ব্যাঙ্ক ঋণ সংক্রান্ত জালিয়াতি মামলায় মারুতির প্রাক্তন ম্যানেজিং ডিরেক্টর জগদীশ খট্টরের বিরুদ্ধে সিবিআইয়ের অভিযোগ দায়ের
ABP Ananda, Web Desk | 24 Dec 2019 05:54 PM (IST)
খট্টরের অবশ্য দাবি, ব্যবসা হিসেবেই কারনেশন ডুবেছে, এতে বেআইনি কিছু নেই। অডিটও হয়েছিল, কোনও গোলমাল পাওয়া যায়নি।
নয়াদিল্লি: মারুতি উদ্যোগের প্রাক্তন ম্যানেজিং ডিরেক্টর জগদীশ খট্টরের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করল সিবিআই। খট্টরের বিরুদ্ধে অভিযোগ, নতুন একটি সংস্থা খুলে পঞ্জাব ন্যাশনাল ব্যাঙ্কের ১১০ কোটি টাকা জালিয়াতি করেছেন তিনি। ১৯৯৩ থেকে ২০০৭ পর্যন্ত মারুতি উদ্যোগে ছিলেন খট্টর, অবসর নেন ম্যানেজিং ডিরেক্টর হিসেবে। অবসরের পর তৈরি করেন কারনেশন অটো ইন্ডিয়া লিমিটেড। ২০০৯ সালে এ জন্য ব্যাঙ্ক থেকে ঋণ নেন ১৭০ কোটি টাকা। ২০১৫ সালে এই ঋণ২০১২ সাল থেকে নন পারফর্মিং অ্যাসেট বা অনুৎপাদক সম্পদ হিসেবে ঘোষিত হয়। সিবিআই এই সংস্থা ও ৭৭ বছর বয়সী খট্টরের বিভিন্ন সম্পত্তিতে গতকাল সন্ধেয় তল্লাশি চালিয়েছে। তাদের অভিযোগ, এই সংস্থার মাধ্যমে পঞ্জাব ন্যাশনাল ব্যাঙ্কের ১১০ কোটি টাকা জালিয়াতি করেছেন তিনি। খট্টরের অবশ্য দাবি, ব্যবসা হিসেবেই কারনেশন ডুবেছে, এতে বেআইনি কিছু নেই। অডিটও হয়েছিল, কোনও গোলমাল পাওয়া যায়নি। পঞ্জাব ন্যাশনাল ব্যাঙ্ক তাদের পদ্ধতি অনুযায়ী মামলাটি সিবিআইকে পাঠিয়েছে। সিবিআই তল্লাশিও করেছে কিন্তু বেআইনি কিছু মেলেনি। তদন্ত শেষ হলে সত্যিটা সকলে বুঝবে। কিন্তু সিবিআই বলছে, কারনেশন অটো ইন্ডিয়া লিমিটেড ও খট্টর অসৎভাবে ব্যাঙ্কের কাছে বন্ধক রাখা জিনিসপত্র বিক্রি করে দেন। এ জন্য ব্যাঙ্কের সম্মতি নেননি, তারপর সেই অর্থ অন্যত্র সরিয়ে দেন। এর ফলে পঞ্জাব ন্যাশনাল ব্যাঙ্কের আর্থিক ক্ষতি হয়েছে, লাভবান হয়েছেন খট্টর ও তাঁর সংস্থা। ব্যাঙ্কটি ফরেনসিক অডিট করে, তাতে দেখা যাচ্ছে, ৬.৯২ কোটি টাকার স্থাবর সম্পত্তি ৪.৫৫ কোটি টাকায় খট্টর বেচে দিয়েছেন, ব্যাঙ্ককে বিষয়টি জানাননি। বিক্রির টাকাও জমা করেননি ব্যাঙ্কে, অন্যত্র বেআইনিভাবে ঋণ ও অন্যান্য আর্থিক সুবিধে দিয়েছেন। তবে ব্যাঙ্কের কয়েকজন আধিকারিকও সন্দেহের ঊর্ধ্বে নন, সিবিআই তাদের এফআইআরে বলেছে, তাঁদের ভূমিকাও খতিয়ে দেখা হবে।