দেশের সবথেকে হাই প্রোফাইল এলাকাগুলির মধ্যে অন্যতম। সারা বছরই নিরাপত্তার কড়াকড়ি। অথচ রাজধানীর বুকে ভর সন্ধে বেলায় লাল কেল্লার গেটের সামনে ভয়াবহ বিস্ফোরণ। উঠে আসছে নানারকম তত্ত্ব। মেট্রো স্টেশনের কাছে সিগনালে দাঁড়িয়ে থাকা গাড়িতে ভয়াবহ বিস্ফোরণের পিছনে কি সন্ত্রাসবাদই, সেই পুলওয়ামা যোগ, উঠে আসছে নানা কথা। গাড়িটি কি বিস্ফোরক নিয়ে কোথাও পালানোর চেষ্টা করছিল? সিগনাল লাল থেকে সবুজ হতে কি ঘটে যায় বিস্ফোরণ? নাকি পুরোটাই পরিকল্পিত? 

Continues below advertisement

শেষ পাওয়া সিসিটিভি অনুসারে, ওই সোমবার সন্ধ্যায় লাল কেল্লার কাছে বিস্ফোরণে হুন্ডাই আই২০ গাড়িটি দেখা যাচ্ছে, সেই গাড়িটি তিন ঘন্টা ধরে লাল কেল্লার কাছে পার্কিং লটে পার্ক করা ছিল। বিকেল ৩:১৯ মিনিটে পার্কিংয়ে প্রবেশ করে এবং সন্ধ্যা ৬:৪৮ মিনিটে বেরিয়ে যায়। এরপর সন্ধে ৭ টার ঠিক কাছাকাছি ঘড়ির কাঁটা পৌঁছতেই ঘটে  ভয়াবহ বিস্ফোরণ।   সূত্রের খবর, সিসি  ক্যামেরার ফুটেজে দেখা গেছে ঘটনার সময়ে অভিযুক্ত একাই ছিলেন গাড়িতে। কিন্তু কোনদিক থেকে এসেছিল গাড়িটি? কোনদিকেই বা যাওয়ার পরিকল্পনা ছিল সেটির? এই সমস্ত তথ্য় জানতে পুলিশ আশেপাশের এলাকার সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখছে।  লালকেল্লার মতো হাই প্রোফাইল এলাকায় এই বিস্ফোরণে তোলপাড় গোটা দেশজুড়ে। 

এনডিটিভি সূত্রে খবর, হরিয়ানার গুরুগ্রামের পুলিশ মহম্মদ সলমন নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করে।   HR26 CE 7674 নম্বর প্লেটযুক্ত  ওই i20 গাড়ির আসল মালিক নাকি ওই ব্যক্তিই । তবে, সলমন পুলিশকে জানিয়েছেন যে তিনি গাড়িটি তারেক নামে এক ব্যক্তিকে বিক্রি করেছেন তিনি। এই তারেক আবার জম্মু ও কাশ্মীরের পুলওয়ামার বাসিন্দা।    

Continues below advertisement

সোমবার সন্ধের ঘটনার পরে একাধিক শহরে জারি করা হয়েছে হাই সিকিউরিটি অ্যালার্ট। এই বিস্ফোরণে এখনও পর্যন্ত পাওয়া খবর অনুযায়ী ১১ জনের মৃত্যু হয়েছে, ৩০ জন আহত হয়েছে। ছিন্ন-বিচ্ছিন্ন হয়ে গিয়েছে একাধিক মানুষের শরীর।  

লালকেল্লার কাছে বিস্ফোরণের ঘটনার পর তিনদিনের জন্য় লালকেল্লা বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ASI. নিরাপত্তার স্বার্থে আপাতত বন্ধ রাখা হয়েছে লালকেল্লা মেট্রো স্টেশন। ঘটনার পর পাহারগঞ্জ, দারিয়াগঞ্জের বিভিন্ন হোটেলে তল্লাশি চালানো হয়েছে। এই প্রেক্ষাপটে আজ সকাল ১১টায় জরুরি বৈঠকে বসছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। উপস্থিত থাকবেন স্বরাষ্ট্রসচিব, IB-র ডিরেক্টর, NIA-এর ডিরেক্টর জেনারেল,  দিল্লির পুলিশ কমিশনার সহ উচ্চপদস্থ আধিকারিকরা।