কাশ্মীরে সেই ধর্মীয় পরিচয় জেনে, অর্থাৎ হিন্দু  নিশ্চিত করে, বেছে বেছে, পরিবারকে নিয়ে বেড়াতে যাওয়া নিরীহ পর্যটকদের গুলিতে ঝাঁঝরা করে দিয়েছিল জঙ্গিরা। পহেলগাঁও হামলার আতঙ্ক কোনও দিনই ভুলতে পারবে না মানুষ। এই ক্ষত চিরকালীন। সেই ঘটনার পর জাতি ধর্ম নির্বিশেষে ভারতবাসী করেছিল প্রতিবাদ। নিন্দার ঝড় উঠেছিল। এই পরিস্থিতিতে পাকিস্তানের কড়া সমালোচনা করেছিলেন আসাদউদ্দিন ওয়াইসিওএবারও তার অন্যথা হল না। হজযাত্রীদের সঙ্গে কথা বলার সময়, ওয়াইসি তাঁর বক্তব্যে বারবার পাকিস্তানকে বিদ্ধ করলেন। এমনকী বললেন, আল্লাহ্, ওদের লেজ সোজা করে দিন ! 

জম্মু ও কাশ্মীরের পহেলগাঁওতে সন্ত্রাসবাদীরা ধর্ম বেছে বেছে হত্যা করেছিল। মেরে ফেলার আগে ধর্মের পরীক্ষা দিতে কলমা পড়তে বলা হয়েছিল। কিন্তু ওয়াসি তাঁর বক্তব্যে বারবার স্পষ্ট করে দিয়েছেন, তিনি এই আচরণকে মোটেই সমর্থন করেন না। পহেলগাঁও হামলার পর তিনি বিহারে জনসভা করতে গিয়ে মাথায় তেরঙ্গাও বাঁধেন। এবার হজযাত্রীদের উদ্দেশ্যে বক্তব্য রাখতে গিয়ে  AIMIM প্রধান আসাদউদ্দিন ওয়াইসি পাকিস্তানকে ক্ষুরধার আক্রমণ করেন।  আসাদউদ্দিন ওয়াইসি বলেন, "আমাদের প্রতিবেশী দেশ আর শুধরাবে না। আপনারা হজ করতে যাচ্ছেন। দোয়া করবেন, যেন আল্লাহ যেন তাদের লেজ সোজা করে দেন। নয়তো আবার সময় আসলে তাদের সিধা করে দিতে হবে।" এর আগে তিনি একটি এক্স-পোস্টে একটি টুইটে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফকে নিশানা করেন। লেখেন, "পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ এবং সেনাপ্রধান আসিম মুনির, রহিম ইয়ার খান এয়ারবেসে তাদের লিজড চিনা বিমান নামাতে পারবেন কি?" উল্লেখ্য, ভারতীয় সেনা প্রত্যাঘাতে রহিম ইয়ার খান এয়ারবেস সম্পূর্ণ ধ্বংস করে দেয়। 

AIMIM প্রধান অপারেশন সিন্দুর এর পর বলেন, "ভারতে ২৩ কোটিরও বেশি মুসলমান আছেন, যাদের পূর্বপুরুষরা জিন্নার নীতি প্রত্যাখ্যান করেছিলেন। পাকিস্তান চায় ভারতে হিন্দু-মুসলমানের মধ্যে ফাটল তৈরি হোক, কিন্তু আমরা কখনওই তা হতে দেব না। ভারত বাহাওয়ালপুরে সন্ত্রাসবাদীদের আস্তানায় হামলা চালিয়ে তাদের হত্যা করেছে। .... পাকিস্তানের নিম্নমানের চরিত্র এখন সবার সামনে।" ওয়াইসি এর আগে বলেছিলেন, পাকিস্তান বছরের পর বছর ধরে ভারতের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসবাদীদের প্রশিক্ষণ দিচ্ছে। এই লস্কর-ই-তৈয়বা পাকিস্তান সরকারের অবৈধ সন্তান।