নয়াদিল্লি: করোনা ভাইরাস সংক্রমণ রোখার লক্ষ্যে দেশজুড়ে চলছে লকডাউন। দিল্লি, উত্তরপ্রদেশের মতো রাজ্যগুলিতে করোনা ভাইরাসের ‘হটস্পট’ হিসেবে বিভিন্ন জায়গা চিহ্নিত করে সেই জায়গাগুলি সিল করে দেওয়া হয়েছে। লকডাউন বাড়তে পারে বলে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বক্তব্যে ইঙ্গিত পাওয়া গিয়েছে। এর আগে কোনওদিন ভারতে এরকম পরিস্থিতি তৈরি হয়নি। ‘লকডাউন’ শব্দটাই এদেশে নতুন। যে অর্থে ‘সিলিং’ শব্দটি ব্যবহার করা হচ্ছে, সেটিও ভারতীয়দের কাছে নতুন। দেখে নেওয়া যাক ‘লকডাউন’-এর সঙ্গে ‘সিলিং’-এর পার্থক্য কী- ‘লকডাউন’ চলাকালীন সবাইকে বাড়িতে থাকতে হয়। তবে চিকিৎসার প্রয়োজনে বা নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র কেনার জন্য বাইরে যাওয়ার অনুমতি পাওয়া যায়। মুদিখানা, ওষুধের দোকান খোলা থাকে। তবে এর জন্য নির্দিষ্ট সময় থাকে। প্রয়োজন ছাড়া বাড়ির বাইরে যাওয়ার অনুমতি পাওয়া যায় না। অপ্রয়োজনে কেউ রাস্তায় ঘুরলে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে পারে পুলিশ। ‘লকডাউন’ উপেক্ষা করে রাস্তায় ঘোরাঘুরি করার জন্য দেশের বিভিন্ন জায়গা থেকে অনেক ব্যক্তিকে পাকড়াও করেছে পুলিশ। কোনও জায়গায় ‘সিলিং’ করা হলে সেখানকার কোনও বাসিন্দারই বাড়ির বাইরে যাওয়ার অনুমতি থাকে না। বাইরে থেকে ওই অঞ্চলে কাউকে যেতেও দেওয়া হয় না। স্বাস্থ্যকর্মীরা ওই অঞ্চলের প্রতিটি বাড়িতে গিয়ে সেখানকার বাসিন্দাদের পরীক্ষা করেন। সংক্রামিত ব্যক্তির সংস্পর্শে কেউ এসেছেন কি না, সে বিষয়েও খোঁজ নেওয়া হয়। করোনা আক্রান্তদের যাতে সহজেই চিহ্নিত করা যায় এবং একটি নির্দিষ্ট অঞ্চলের বাইরে সংক্রমণ না ছড়ায়, সেটা নিশ্চিত করার লক্ষ্যেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়।