Raw Onion: কাঁচা পেঁয়াজ খাওয়ার অনেক গুণ রয়েছে। তবে বেশি পরিমাণে খাওয়া হয়ে গেলে বিপদ। অতিরিক্ত পরিমাণে কাঁচা পেঁয়াজ খাওয়া হয়ে গেলে আপনার শরীরে বেশ কিছু সমস্যা দেখা দিতে পারে। আসলে স্বাভাবিকের থেকে বেশি পরিমাণে কোনও কিছু খাওয়াই ভাল নয়। শরীর-স্বাস্থ্যের অবনতি হতে পারে। রান্না করা পেঁয়াজ খেলে যেমন অনেক সমস্যাই দেখা যেতে পারে শরীরে। তবে সেদিক থেকে কাঁচা পেঁয়াজ নিরাপদ। অনেক উপকার রয়েছে এই উপকরণের। 

  • এমনিতে কাঁচা পেঁয়াজ খেতে পারলে শরীর ঠান্ডা থাকে। বিশেষত গরমের দিনে উপকার পাওয়া যায়। কিন্তু বেশি পরিমাণে কাঁচা পেঁয়াজ খাওয়া হয়ে গেলে পেট গরমের সমস্যা দেখা দেয়। মানে পেটের সমস্যা হতে পারে। 
  • কাঁচা পেঁয়াজ বেশি খাওয়া হয়ে গেলে বদহজমের সমস্যা দেখা দিতে প্রবলভাবে। অতএব সতর্ক থাকা জরুরি। বেশি কাঁচা পেঁয়াজ খাওয়া হয়ে গেলে গ্যাসের সমস্যাও দেখা দিতে পারে তীব্র ভাবে। গলায় গ্যাসের চাপ অনুভব করবেন। 
  • অনেকসময় বেশি পেঁয়াজ খেয়ে ফেলার কারণে পেটে ব্যথাও হতে পারে আপনার। বদহজম, গ্যাস হলে এমনিতেও পেটে অস্বস্তি হয়। অনেকেরই অভ্যাস রয়েছে ভাত, রুটি যাই খান না কেন, সঙ্গে কাঁচা পেঁয়াজ না খেলে খাওয়াই হয় না। এই অভ্যাস প্রতিদিন না করাই ভাল। 
  • কাঁচা পেঁয়াজ অবশ্যই খান, তবে বেশি পরিমাণে নয় এবং রোজ না খাওয়াই শরীর-স্বাস্থ্যের পক্ষে ভাল। আর কাঁচা পেঁয়াজ খেলে মুখে দুর্গন্ধ হতে পারে। তাই এই ব্যাপারে বিশেষ খেয়াল রাখুন। অনেক ঘরোয়া টোটকার সাহায্যে অবশ্য এই সমস্যা দূর করা সম্ভব। 

এমনিতে কাঁচা পেঁয়াজ খেলে আমাদের শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা সুদৃঢ় হয়। এছাড়াও খেয়াল রাখে হৃদযন্ত্রের। হার্ট অ্যাটাক, স্ট্রোকের ঝুঁকি কমায়। বেশ কয়েক ধরনের ক্যান্সার হওয়ার প্রবণতাও কমাতে সাহায্য করে কাঁচা পেঁয়াজ খাওয়ার অভ্যাস। হাড়ের গঠনের জন্যও কাঁচা পেঁয়াজ ভাল। হজমশক্তিও ভাল রাখে এই কাঁচা পেঁয়াজ। নিয়ন্ত্রণে রাখে ব্লাড সুগারের মাত্রাও। ত্বক এবং চুলের স্বাস্থ্যের জন্যেও কাঁচা পেঁয়াজ ভাল। বিশেষ করে পেঁয়াজের রস নতুন চুল গজাতে সাহায্য করে। কিন্তু এই কাঁচা পেঁয়াজই বেশি পরিমাণে ব্যবহার করলে বা খেলে অনেক সমস্যা বাড়বে। 

ডিসক্লেইমার: লেখায় উল্লেখিত দাবি বা পদ্ধতি পরামর্শস্বরূপ। এটি মেনে চলার আগে অবশ্যই সরাসরি বিশেষজ্ঞ/চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।