নয়া দিল্লি: বছরভর নিজেই নিজের প্রচার চালানোর পরও, রেসে  'হেরেই গেলেন' আমেরিকার প্রেসিডেন্ট। ২০২৫ সালের নোবেল শান্তি পুরস্কার পেলেন ভেনেজুয়েলার বিরোধী নেত্রী মারিয়া কোরিনা মাচাদো। এ বছরের শুরুতে দ্বিতীয়বার আমেরিকার প্রেসিডেন্ট হন ট্রাম্প। তারপর থেকেই, লাগাতার নিজেকে নোবেল শান্তি পুরস্কারের দাবিদার হিসেবে তুলে ধরার চেষ্টা চালিয়ে গেছেন তিনি। 

Continues below advertisement

এ প্রসঙ্গে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প অবশ্য বলেন, 'যিনি নোবেল পুরস্কার পেয়েছেন তিনি আজ আমাকে ফোন করে বলেছেন, আপনার সম্মানে আমি এটি গ্রহণ করছি কারণ আপনি সত্যিই এটির যোগ্য ছিলেন। আমি বলিনি, এটি আমাকে দিন। আমার মনে হয় তিনি হয়তো... আমি তাকে পথ চলতে সাহায্য করে আসছি... আমি খুশি কারণ আমি লক্ষ লক্ষ জীবন বাঁচিয়েছি..."। 

প্রসঙ্গত, নোবেল শান্তি পুরস্কার জয়ী ভেনেজুয়েলার বিরোধী নেত্রী, তাঁর পুরস্কার উৎসর্গ করেছেন ডোনাল্ড ট্রাম্পকেই।  

এদিকে, নোবেল শান্তি পুরস্কার ঘোষণার কয়েক ঘন্টা আগে , ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রাক্তন মার্কিন রাষ্ট্রপতি বারাক ওবামার নোবেল প্রাপ্তির তীব্র সমালোচনা করেছিলেন ট্রাম্প। সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময়, ট্রাম্প গাজায় শান্তি প্রতিষ্ঠা এবং আটটি যুদ্ধ শেষ করার কৃতিত্ব দাবি করেন । জোর দিয়ে বলেন, তিনি পুরস্কারের পিছনে ছুটছেন না। বরং হতাশা প্রকাশ করেন , ওবামা তার রাষ্ট্রপতিত্বের মাত্র কয়েক মাস পরেই নোবেল শান্তি পুরস্কার পেয়েছিলেন বলে। প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ওবামার সম্মানপ্রাপ্তি নিয়ে ক্ষোভ উগড়ে ট্রাম্প বলেন, 'তিনি কিছুই না করার জন্য এটি পেয়েছেন।' 

অন্যদিকে, নরওয়ের নোবেল কমিটি ডোনাল্ড ট্রাম্পকে নোবেল নয়, NO বলে দিলেন। নোবেল কমিটির সভাপতি জর্গেন ওয়াটনে ফ্রাইডনস বলেছেন, আমার মনে হয়, এই কমিটি সব ধরনের প্রচার এবং মিডিয়ার ওপর নজর রেখেছে। 

এই কমিটি এমন একটি ঘরে বসে যেখানে সমস্ত নোবেল জয়ীর ছবি রয়েছে এবং ঘরটি সাহস এবং সততায় পূর্ণ।  আমরা কেবল অ্যালফ্রেড নোবেলের কাজ এবং তাঁর ইচ্ছার ওপর ভিত্তি করেই সিদ্ধান্ত নিই।

অবশ্য , মুখে যা-ই বলুন, বাস্তবে নোবেল যে ফস্কাতে চলেছে, এটা বোধহয় ট্রাম্প আন্দাজই করতে পেরেছিলেন। তাই ক'দিন আগে থেকেই বলতে শুরু করেছিলেন ওরা (নোবেল কমিটি) কখনই আমাকে নোবেল শান্তি পুরস্কার দেবে না। আমি এটা পাওয়ার যোগ্য। কিন্তু তাও ওরা কখনই আমাকে এটা দেবে না।