নয়াদিল্লি: এক সন্তানের পিতৃত্ব নিয়ে আইনি টানাপোড়েন চলছে। সেই আবহেই আর এক সন্তানের আগমনের খবর। ১৪তম সন্তানের বাবা হলেন ধনকুবের ইলন মাস্ক। তাঁর সঙ্গিনী শিভন জিলিস পুত্রসন্তানের আগমনের খবর দিলেন। (Elon Musk News)

সোশ্যাল মিডিয়ায় এই ঘোষণা করেন শিভন। মেয়ে আর্কেডিয়ার জন্মদিনে অনুরাগীদের সুখবর দেন তিনি। শিভন লেখেন, ‘ইলনের সঙ্গে কথা হয়েছে। আর্কেডিয়ার জন্মদিনে ছেলের Seldon Lycurgus-এর কথা সকলের সঙ্গে ভাগ করে নেওয়া উচিত মনে হল আমাদের। সুঠাম শরীর, সোনায় বাঁধানো মন। আমরা ওকে ভালবাসি’। (Elon Musk 14th Child_

ওই খবরে সিলমোহর দিয়েছেন মাস্কও। শিভনের পোস্টে Heart এঁকে দিয়েছেন তিনি। যে সময় ইলনের ১৪তম সন্তান আগমনের ঘোষণা হল, তা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। কারণ এই মুহূর্তে আইনি লড়াইয়ের মধ্যে দিয়ে যেতে হচ্ছে মাস্ককে। মাস্ক তাঁর সন্তানের পিতা বলে দাবি করেছেন এক তরুণী ইনফ্লুয়েন্সার। DNA পরীক্ষা  চেয়ে ওই তরুণী আদালতেও গিয়ছেন। ১৩তম সন্তানের পিতৃত্ব এখনও স্বীকার করেননি মাস্ক,আবার অস্বীকারও করেননি।

২৬ বছর বয়সি অ্যাশলি সেন্ট ক্লেয়ার জানিয়েছেন, তিনি মাস্কের সন্তানকে পৃথিবীতে এনেছেন। পাঁচ মাস আগে পুত্রসন্তানের জন্ম দিয়েছেন, মাস্ক কয়েক বার ছেলের সঙ্গে দেখাও করেছেন বলে জানিয়েছেন অ্যাশলি। সোশ্যাল মিডিয়ায় অ্যাশলি নিজেই সেই ঘোষণা করেন, তার পর DNA পরীক্ষার দাবি নিয়ে যান আদালতে। অ্যাশলি জানান, সন্তান প্রসবের সময়ই মাস্ক উপস্থিত ছিলেন না। সন্তানকে বড় করার ক্ষেত্রেও মাস্কের ভূমিকা থাকবে না বলে দাবি তাঁর। DNA পরীক্ষা নিয়ে  নিউ ইয়র্ক আদালতের বিচারপতি মাস্কের জবাব চেয়েছেন।

মাস্ক যদিও সেই নিয়ে সরাসরি কোনও মন্তব্য করেননি। তবে অ্যাশলির সঙ্গে সম্পর্ক এবং সন্তানধারণের কথাও উড়িয়ে দিতে দেখা যায়নি তাঁকে। পুত্রসন্তানের আগমনের কথা জানাতে গিয়ে শিভন লিখেছেন, মাস্কের সঙ্গে আলোচনা করেই সুখবর দিচ্ছেন তিনি। তাহলে কি অ্যাশলি মাস্কের সঙ্গে কোনও পরামর্শ করেননি, তাই কি মাস্ক নীরবতা পালন করছেন, উঠছে এই প্রশ্নও। 

আমেরিকার সংবাদমাধ্যম থেকে প্রাপ্ত খবর অনুযায়ী, ডোনাল্ড ট্রাম্পের সমর্থক অ্যাশলি। নির্বাচনী প্রচারের সময়ই মাস্কের সঙ্গে তাঁর ঘনিষ্ঠতা। সেই হিসেব অনুযায়ী, এই নিয়ে ১৪ সন্তানের পিতা হলেন মাস্ক। বরাবরই বেশি সংখ্যক সন্তানধারণের পক্ষে সওয়াল করে এসেছেন তিনি। সেই নিয়ে তীব্র সমালোচনার মুখেও পড়তে হয়েছে।