নয়াদিল্লি: অন্তর্বর্তী বাজেটকে কৃষক, অসংগঠিত ক্ষেত্রের শ্রমিক ও মধ্যবিত্ত শ্রেণির পক্ষে লাভজনক বলে উল্লেখ করল বণিকসভা। কৃষক, শ্রমিক ও মধ্যবিত্তদের আয় বাড়ার ফলে চাহিদা বাড়বে এবং অর্থনীতি চাঙ্গা হবে বলেও মতপ্রকাশ করেছেন গৌতম আদানি, মাহিন্দ্রা গোষ্ঠীর চেয়ারম্যান আনন্দ মাহিন্দ্রা, আইটিসি-র ম্যানেজিং ডিরেক্টর সঞ্জীব পুরী, ওয়ালমার্ট ইন্ডিয়ার প্রেসিডেন্ট ও সিইও কৃষ আয়ার। তাঁরা মনে করছেন, অর্থনীতি দেউলিয়া হয়ে যাওয়ার ঝুঁকি না নিয়েই কৃষক, অসংগঠিত ক্ষেত্রের শ্রমিক ও মধ্যবিত্ত শ্রেণির কথা ভাবা হয়েছে বাজেটে। আদানি ট্যুইট করে জানিয়েছেন, ‘ভারতের আর্থিক বৃদ্ধির প্রাণভোমরা হলেন মধ্যবিত্ত, ছোট ব্যবসায়ী ও কৃষকরা। এবারের বাজেটে তাঁদের উচ্চাশা পূরণ করে লক্ষ লক্ষ মানুষকে আশাবাদী করে তোলা হয়েছে।’
মাহিন্দ্রা ট্যুইট করে জানিয়েছেন, ‘আমি ভাবছিলাম নির্বাচনের কথা ভেবে ভয় পেয়ে গিয়ে জনমুখী, অপব্যয়ী বাজেট করা হবে। কিন্তু অর্থনীতি দেউলিয়া হয়ে যাওয়ার ঝুঁকি না নিয়েই পরিমিতভাবে মধ্যবিত্ত ও কৃষকদের স্বস্তি দেওয়া হয়েছে। এর জন্য আমি কৃতজ্ঞ। এই বাজেট নিয়ন্ত্রিত ও অর্থনীতিকে চাঙ্গা করার প্রক্রিয়া।’
বণিকসভা সিআইআই-এর ডিরেক্টর জেনারেল চন্দ্রজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছেন, ‘সমাজের বৃহত্তম উপভোক্তা শ্রেণির কথা ভেবে বাজেট করে আয় স্থিতিশীল করা এবং অসুরক্ষিত ব্যক্তিদের উপর থেকে ঝুঁকি কমানোর পদক্ষেপ নিয়েছে সরকার।’ আইটিসি-র ম্যানেজিং ডিরেক্টর বলেছেন, ‘অন্তর্বর্তী বাজেটের ফলে ভারতীয় অর্থনীতির উন্নতি হবে। এই বাজেটের ফলে ভোগ্যপণ্যের চাহিদা বাড়বে, কৃষি ও গ্রামীণ অঞ্চলের বিভিন্ন গোষ্ঠীর, অসংগঠিত ক্ষেত্রের শ্রমিকদের এবং মধ্যবিত্তদের উপকার হবে।’ ডাবর ইন্ডিয়ার সিইও সুনীল দুগ্গলও বাজেটের প্রশংসা করেছেন।