Swelling in Feet: ডায়াবেটিসের সমস্যা থাকলে অর্থাৎ হাই ব্লাড সুগার থাকলে রোগীর পায়ে একাধিক সমস্যা দেখা দিতে পারে। একটা কথা জেনে রাখা প্রয়োজন যে, শুধুমাত্রা ইউরিক অ্যাসিডের পরিমাণ শরীরে বেশি থাকলেই পা ফুলে যাওয়ার সমস্যা দেখা যায় না। ডায়াবেটিসের মাত্রা বেশি হলেও পা ফুলে যেতে পারে। ইউরিক অ্যাসিড বেশি থাকলে মূলত পায়ের গোড়ালির অংশ ফুলে গিয়ে তীব্র যন্ত্রণা হতে দেখা যায়। আর ডায়াবেটিসের সমস্যা থাকলে পায়ের পাতা ফুলে যেতে পারে। এছাড়াও হাই ব্লাড সুগারের সরাসরি প্রভাব যেহেতু পড়ে কিডনির উপর, তাই শরীর থেকে দূষিত পদার্থ সঠিক ভাবে বেরোতে পারে না। কারণ কিডনি ঠিকভাবে কাজ না করলে শরীর থেকে টক্সিন বেরোতে পারবে না। ফলে শরীর ভিতর থেকে পরিশ্রুত থাকবে না এবং পায়ের পাতার অংশে ফ্লুইড জমে তা ফুলে যেতে পারে।
হাই ব্লাড সুগার থাকলে আপনার পায়ে আর কী কী ধরনের সমস্যা লক্ষ্য করা যায়, জেনে নিন
- হাঁটার সময় অনেক ক্ষেত্রেই আমরা পায়ে বেশ কিছু অস্বস্তি অনুভব করি। এসব অসুবিধা অবহেলা করলে বাড়লে বিপদ। যাঁরা নিয়মিত হাঁটতে যান, তাঁরা যদি প্রায়ই হাঁটুতে ঝিনঝিন ভাব অনুভব করেন তাহলে সতর্ক হওয়া জরুরি। হাঁটতে হাঁটতে আচমকা হাঁটু ঝনঝন করে উঠলে বুঝবেন এই লক্ষণ ডায়াবেটিসের ইঙ্গিত। এই অস্বস্তি এতটাই বাড়তে পারে যে হাঁটা বন্ধ করতে হয় সেই সময়।
- হাঁটতে বেরিয়ে সামান্য হাঁটার পরই যদি খুব ক্লান্ত লাগে তাহলে বুঝতে হবে হাই ডায়াবেটিসের কারণেই এই সমস্যা হচ্ছে। ডায়াবেটিস অর্থাৎ ব্লাড সুগারের মাত্রা কমাতে হাঁটার পরামর্শ দেন ডাক্তাররা। কিন্তু সেই হাঁটতে গিয়েই যদি সমস্যা হয় তাহলে অবিলম্বে চিকিৎসকের সঙ্গে কথা বলুন।
- হাঁটচলার সময় হাঁটুতে ঝিনঝিন ভাব হাই সুগারের পাশাপাশি হাই প্রেশার থাকলেও দেখা দিতে পারে। দু'ক্ষেত্রেই ক্রমশ দুর্বল হয়ে যায় স্নায়ু।
- হাই বাল্ড সুগার বা ডায়াবেটিসের কারণে অনেকসময় ধমনী দিয়ে সঠিক মাত্রায় রক্ত এবং অক্সিজেনের প্রবাহ বাধাপ্রাপ্ত হয়। এর ফলে মাসল ক্র্যাম্প হতে পারে।
- হাঁটার সময় পা ভারী হয়ে গেলে, আচমকা হাঁটু কিংবা পায়ের অন্য অংশের পেশীতে টান ধরলে বুঝবেন ডায়াবেটিস রয়েছে আপনার।
- ডায়াবেটিস থাকলে পায়ের বিভিন্ন অংশ বিশেষত পাতা ফুলে যেতে পারে। স্নায়ু দুর্বল হওয়ায় অস্বাভাবিক ক্লান্তি লাগতে পারে একটু হাঁটলেই।
- রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা বেড়ে গেলে ধমনী শক্ত হয়ে যায়। তার ফলে রক্ত এবং অক্সিজেন সঠিক ভাবে প্রবাহিত হতে পারে না।
আরও পড়ুন- কোন কোন খাবার খেলে কিডনির সমস্যা হতে বাধ্য?
ডিসক্লেইমার: লেখায় উল্লেখিত দাবি বা পদ্ধতি পরামর্শস্বরূপ। এটি মেনে চলার আগে অবশ্যই সরাসরি বিশেষজ্ঞ/চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।