সরকারের সঙ্গে শর্তাধীন আলোচনায় প্রস্তুত কৃষক সংগঠন, ২৯ ডিসেম্বর বৈঠকের প্রস্তাব
ওয়েব ডেস্ক, এবিপি আনন্দ | 26 Dec 2020 08:52 PM (IST)
চলতি বছর সেপ্টেম্বর মাসে পাশ হয় ৩ কৃষি আইন। সিঙ্ঘু, টিকরি, গাজিপুর সীমান্তে গত একমাস ধরে আন্দোলন করছেন হাজার হাজার কৃষক। কৃষকদের দাবি, ৩ আইন পুনর্বিবেচনা করতে হবে। ন্যূনতম সহায়ক মূল্য দিতে হবে।
নয়াদিল্লি: তিন নয়া কৃষি আইনের বিরুদ্ধে আন্দোলন চালাচ্ছেন কৃষকরা। আন্দোলনকারী কৃষকদের সংগঠন সরকারের সঙ্গে আলোচনা ফের শুরুর সিদ্ধান্ত নিয়েছে এবং আগামী ২৯ ডিসেম্বর পরবর্তী পর্বের আলোচনার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। কৃষক নেতা রাকেশ টিকায়ত এ কথা জানিয়েছেন। তিনি বলেন, আজই এই বৈঠক হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু তা স্থগিত হয়ে যায়। কৃষি আইনের প্রতিবাদে দিল্লির সীমানা সংলগ্ন এলাকাগুলিতে আন্দোলনরত ৪০ কৃষক ইউনিয়নের প্রধান সংগঠন সংযুক্ত কিষাণ মোর্চার বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। কৃষক নেতা রাকেশ টিকায়ত বলেন, একইসঙ্গে শর্তও জুড়েছেন টিকায়ত। তিনি বলেছেন, তিন কৃষি আইন প্রত্যাহারের রীতিনীতি ও ন্যূনতম সহায়ক মূল্য (এমএসপি) সংক্রান্ত নিশ্চয়তার মতো বিষয় সরকারের সঙ্গে আলোচনার বিষয়বস্তুতে সামিল হওয়া দরকার। টিকায়ত জানিয়েছেন, আগামী ২৯ ডিসেম্বর আমরা সরকারের সঙ্গে আলোচনার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। চলতি বছর সেপ্টেম্বর মাসে পাশ হয় ৩ কৃষি আইন। সিঙ্ঘু, টিকরি, গাজিপুর সীমান্তে গত একমাস ধরে আন্দোলন করছেন হাজার হাজার কৃষক। কৃষকদের দাবি, ৩ আইন পুনর্বিবেচনা করতে হবে। ন্যূনতম সহায়ক মূল্য দিতে হবে। কৃষি আইন পাশ হওয়ার পর থেকেই ক্ষোভে ফেটে পড়েন কৃষকরা। তাঁদের বক্তব্য, ৩ আইনই কৃষক বিরোধী। এর প্রতিবাদে গত ২৬ নভেম্বর থেকে লাগাতার আন্দোলন শুরু করেন কৃষকরা। শুরু করেছেন রিলে অনশনও। উল্লেখ্য, এর আগেও একাধিকবার কেন্দ্রের সঙ্গে বৈঠক হয়েছে। কেন্দ্র প্রস্তাব দিয়েছিল, কৃষকদের দাবি শোনার জন্য় একটি কমিটি গঠন করা হবে। কিন্তু বৈঠকে উপস্থিত কৃষক সংগঠনগুলির প্রতিনিধিরা সেই প্রস্তাবে রাজি হননি। কৃষকদের সঙ্গে বৈঠকে বসেছেন খোদ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। রাজধানীর কনকনে ঠান্ডায় আন্দোলন করতে গিয়ে প্রাণ হারিয়েছেন অনেকেই। কিন্তু এত কিছুর পরেও অনমনীয় কৃষকরা। আগামী মঙ্গলবারের বৈঠকের দিকে তাকিয়ে দুপক্ষই।