কর্মসংস্থান, বেকার ভাতা এবং শিক্ষায় খরচ কমানো। এই তিনটি দাবিকে সামনে রেখেই বামপন্থী ছাত্র-যুব সংগঠনগুলির নবান্ন অভিযান।
কলকাতা:#বাম ছাত্র-যুবদের নবান্নমুখী মিছিলে পুলিশি বাধা। হাওড়ার মল্লিক ফটকে ধুন্ধুমার।পুলিশ-বাম কর্মী দফায় দফায় সংঘর্ষ। ব্যাপক লাঠিচার্জ পুলিশের। ছোড় হল কাঁদানে গ্যাস, ব্যবহার করা হল জলকামান। আহত বেশ কয়েকজন আন্দোলনকারী। বাধা পেয়ে পাল্টা পুলিশের দিকেও ইট ছোড়েন বাম ছাত্র-যুব কর্মীরা। মল্লিক ফটকের কাছে মিছিল আটকাল পুলিশ। এরপর ধুন্ধুমার বেঁধে যায়। বাধা পেয়ে পুলিশের সঙ্গে ধস্তাধস্তি বেঁধে যায় মিছিলকারীদের। বাধা পেয়ে ইঁটবৃষ্টিও করা হয় বলে অভিযোগ। পুলিশ মিছিলকারীদের ছত্রভঙ্গ করার চেষ্টা করে। ব্যারিকেড ভাঙার চেষ্টা আন্দোলনকারীদের। আন্দোলনকারীদের দাবি, পুলিশ লাঠিচার্জ করেছে। আহত কয়েকজন মিছিলকারী। মিছিলকারীদের আটকাতে জলকামান চালায় পুলিশ। টিয়ার গ্যাসও চালানো হয়। কয়েকজন পুলিশ কর্মীও আহত হয়েছেন বলে অভিযোগ।আটক একাধিক বাম কর্মী। পুলিশের বিরুদ্ধেও ঢিল ছোঁড়ার অভিযোগ। এক আন্দোলনকারীর দাবি, আশেপাশের বাড়ির ছাদ থেকে তাঁদের লক্ষ্য করে ইঁটবৃষ্টি করা হয়। তাঁর অভিযোগ, তৃণমূলের লোকজন এই কাজ করেছে। লাঠির ঘায়ে রক্তাক্ত বেশ কয়েকজন বাম কর্মী। আহত এসএফআইয়ের সম্পাদক, ডিওয়াইএফআইয়ের সম্পাদক। হাওড়া হাসপাতালে আনা হল আহতদের। কর্মসংস্থান, বেকার ভাতা এবং শিক্ষায় খরচ কমানো। এই তিন দাবিকে সামনে রেখে ১২টি বাম ছাত্র-যুব সংগঠনের নবান্ন অভিযান। হাওড়া স্টেশন থেকে বঙ্কিম সেতু হয়ে মল্লিক ফটকের দিকে এগোচ্ছে কেন্দ্রীয় মিছিল। নবান্ন অভিযান ঘিরে কড়া নিরাপত্তার ব্যবস্থা করেছে প্রশাসন। তৈরি রোবোকপ, জলকামান। কাঁদানে গ্যাস নিয়েও তৈরি পুলিশ। ড্রোনের মাধ্যমে চলছে নজরদারি। নিরাপত্তার চাদরে মুড়ে ফেলা হয়েছে রাজ্যের প্রশাসনিক সদরকে। নবান্নে ঢোকার মুখে প্রতিটি গাড়িতে তল্লাশি চালানো হচ্ছে, পরিচয়পত্র দেখার ক্ষেত্রেও বাড়তি সতর্কতা নেওয়া হচ্ছে। বামপন্থী কর্মী সংগঠনগুলির সদস্যরা যাতে আচমকা বিক্ষোভ দেখাতে না পারেন, সে জন্যই বেশ কিছু পদক্ষেপ নিয়েছে প্রশাসন। নবান্ন অভিযানের নেতৃত্বে সিপিএমের ছাত্র-যুব সংগঠন এসএফআই ও ডিওয়াইএফআই। বামফ্রন্ট শরিকদের ছাত্র ও যুব সংগঠনও এই অভিযানে সামিল হচ্ছে