Delhi Blast: ১০ নভেম্বর, ভয়াবহ বিস্ফোরণে কেঁপে উঠেছিল রাজধানী দিল্লি। লালকেল্লার অনতি দূরেই ঘটেছে গাড়ি বিস্ফোরণ। ইতিমধ্যেই অন্তত ১২ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গিয়েছে। আহত হয়েছেন আরও অনেকে। দিল্লির এই ভয়াবহ বিস্ফোরণের পর আজ ছিল কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার বৈঠক। প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনের এই বৈঠক ইতিমধ্যেই শেষ হয়েছে। কেন্দ্রের তরফে স্পষ্ট ভাষায় জানানো হয়েছে, 'জঘন্য সন্ত্রাসী ঘটনা' ঘটেছে। অপরাধমূলক ঘটনা এবং অপরাধীদের বিরুদ্ধে যে কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হবে, কেন্দ্রের অবস্থান এই প্রসঙ্গে একেবারেই 'জিরো টলারেন্স', তাও স্পষ্ট ভাবে জানিয়ে দিয়েছেন কেন্দ্রীয় তথ্য সম্প্রচার মন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব। এদিনের বৈঠকে নিহতদের প্রতি সমবেদনা এবং সহমর্মিতা জানিয়ে ২ মিনিটের নীরবতা পালন করা হয়েছে। দিল্লিতে হামলার পিছনে কারা জড়িত, কেন এই হামলা করা হল, সবই খতিয়ে দেখে অপরাধীদের চিহ্নিত করা হবে এবং তাদের বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হবে, এই আশ্বাস দেওয়া হয়েছে কেন্দ্রের তরফে। প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনের এই হেভিওয়েট বৈঠকে এদিন ছিলেন প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিং, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী অমিত শাহ-সহ আরও অনেকেই। 

Continues below advertisement

দিল্লির লালকেল্লার কাছে যে বিস্ফোরণ ঘটেছে তাকে 'দেশবিরোধী শক্তির সন্ত্রাসমূলক ঘটনা' বলেই বিবৃতিতে জানানো হয়েছে কেন্দ্রের তরফে। এই বিস্ফোরণকাণ্ডে তদন্তে নামার পর থেকে একের পর এক চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে আসছে তদন্তকারীদের হাতে। চিকিৎসার মতো পেশায় জড়িতরা কীভাবে এ হেন জঙ্গি কার্যকলাপে জড়িয়ে পড়ছেন, তা নিয়েও উঠছে প্রচুর প্রশ্ন। এর পাশাপাশি এও জানা যাচ্ছে যে, জৈব অস্ত্রের মাধ্যমে, খাবারে 'রাইসিন' নামক ভয়াবহ বিষ মিশিয়ে বিষক্রিয়ার মাধ্যমে প্রচুর মানুষকে একসঙ্গে খতম করে দেওয়ার ছক ছিল অপরাধীদের। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, এই বিষের সামান্যতম পরিমাণও মৃত্যু ডেকে আনতে পারে নিমেষে। এমনটাই জানিয়েছেন ফরেন্সিক বিশেষজ্ঞরা। 

Continues below advertisement

দিল্লি বিস্ফোরণকাণ্ডের তদন্তভার এখন রয়েছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা বা ন্যাশনাল ইনভেস্টিগেশন এজেন্সি, অর্থাৎ এনআইএ- র হাতে। একটি লাল রঙের গাড়িকে হন্যে হয়ে খুঁজছিলেন তদন্তকারীরা। অবশেষে সেই গাড়িটি ফরিদাবাদ পুলিশ খুঁজে পেয়েছে। এই গাড়ি নথিভুক্ত রয়েছে দিল্লি বিস্ফোরণের অন্যতম মূল চক্রী বলে মনে করা হচ্ছে যে ব্যক্তিকে, সেই উমর উন নবির নামে। লাল রঙের ইক স্পোর্টস গাড়ি, নম্বর DL10CK0458, বিস্ফোরণের সময় আই২০ গাড়ির সঙ্গে এই গাড়িটিও ছিল, সিসিটিভিতে এই লাল গাড়িটি দেখা গিয়েছে। ফরিদাবাদের খান্ডাওয়ালি গ্রামের কাছে লাল গাড়িটিকে পার্কিং অবস্থায় পাওয়া যায়।