LIVE UPDATE: মধ্যপ্রদেশ থেকে রাজ্যসভায় বিজেপি প্রার্থী জ্যোতিরাদিত্য
কংগ্রেস ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দিলেন জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়া। দলের সদর দফতরে জে পি নাড্ডার উপস্থিতিতে বিজেপিতে যোগ দিলেন তিনি। কাল ভোপাল যাবেন জ্যোতিরাদিত্য। সূত্রের খবর, শুক্রবার রাজ্যসভা নির্বাচনের জন্য মনোনয়ন পেশ করবেন তিনি।
ওয়েব ডেস্ক, এবিপি আনন্দLast Updated: 11 Mar 2020 06:37 PM

প্রেক্ষাপট
ভোপাল: চরম রাজনৈতিক সঙ্কটের মুখেও মধ্যপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী কমলনাথ আশাবাদী, তিনি সরকার ধরে রাখতে সক্ষম। গতকাল কংগ্রেসের প্রথম সারির নেতা জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়া দলত্যাগ করেন। কংগ্রেস সভানেত্রী সনিয়া গাঁধীর কাছে নিজের ইস্তফাপত্র পাঠিয়ে...More
ভোপাল: চরম রাজনৈতিক সঙ্কটের মুখেও মধ্যপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী কমলনাথ আশাবাদী, তিনি সরকার ধরে রাখতে সক্ষম। গতকাল কংগ্রেসের প্রথম সারির নেতা জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়া দলত্যাগ করেন। কংগ্রেস সভানেত্রী সনিয়া গাঁধীর কাছে নিজের ইস্তফাপত্র পাঠিয়ে দেন। একইসঙ্গে কংগ্রেস-ত্যাগ করেন তাঁর অনুগামী ২১ বিধায়ক। এরপরই, বিধানসভায় আসন-সংখ্যার নিরিখে সংখ্যালঘু হয়ে যায় শাসক দল। যদিও, মুখ্যমন্ত্রী জানান, চিন্তার কোনও কারণ নেই। মঙ্গলবার রাতে তিনি বলেন, আমরা আমাদের সংখ্যা প্রমাণ করব। আমাদের সরকার নিজেদের মেয়াদ সম্পন্ন করবে। এদিকে, ইস্তফার পরই, সিন্ধিয়াকে দল থেকে বরখাস্ত করে কংগ্রেস। যদিও, প্রবল জল্পনা থাকলেও, মঙ্গলবার বিজেপিতে যোগ দেননি তিনি। তবে, সূত্রের খবর, শীঘ্রই তিনি পদ্ম-শিবিরে যোগ দিতে চলেছেন। হতে পারেন রাজ্যসবার সাংসদ। এমনকী, সম্ভাবনা রয়েছে তিনি কেন্দ্রীয় মন্ত্রীও হতে পারেন। এদিকে, প্রবীণ কং নেতা দ্বিগ্বিজয় সিংহ জানিয়ে দিয়েছেন, কমলনাথের ইস্তফা দেওয়ার প্রশ্নই ওঠে না। প্রয়োজনে, বিধানসভায় শক্তি-পরীক্ষা হবে। সেখানে দেখা যাবে। দ্বিগ্বিজয় আরও দাবি করেন, সিন্ধিয়ার দলত্যাগ আটকাতে যথেষ্ট চেষ্টা করেছিলেন তাঁরা। বলেন, ওকে উপ-মুখ্যমন্ত্রী পদের প্রস্তাব দেওয়া হয়। প্রত্যাখ্যান করে। প্রদেশ সভাপতির পদ দেওয়া হয়। প্রত্যাখ্যান করে। এমনকী, বলা হয়, রাজ্যসভাতেও পাঠানো হবে। তাতেও, মানেনি।
মধ্যপ্রদেশ সরকারের সঙ্কটের মধ্যেই প্রবীণ কংগ্রেস নেতা দিগ্বিজয় সিংহের দাবি, ‘২২ জন বিদ্রোহী বিধায়কের মধ্যে ১৩ জন আশ্বাস দিয়েছেন, তাঁরা কংগ্রেস ছাড়বেন না। আমরা চুপ করে বসে নেই। আমরা ঘুমিয়ে নেই। আমরা আন্দাজ করতে পারিনি জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়া কংগ্রেস ছাড়বেন। এটা ভুল হয়েছে। জ্যোতিরাদিত্যকে মধ্যপ্রদেশের উপমুখ্যমন্ত্রী হওয়ার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু তিনি মনোনীত একজনকে ওই পদে বসানোর প্রস্তাব দেন। চেলাকে মেনে নিতে রাজি হননি কমলনাথ। রাজ্যসভায় কংগ্রেস প্রার্থী হতে পারতেন জ্যোতিরাদিত্য। কিন্তু একমাত্র মোদি-শাহই অতি উচ্চাকাঙ্খী একজন নেতাকে মন্ত্রী করতে পারেন। শিবরাজ সিংহ চৌহান মধ্যপ্রদেশ সরকার ফেলতে ব্যর্থ হওয়ার পরেই জ্যোতিরাদিত্যকে দলে টানতে উদ্যোগী হয় বিজেপি। কংগ্রেস বিধায়কদের বিপুল অঙ্কের টাকার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।’