাৎ হার্টের স্বাস্থ্য ভাল রাখতে দারুণ ভাবে কাজে লাগে ওটস। তাই খেতে পারেন এই খাবার।
- ওটস আমাদের শরীরে ব্যাড কোলেস্টেরলের মাত্রা কমায়। নিয়ন্ত্রণে রাখে ব্লাড সুগার এবং ব্লাড প্রেশারের মাত্রাও। তার ফলে ভাল থাকে হার্ট। তবে একটানা অনেকদিন ধরে ওটস খেলে পেটের সমস্যাও দেখা দিতে পারে। তাই মাঝে মাঝে বিরতি দিন, নিয়মে পরিবর্তন আনুন।
এমন নয় যে ব্রেকফাস্ট ছাড়া ওটস খাওয়া যাবে না। দিনের অন্যান্য সময়েও ওটস খেতে পারেন আপনি। ওটস আর ডিম দিয়ে খুব সুন্দর এবং সুস্বাদু অমলেট তৈরি করে নেওয়া যায় একদম অল্প সময়ে। এছাড়াও ওটস আপনি স্মুদি তৈরির সময়েও ব্যবহার করতে পারেন।
ডিসক্লেইমার: লেখায় উল্লেখিত দাবি বা পদ্ধতি পরামর্শস্বরূপ। এটি মেনে চলার আগে অবশ্যই সরাসরি বিশেষজ্ঞ/চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।