নয়াদিল্লি: তিনদিন বাদে বিয়ে। কিন্তু বিয়ে করতে রাজি নয় দ্বাদশ শ্রেণির ছাত্রীটি। আরও পড়াশোনা করতে চায় সে। তাই শুধু বাড়ি থেকেই পালানোই নয়, বিয়ে হবে না, এটাও আইনত নিশ্চিত করেছে সে। মেয়েটির অভিযোগ পেয়ে প্রশাসনের তরফে তার পরিবারকে জানানো হয়েছে কোনও অবস্থাতেই যেন মেয়েটির ইচ্ছার বিরুদ্ধে জোর করে তার বিয়ে দেওয়া না হয়। মেয়েটি যতদূর পড়তে চায় যেন পড়তে দেওয়া হয়। মধ্যপ্রদেশের উজ্জ্বয়িনীর ঘটনাটি। মেয়েটি বারবারই তার পরিবারের সকলকে জানিয়েছিল বিয়েতে অনিচ্ছার কথা। সে সাফ জানিয়েছিলে সে আরও অনেক পড়াশোনা করতে চায়, নিজের স্বপ্নপূরণ করতে চায়। কিন্তু আর্থিক অবস্থা ইত্যাদির কারণে জোর করেই মেয়েটির বিয়ের ব্যবস্থা করে তার পরিবার। মেয়েটিও নাছোড়বান্দা। গত ১৪ অগস্ট বাড়িতে অশান্তি হওয়ার পর বাড়ি থেকে বেরিয়ে সোজা থানায় চলে আসে সে।অভিযোগ দায়ের করে যে তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে তার বিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে। এরপরই মেয়েটির বাড়ির সঙ্গে কথা বলে বিয়ে বাতিলের ব্যবস্থা করে পুলিশ। মেয়েটি সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছে, আমি জানি আমার পরিবার আর্থিকভাবে দুর্বল। আমার পরে আমার আরও এক বোন আছে, তার দায়িত্ব আছে, সেটাও জানি। কিন্তু আমি বিশ্বাস করি আমি আরও খানিকটা পড়াশোনা করলে, প্রতিষ্ঠিত হতে পারলে আমার পরিবারের আর্থিক সমস্যা মেটাতে পারব। আমার বোনকেও আমি প্রতিষ্ঠিত দেখতে চাই। তার জন্যও আমি সাধ্য মতো চেষ্টা করবো। আমরা দাঁড়িয়ে গেলেই তো আমাদের বা আমাদের পরিবারের আর কোনও সমস্যা থাকে না। সেজন্যই বিয়ে নয়, পড়াশোনা করতে চাই।